বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
73 জন দেখেছেন
"সাধারণ" বিভাগে করেছেন (18 পয়েন্ট)
বিভাগ পূনঃনির্ধারিত করেছেন
করেছেন (351 পয়েন্ট)
মাগুরা জেলা উত্তরে রাজবাড়ী জেলা , দক্ষিণে যশোর ও নড়াইল জেলা, পূর্বে ফরিদপুর জেলা এবং পশ্চিমে ঝিনাইদহ জেলা দ্বারা বেষ্টিত।। প্রশাসনিক এলাকাসমূহ মাগুরা জেলায় ৪টি উপজেলা রয়েছে। এগুলো হলো: মাগুরা সদর উপজেলা শ্রীপুর উপজেলা মহম্মদপুর উপজেলা শালিখা উপজেলা ইতিহাস বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে এক সমৃদ্ধ জনপদের নাম মাগুরা। ১৭৮৬ সালে বৃটিশ আমলে বাংলা প্রদেশের প্রথম গঠিত জেলা যশোর। কিন্তু একজন জেলা কর্মকর্তার পরে এ বৃহৎ জেলার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। মুলত মগ জলদস্যুদের হাত থেকে এ জেলার উত্তরাঞ্চলের জন সাধারণকে রক্ষা করার জন্যই ১৮৪৫ সালে যশোর জেলার প্রথম মহকুমা করা হয় মাগুরাকে। মহকুমা গঠন করার পর প্রথম মহকুমা অফিসার হিসেবে আসেন মিঃ ককবার্গ। মহকুমা হবার আগে মাগুরা অঞ্চল ভূষণা ও মহম্মদপুর নামেই সুবিখ্যাত ছিল। পাল রাজত্বের সময় এ অঞ্চলের উত্তর ও উত্তর পূর্ব অংশ শ্রীপুর ও রাজাপুর নামে পরিচিত ছিলো। দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব অংশ ভূষনা। পরবর্তীতে দেশ স্বাধীন হবার পর প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসাবে মাগুরাকে ১৯৮৪ সালে মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত করা হয়। প্রথম ডেপুটি কমিশনার নিয়োগ করা হয়নি অরবিন্দু করকে। মাগুরা জেলা মোট ৪টি থানা নিয়ে গঠিত। যথা মাগুরা সদর , শ্রীপুর , শালিখা , ও মহম্মদপুর যা ২টি সংসদীয় যথা মাগুরা-১ (জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা) ও মাগুরা-২ (জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা) নির্বাচনী এলাকায় বিভক্ত। নামকরণ মাগুরার নামকরণ করা হয় মুঘল যুগে। এর নামকরণ কিভাবে হয়েছে তা স্থিরভাবে বলা দুস্কর। কিংবদন্তী থেকে জানা যায় এক কালে সুন্দরবনের কাছাকাছি এই অঞ্চলে মগ জল দস্যুদের দারুণ উৎপাত ছিল। কুমার নদী ও নবগঙ্গার তীরে অবস্থিত বর্তমান মাগুরা শহরে ছিল তাদের আখড়া। নদী পথে তারা বর্গীদের মতো দস্যুপনা করতো। তাদের নামেই মগরা থেকে মাগুরা হয়েছে। নেত্রকোণাতে ও দেখা যায় সেখানে মগরা নাকে একটি নদী ও রয়েছে। বাংলাদেশে মাগুরা নামে আরো বেশ কয়েকটি গ্রাম রয়েছে, তবে জেলার মর্যাদায় উন্নীত হওয়ায় মাগুরা এখন শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার। তবে কোন কোন ঐতিহাসিকের মতে মুঘল নবাব মুর্শিদকুলী খার আমলে মগদের অগ্রযাত্রাকে যেখানে প্রতিহত করে ঘুরিয়ে দেওয়া হত সেই স্থানটির নাম রাখা হত মগ-ঘুরা। মগ-ঘুরাই পরবর্তীতে মাগুরা হয়েছে। মাগুরা তথা যশোর- ফরিদপুর এলাকায় মগ- দস্যুদের অত্যাচার ও লুষ্ঠনের কাহিনী আজও ইতিহাসের এক বেদনাময় অধ্যায়। "ছেলে ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এলো দেশে" প্রচলিত এই ছড়াটিও সে সময়ের প্রকৃত চিত্রই তুলে ধরেছে। মুহম্মদপুরের রাজা সীতারাম রায় ও যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য মগ-বর্গী দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখেন। বলা চলে দস্যুদের এই দুই রাজাই প্রতিহত ও পরাজিত করেন। বহু মগ বর্গী সীতারামের কাছে আত্মসমর্পন করে এবং সেনাবাহিনী ও রাজ কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ পান। আজকের মাগুরা শহরে তাদের নিবাসের ব্যবস্থাও করা হয়। [৩] ১৮৫৬-৬০ সালের হাজরাপুরে নীলকুঠিকে কেন্দ্র করে নীল অভ্যুত্থান হয়। বরই, আমতলা নাহাটি ব্যপক নীল চাষের নিদর্শন। মহান মুক্তিযুদ্ধে জনগণ প্রায় ১৬টি ফ্রন্টে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মোকাবেলা করেছিল। এসব যুদ্ধ মোকাবেলা করতে গিয়ে অনেক মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছিলেন। লুৎফুন্নাহার হেলেনার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা ও পরবর্তীতে তাঁর করুণ মৃত্যু জনগণ গর্বভরে স্মরণ করে। জনসংখ্যা ২০১১ সালের আদম শুমারি অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা ৯ লক্ষ ১৮ হাজার ৪১৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ: ৫০.৫৬%, মহিলা: ৪৯.৪৪%। স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত পত্রিকা ও সাময়িকী দৈনিক খেদমত (চলমান) সাপ্তাহিক অঙ্গীকার (বিলুপ্ত) গ্রামীণ বাংলা (বিলুপ্ত) হিন্দু মুসলমান সম্মিলনী পত্রিকা-১৮৭৬ সাপ্তাহিক আনন্দ ১৯২৯ নবগঙ্গা ১৯৪১ সাপ্তাহিক বাংলার ডাক ১৯৭২ (বিলুপ্ত) সাপ্তাহিক রূপসী বাংলা ১৯৭২ (বিলুপ্ত) সাপ্তাহিক মাগুরা বার্তা ১৯৮৫ (বিলুপ্ত) সাপ্তাহিক গণসংবাদ (বিলুপ্ত)এবং পাক্ষিক নবকাল ১৯৭২ (বিলুপ্ত) দৈনিক মাগুরা ২০১৫ (বিলুপ্ত) মাগুরা বিত্তান্ত সাপ্তাহিক (বিলুপ্ত) চিত্তাকর্ষক স্থান রাজা সীতারাম রায়ের প্রাসাদ-দুর্গ -এর রাজবাড়ী কবি কাজী কাদের নেওয়াজ এর বাড়ী বিড়াট রাজার বাড়ী পীর তোয়াজউদ্দিন -এর মাজার ও দরবার শরীফ চন্ডীদাস ও রজকিনীর ঐতিহাসিক ঘাট সিদ্ধেশ্বরী মঠ মুক্তিযুদ্ধের চিহ্নঃ মাগুরা পিটিআই চত্ত্বরে গণকবর , ওয়াবদাপাড়া খাল, বিনোদপুর বাজার, গলাকাটা সেতু (ছাইঘারিয়া)। ছাইঘারিয়া স্মৃতি সৌধ পিটিআই প্রধান ফাটক মাগুরা বিশ্বরোড সংলগ্ন। [৪] বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আতর আলি এমপি এ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন আব্দুর রশিদ বিশ্বাস এমপি এ্যডভোকেট আসাদুজ্জামান এমপি প্রফেসর ডাক্তার সিরাজুল আকবর এমপি শ্রী বিরেন শিকদার এমপি, যুব ও ক্রিড়া প্রতিমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অবঃ) এম মজিদুল-উল-হক এমপি নিতাই রায় চৌধুরী এমপি মেজর জেনারেল (অবঃ) এটি এম আব্দুল ওহাব এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল এমপি মোঃ গোলাম ইয়াকুব বীর প্রতীক সাহিত্যিক মোহাম্মদ লুৎফর রহমান সাহিত্যক নিমাই ভট্টাচার্য কবি কাজী কাদের নেওয়াজ কবি ফররুখ আহমদ কবি মোহাম্মদ গোলাম হোসেন কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচী কবিরাজ ও সংস্কৃত পন্ডিত গঙ্গাধর সেন রায় শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন চিত্রশিল্পী মুস্তফা মনোয়ার বনানী চৌধুরী দিদার ইসলাম আবু সালেহ মিয়া আকবর হোসেন সৈয়দ আলী আহসান [৫] ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান শ্যুটার শারমিন রত্না গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড প্রাপ্ত আব্দুল হালিম আশিকুল কায়েস (সভাপতি, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ ) নদ-নদী জেলায় অনেকগুলো নদী রয়েছে। নদীগুলো হচ্ছে গড়াই নদী , নবগঙ্গা নদী , ফটকি নদী , আলমখালি নদী, মধুমতি নদী , মুচিখালি নদী, মরাকুমার নদ, কুমার নদ , চিত্রা নদী , ভৈরব নদী , সিরাজপুর হাওর নদী , বেগবতী নদী ।

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (126 পয়েন্ট)

সব তো এভাবে বলা সম্ভব না। নিচের লিংকে বিস্তারিত পাবেন




বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)ঃ http://www.magura.gov.bd/node/97253

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
28 নভেম্বর 2018 "হাদিস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Rejaulhaque (18 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
25 সেপ্টেম্বর "আইন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
15 জুন "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

350,910 টি প্রশ্ন

445,010 টি উত্তর

139,494 টি মন্তব্য

187,533 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...