বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
66 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (5 পয়েন্ট)

2 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (994 পয়েন্ট)
ইসলামে প্রেম হারাম, কিন্তু ভালোবাসা জায়েজ। প্রেমিক, প্রেমিকা ও প্রেম একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। অবিবাহিত একটি ছেলে ও অবিবাহিত একটি মেয়ে অবৈধ কোনো সম্পর্কে জড়ালে, ছেলেটিকে প্রেমিক, মেয়েটিকে প্রেমিকা আর সম্পর্কটাকে প্রেম বলে। আর কোনো বিবাহিত ছেলে বা বিবাহিত মেয়ে যদি অন‍্য কারো স্বামী বা স্ত্রীর সাথে প্রেম করে, তখন সেটাকে পরকীয়া বলে। আর ভালোবাসা হচ্ছে পবিত্র সম্পর্ক। যেমনঃ ছেলে তার মায়ের সাথে প্রেম করে না, ভালোবাসে। মেয়ে তার বাবার সাথে প্রেম করে না, ভালোবাসে। বোন তার ভাইয়ের সাথে প্রেম করে না, ভালোবাসে। স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সাথে প্রেম করে না, একে অপরকে ভালোবাসে, আদর করে, সম্মান করে। তাই প্রেম বলতে প্রেমিক-প্রেমিকার অবৈধ সম্পর্ক আর ভালোবাসা বলতে সকল বৈধ সম্পর্ককে বুঝায়। আর ইসলামে বৈধ সম্পর্ক জায়েজ আর অবৈধ সম্পর্ক নাজায়েজ। সুতরাং, ইসলামে প্রেম হারাম, কিন্তু ভালোবাসা জায়েজ। ধন‍্যবাদ।
0 টি পছন্দ
করেছেন (5,630 পয়েন্ট)

বেগানা পুরুষের সাথে বেগানা মহিলার প্রেম পিরিত হারাম। প্রেম জায়েজ তবে সেটা আপনার বিবাহিত স্ত্রীর সাথে ইসলামে প্রেম করা জায়েজ। , কিন্তু সেই প্রেম হতে হবে বাবার প্রতি সন্তানের যে প্রেম থাকে, প্রতিবেশির প্রতি প্রতিবেশির যে প্রেম থাকে। যদি আপনার কোন যুবতী মেয়ের প্রতি যৌন উত্তেজিত প্রেম থাকে তাহলে সেই প্রেম একেবারেই জায়েজ নয়। , , বিবাহ পূর্ব প্রেম হারাম। “ স্বাধীনভাবে লালসা পূরণ কিংবা গোপনে লুকিয়ে প্রেমলীলা করবে না” (সূরা আল মায়িদা: ৫) এরপর সূরা নূর এর ৩০ নং আয়াতে পুরুষদের চোখ নীচু রাখতে এবং লজ্জা স্থান হিফাজত করতে বলা হয়েছে। ৩১ নং আয়াতে নারীদেরও একই কথা বলা হয়েছে, পর্দা করার কথা বলা হয়েছে। 


আর নারীরা কাদের সাথে সাক্ষাত করতে পারবে তাদের একটা তালিকা দেওয়া হয়েছে। , , সূরা আহযাবের ৫৯ নং আয়াতে পর্দা করার নির্দেশ আরো পরিস্কার ভাষায় বলা হয়েছে। যেখানে দৃষ্টি নীচু ও সংযত রাখা, লজ্জা স্থান হিফাজত করার কথা এবং পর্দা করার কথা বলা হয়েছে আর সূরা মায়িদাতে গোপন প্রেমলীলাকে নিষেধ করা হয়েছে সেখানে বিবাহ পূর্ব প্রেম বৈধ হতে পারে কি করে? এটা হারাম। জিনা তথা অবৈধ শারীরীক সম্পর্ক হারাম। (সূরা ইসরা আয়াতঃ ৩২) (সূরা ফুরকানঃ ৬৮)জিনার নিকট যাওয়াই নিষেধ অর্থাৎ যে সকল জিনিস জিনার নিকটবর্তী করে দেয় তার কাছে যাওয়াই নিষেধ। বিবাহ পূর্ব প্রেম নর-নারীকে জিনার নিকটবর্তী করে দেয় আর জিনা মারাত্মক একটি কবিরা গুণাহ। বিবাহপূর্ব প্রেম অনেক সময় বান্দাহকে শিরকের নিকটবর্তী করে দেয়। কারণ অনেক সময় তারা একে অপরকে এতটই ভালবাসা শুরু করে দেয় যে প্রকার ভালবাসা পাওয়ার দাবীদার একমাত্র আল্লাহ। (সূরা বাকারাঃ১৬৫) শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মাঝে শুত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখন ও কি নিবৃত্ত হবে? সূরা আল মায়েদাহ, আয়াত নং ৯০ থেকে ৯১। 

আসলে ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা মানুষকে গুনাহ থেকে বাঁচতে বিভিন্ন উপায় বলে দেয়।প্রেম করলে শয়তান অবশ্যই জিনা করতে প্রলুব্ধ করবে। ইসলামে বিয়ের আগে প্রেম করা হারাম।
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
28 অক্টোবর 2016 "হিন্দু ধর্ম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
2 টি উত্তর
06 মার্চ 2018 "হাদিস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন SharifulS (9 পয়েন্ট)
1 উত্তর
08 নভেম্বর 2017 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন সেক ইজাজ (1 পয়েন্ট )
1 উত্তর
02 মার্চ 2017 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন $hawon (-4 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
12 এপ্রিল 2016 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mmrs (4 পয়েন্ট)

294,406 টি প্রশ্ন

381,043 টি উত্তর

115,199 টি মন্তব্য

161,720 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...