43 জন দেখেছেন
"প্রাণীবিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (961 পয়েন্ট)
করেছেন (2,522 পয়েন্ট)
বিভিন্ন কারনে হাচি আসতে পারে। মূলত দুটো বিষয় মুখ্য।

নাকের ভেতর অলফ্যাক্টরী নামক স্নায়ু থাকে যা মাথায় ঘ্রান অনুভুতি পৌছে দেয়। কিন্তু এই নাকের সাথে নিশ্বাস প্রশ্বাস জড়িত থাকে। নাকের ভেতরের এই স্নায়ূ স্তর ও মিউকাস ঝিল্লি থাকে । এখানে এমন কোন অনুভুতি যা নিশ্বাস নিতে বাধা দিতে পারে সেই সকল অনুভুতি মস্তিষ্কে প্রেরিত হলে শিরশির অনুভুতি উঠে হাচির উদ্রেক করে যাহাতে সেই কারন শ্বাসের সাথে ভেতরে প্রবেশ না করতে পারে। 

আবার গলার ভেতর হঠাৎ কিছু প্রবেশ করলে কন্ঠনালীর স্নায়ূ উত্তেজিত হয় হাচির উদ্রেক করে। ("হামি" শব্দটির সাথে আমি পরিচিত নই তাই লিখলাম না) 

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,394 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

হাঁচি => ভাইরাস সংক্রমণে হাঁচি, জীবাণু, ফ্লু, ইনফ্লুয়েঞ্জা, অ্যালার্জি ইত্যাদিতে হাঁচি আসতে পারে।পালক, মরিচ, ধুলো, ধোঁয়া, ফুলের রেণু, ঝাঁঝালো গন্ধ প্রভৃতিতেও হাঁচি আসে।দীর্ঘদিন কোনও রাসায়নিক, ধুলো বা গন্ধের মধ্যে থাকতে থাকতে তাতে অ্যালার্জি হতে পারে তাতেও হাঁচি হতে পারে।আচমকা নাকে কিছু ঢুকে গেলেও হাঁচি শুরু হয়।

নাক বন্ধ, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি, জ্বর, গা হাত-পা মাথাব্যথা, ক্লান্তি, দুর্বলতা ইত্যাদিতেও হাঁচি হয়। এছাড়াও আরো কারণে হতে পারে।

হাই=> যেসব মানুষের অক্সিজেনের দরকার বেশি থাকে তারা আসলে অন্যদের চাইতে বেশি হাই তোলেন না। তাই হাই তোলার ব্যাপারটাকে এখনও রহস্যই বলা যায়।

মজার ব্যাপারটা হলো, হাই তোলার মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা থাকে। মস্তিষ্ক যখন কোনো কারণে গরম হয়ে যায় তখনি আমাদের হাই তুলতে ইচ্ছা হয়। আর মস্তিষ্ক প্রায়ই গরম হয়ে যায়, যেভাবে আমাদের কম্পিউটার বেশিক্ষণ চললে গরম হয়ে যায়। আমরা ক্লান্ত হয়ে গেলে, বোর হতে থাকলে বা অসুস্থ থাকলে গরম হয় মস্তিষ্ক। হাই তোলার ফলে মস্তিষ্ক একটু ঠাণ্ডা হয়ে আসে!
তবে গবেষণায় এই তত্ব প্রমাণিত হয়নি বরং এর বিপরীত তথ্য জানা গেছে। যেসব মানুষের অক্সিজেনের দরকার বেশি থাকে তারা আসলে অন্যদের চাইতে বেশি হাই তোলেন না। তাই হাই তোলার ব্যাপারটাকে এখনও রহস্যই বলা যায়। সবচাইতে সাম্প্রতিক তত্ব, যার সাথে বেশিরভাগ গবেষকই সহমত পোষণ করেন, তা হলো হাই তোলার মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা থাকে। মস্তিষ্ক যখন কোনো কারণে গরম হয়ে যায় তখনি আমাদের হাই তুলতে ইচ্ছা হয়। আমাদের মস্তিষ্ক খুব বেশি পরিমাণে শক্তি খরচ করে। এর আকৃতি সারা শরীরের তুলনায় ছোট হলেও, তা খরচ করে বিপাকীয় শক্তির প্রায় ৪০ শতাংশও। আর মস্তিষ্ক প্রায়ই গরম হয়ে যায়, যেভাবে আমাদের কম্পিউটার বেশিক্ষণ চললে গরম হয়ে যায়। আমরা ক্লান্ত হয়ে গেলে, বোর হতে থাকলে বা অসুস্থ থাকলে গরম হয় মস্তিষ্ক। হাই তোলার ফলে মস্তিষ্ক একটু ঠাণ্ডা হয়ে আসে। আর আমাদের মন আগের চাইতে একটু সজাগ হয়ে ওঠে। মস্তিষ্কের তাপমাত্রা তিনটি বিষয়ের ওপরে নির্ভর করে। ধমনীতে রক্ত প্রবাহের মাত্রা, রক্তের তাপমাত্রা এবং মস্তিষ্কে সৃষ্ট তাপ। হাই তোলার ফলে প্রথম দুইটি ক্ষেত্রে কাজ হয়। ধমনীতে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং মস্তিষ্কে অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা রক্ত প্রবেশ করে। হাই তোলার ফলে বাকি শরীরে কি হয়? আমাদের মুখ হাঁ হয় যায় এবং অনেক গভীর একটা নিঃশ্বাস নেই, আর ছোট্ট করে প্রশ্বাস ছাড়ি। এ সময়ে আমাদের মাথার চারপাশের পেশিগুলো প্রসারিত হয়। ফলে ঠাণ্ডা রক্ত ধমনী দিয়ে মস্তিষ্কে প্রবাহিত হয় এবং গরম রক্ত শিরা দিয়ে বের করে দেয়। হাই তোলার সময়ে আনুষঙ্গিক আরও কিছু কাজ করি আমরা। অনেকে হাত প্রসারিত করে দেয়, মাথা পেছনের দিকে হেলিয়ে দেয়। এর ফলে আমাদের বগলে ঠাণ্ডা বাতাস লাগে এবং তাতেও শরীর ঠাণ্ডা হয়। সারা শরীর এভাবে স্ট্রেচ করার কারণে আমাদের পেশি কাজের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়, কেটে যায় ঘুম ঘুম ভাব।বিবর্তনবাদের গবেষণায় এক তত্বে ধারণা করা হয়, মানুষের মস্তিষ্ক যখন উন্নত হবার পর্যায়ে ছিলো তখনি খুলির আশেপাশে মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা রাখার জন্য ধমনীগুলো তৈরি হতে থাকে এবং এ সময়েই হাই তোলার মত শারীরিক কর্মকাণ্ডের উদ্ভব ঘটে। কিন্তু হাই তোলার আরও একটি অদ্ভুত ব্যাপার আছে। 


বিভিন্ন সাইট থেকে তথ্য নিয়ে সাজানো।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
16 জুন 2015 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন prince Ridwan (7 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
10 নভেম্বর 2018 "বিজ্ঞান ও প্রকৌশল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md Masud Rana. (1,724 পয়েন্ট)

282,435 টি প্রশ্ন

366,651 টি উত্তর

110,350 টি মন্তব্য

152,219 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...