62 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (9 পয়েন্ট)

আমি একটি মেয়েকে অনেক ভালোবাসি।

আমরা আমাদের পরিবারকে বিষয়টি জানাইছি এবং তারা আমাদের বিয়ে ঠিক করছে।
কিন্তু ২ দিন আগে আমি জানতে পারলাম আমার প্রেমিকা বা হবু বউ আমার আগে আরো ১ টা ছেলের সাথে শারিরিক সম্পর্কে জরাইছে।
ও আমার কাছে একটা জিনিস চেয়েছিল সেটা হইছে আমি কখনো যাতে ওকে ছেরে না যাই।
আমি ওরে মন থেকে মেনে নিতে পারমু কিন্তু আল্লাহতো বলছে যে বিয়ের আগে এসব করবে তার কোনো ক্ষমা নাই।
এখন আমি কি করমু?
ওরো যে আমি কথা দিছি ওরে কখনো ছেরে যামুনা।
ইসলাম কি বলে এই রকম সম্পর্কের ব্যপারে?
কেউ জানডয়ে সাহায্য করবেন প্লিজ

3 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (125 পয়েন্ট)
সে যে পাপ করেছে সেটা তার ওপরে বর্তাবে। যদি সে তওবা করে নেয়, তাহলে আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে দিবেন। আপনি যদি খাঁটি মনে প্রফুল্ল চিত্তে তাকে বিয়ে করতে চান তাহলে করতে পারেন। কোন সমস্যা নেই। তাকে বিয়ে করতে ইসলামের দৃষ্টিতে আপনার কোন বাধা নেই।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,138 পয়েন্ট)
যেহেতু মেয়েটির সাথে আপনার পরিবার বিয়ে ঠিক করেছে এবং আপনিও মেয়েটিকে ভালোবাসেন তাই আপনি মেয়েটির পূর্বের ভুল ক্ষমা করে দিন। ক্ষমা হল মহত্ত্বের লক্ষণ একজন মুসলামের ঈমানি দায়িত্ব হল অপর জনকে ক্ষমা করে দেয়া। আল্লাহ তায়ালা কোরআনে ইরশাদ করেছে বান্দা যদি পাহাড় পরিমান গুনা ও করে তবুও যদি ক্ষমা চায় তাহলেও আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করেও দিতে পারে। যেহেতু মেয়েটি পূর্বে আরেকটি ছেলের সাথে সহবাস করেছে হয়ত ছেলেটি মেয়েকে বিভিন্ন উপায়ে সহবাস করেছে মেয়েটি হয়ত এখন অনুতপ্ত। এখন যদি মেয়েটি ক্ষমা চায় আল্লাহর কাছে যে এমন গর্হিত কাজ আর করবে না তাহলে তাকে আপনি বিয়ে করতে পারেন ইসলামে কোনো নিষেধ নাই।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,393 পয়েন্ট)

ইসলামে বিবাহপূর্ব যৌন সম্পর্ক সম্পূর্ণ করেছে। তাই আপনার স্ত্রীর জন্য উক্ত কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণরূপে হারাম হয়েছে। তবে সে যদি তাওবা করে ও নিজের অপরাধের জন্য ক্ষমা চাই তাহলে মহান আল্লাহ তাআলা অবশ্যয়ই ক্ষমা করবেন। কারণ তিনি বান্দার তাওবায় অত্যান্ত খুশি হন এবং ক্ষমা করেন। তাছাড়া হাদীসে এসেছে- গুনাহ থেকে তাওবাকারী কেমন যেন তার কোন গুনাহই নেই।

আর আপনার বক্তব্য ‘আল্লাহ বলেছেন বিয়ের আগে যে এসব করবে তার কোন ক্ষমা নাই’ একদমই ভুল। কুরআন ও হাদীসের কোথায়ও এ কথার ভিত্তি নেই।

আর হাঁ, আপনারা পরস্পর সম্পর্ক বজায় রাখতে হরে আপনাদেরকে বিয়ে করতে হবে। অন্যথায় আপনাদের প্রতিটি কর্মকাণ্ডই অবৈধ ও হারাম বলে বিবেচিত হবে। ধন্যবাদ।

তথ্যসূত্র:

সূরা যুমার, ৫৩, সুনানে ইবনে মাযা; হা. নং ৪২৫০, সহীহ মুসলিম; হা. নং ২৭৪৪।

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

এ সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন খুঁজে পাওয়া গেল না

282,435 টি প্রশ্ন

366,651 টি উত্তর

110,350 টি মন্তব্য

152,219 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...