বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
253 জন দেখেছেন
"দুয়া ও যিকির" বিভাগে করেছেন (1 পয়েন্ট )
bumped
অবাস্তব মানে আমি চাইব, যেনো অতিদ্রুতই আমাকে বাংলাদেশের সেরা ধনী বানিয়ে দেয়।এখন দোয়া করতে গেলে কি আমাকে নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের উপর দরুদ শরিফ আগে পড়তে হবে?নাকি ইসমে আজম আগে পড়তে হবে?

4 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (4,125 পয়েন্ট)
ইসমে আজম সম্পর্কে একটা হাদিস আসছে। সেটা হলোঃ- হযরত আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- যখন আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সঃ)-এর সঙ্গে বসা ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিল, যখন সে রুকূ-সিজদা এবং তাশাহহুদ পড়ে দোয়া করতে আরম্ভ করল তখন সে তাঁর দোয়া বললঃ (আরবি), তখন নবী (সঃ) তাঁর সাহাবীগণকে বললেন, 'তোমরা কি জান? সে কিসের দ্বারা দোয়া করল'? তাঁরা বললেন, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তখন তিনি বললেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! সে আল্লাহর ঐ ইসমে আজম দ্বারা দোয়া করেছে যা দ্বারা দোয়া করা হলে তিনি তা কবুল করেন, আর যা দ্বারা কোন কিছু চাওয়া হলে তা তিনি দান করেন। (সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ১৩০০) তাই উক্ত হাদিস দ্বারা প্রমাণ হয় যে, ইসমে আজম দ্বারা দোয়া করলে আল্লাহ তায়ালা দোয়া কবুল করেন এবং তাকে তা দান করেন।
করেছেন (6,303 পয়েন্ট)
বাংলাদেশের সেরা ধনী হতে চাইলে কি তিনি তা বানিয়ে দিবেন?
করেছেন (3,281 পয়েন্ট)
ইসমে আজম কোন দোয়াটা সেটাতো উল্লেখ নেই উত্তরে?
করেছেন (4,125 পয়েন্ট)

@Sabirul Islam ভাইয়া, আল্লাহ চাইলে সব কিছুই দান করতে পারেন৷ যেহেতু রাসূল (সঃ) বলেছেন, "ইসমে আ'যম" এর দ্বারা কোনকিছু আল্লাহর কাছে চাওয়া হলে তিনি তা দান করেন।

আর হ্যাঁ, এমন কিছু চাইতে হবে যা নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আপনি যদি এখন বলেন, "হে আল্লাহ! তুমি আমাকে এ দুইটি হাত ছাড়াও আরো একটি হাত দান কর এবং তুমি আমাকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা কর, আমি যেন কোনদিনও না মাড়া যাই " 

তাই কি সম্ভব?

করেছেন (4,125 পয়েন্ট)

@allahorgolam, 'ইসমে আ'যম' এর দোয়াটি হলোঃ 

 اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ

করেছেন (3,281 পয়েন্ট)
উপরোক্ত আমল টি আপনার পরিক্ষিত?
করেছেন (4,771 পয়েন্ট)
হাদীসটির মান জানতে চাই।
করেছেন (4,125 পয়েন্ট)
@allahorgolam, এটা যে আমার পরীক্ষিত - সেটাও বলা যাবে না, আবার এটা যে অবহেলা করি, ঠিক সেটাও বলা যাবে না। তবে মোনাজাতের সময় এটা আমি পাঠ করি৷ 

@আমীরুল ইসলাম, হাদীসটির মান সহীহ। 
করেছেন (4,771 পয়েন্ট)
একটু রেফারেন্স দিবেন।
করেছেন (832 পয়েন্ট)
দোয়াটি বাংলায়  লিখুন 
+1 টি পছন্দ
করেছেন (1,406 পয়েন্ট)
আল্লাহ তায়ালা বলেন,আমি ততক্ষণ না পর্যন্ত কোনো জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করি যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই জাতি তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা করে(দুঃখিত যে আমি তথ্য সূত্র দিতে পারছি না)।তাই আপনার সেজন্য চেষ্টা থাকতে হবে।নিজের চেষ্টা না থাকলে হাজার দোয়া পড়েও কোনো লাভ নেই।শুধু দোয়া পড়লেই যদি ভাগ্য পরিবর্তন হতো তাহলে কেউ আর কষ্ট করতো না।আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (321 পয়েন্ট)
ইসমে আযমের ফযীলতঃ ইসমে আযমের গুরত্ব হচ্ছে, এই নামে বা এই নামের ওসীলা দিয়ে আল্লাহকে ডাকলে বা তাঁর কাছে দুয়া করলে আল্লাহ সবচাইতে বেশি খুশি হন, এবং বান্দার দুয়া কবুল করে নেন। ইসমে আযমের উসীলা দিয়ে কোন দুয়া করলে আল্লাহ সেই দুয়া কবুল করে নেনঃ নবী (সাঃ) এক ব্যক্তিকে নামাযে তাশাহুদ ও দুরুদের পরে সালাম ফিরানোর আগে (দুয়া মাসুরা পড়ার সময়) এই দুয়া পড়তে শুনলেন। নবী (সাঃ) সাহাবাদেরকে বললেন, তোমরা কি জানো সে কিসের দ্বারা দুয়া করেছে? সাহাবারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ভালো জানেন। তিনি বললেন, সেই মহান সত্ত্বার কসম যার হাতে আমার প্রান, নিশ্চয়ই এই ব্যক্তি আল্লাহর নিকট তাঁর “ইসমে আযম” বা সুমহান নামের উসীলায় দুয়া করেছে। “ইসমে আযমের” উসীলায় দুয়া করলে আল্লাহ সেই দুয়া কবুল করে নেন, আর কোনো কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে তা দান করেন। আবু দাউদ, নাসায়ী, আহমাদ, বুখারীর আল-আদাবুল মুফরাদ, ত্বাবারানী ও ইবনে মান্দাহ “আত-তাওহীদ” গ্রন্থসহ (৪৪/২, ৬৭/১, ৭০/১-২), , আল্লাহ্ চাইলে সবকিছু করতে পারেন । তাইবলে তিনি আপনাকে অমরত্ব দিবেননা । আল্লাহর কাছে চাইবেন আপনার সাধ্য, আপনার যোগ্যতা মাফিক এবং সীমার মধ্যে ।
0 টি পছন্দ
করেছেন (6,303 পয়েন্ট)
আল্লাহ তাআলার কাছে বান্দার চাওয়া এবং পাওয়ার মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিষয় হলো ক্ষমা লাভ করা। যে ব্যক্তি ক্ষমা লাভে সক্ষম হবে সে ব্যক্তিই সফলকাম হবে। আর এ কারণেই আল্লাহ তাআলার দরবারে এক অফুরন্ত রহস্যের নাম তাওবা ও ইগতিগফার। তাওবা ও ইসতেগফারের মাধ্যমে মানুষ ক্ষমা লাভ করে থাকে।

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ সেই সত্তার কসম! এই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে এমন ইসমে আজমের মাধ্যমে দুআ করছে যার ওয়াসীলায় দুআ করা হলে আল্লাহ তাআলা কবুল করেন এবং যার ওয়াসীলায় যাঞ্ছা করা হলে তিনি দান করেন। (তিরমিজীঃ ৩৪৭৫)

জনাব! আল্লাহর কাছে অবাস্তব যেমনঃ আমাকে অতিদ্রুতই বাংলাদেশের সেরা ধনী বানিয়ে দিন। এমন চাওয়া হতে রাসুল (সাঃ) নিষেধ করেছেন।

হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালা তোমাদের জন্য তিনটি বস্তু পছন্দ এবং তিনটি বস্তু অপছন্দ করেছেন, তা হলো সমালোচনা অথবা শোনা কথায় কান দেয়া, অধিক চাওয়া এবং মাল-সামান নষ্ট করা। (মুসলিম সংক্ষিপ্ত)

সকল প্রশংসা তাঁরই জন্য, তিনি প্রতিটি বিষয়ে ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি কিছু দিতে আগ্রহী হলে কেউ তা ঠেকানোর মতো নেই আর তুমি না দিলে কেউ তা দেয়ার মতো নেই। কোন মর্যাদাবানের মযার্দা তোমার কাছে কোন উপকারে আসে না। নবী করীম (সাঃ) অনর্থক ও উদ্দেশ্যহীন বাক্যলাপ করতে, ধন-সম্পদ নষ্ট করতে এবং অধিক চাওয়া হতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ও মুসলিম আংশিকভাবে লেখা)
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

5 টি উত্তর
08 জুলাই 2018 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আরিফুল (6,230 পয়েন্ট)
4 টি উত্তর

294,575 টি প্রশ্ন

381,284 টি উত্তর

115,273 টি মন্তব্য

161,845 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...