বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
273 জন দেখেছেন
"সিয়াম" বিভাগে করেছেন (9 পয়েন্ট)
করেছেন (440 পয়েন্ট)
প্রশ্নঃসাহরি না খেলে কি রোজা হবে? ----------------------- উত্তর- রোজা রাখার জন্য সাহরী খাওয়া হলো সুন্নত । তবে সাহ্রি না খেলেও বা উঠতে না পারলেও রোজা হবে যদি রাতেই রোজার নিয়ত অন্তরে করে নেয়। আমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি নির্দেশ দিয়েছেন :রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনজতোমরা সাহরী খাও, কারণ সাহরীতে বরকত রয়েছে। (বুখারী-১৯২৩ ও মুসলিম-১০৯৫) আমাদের (মুসলিমদের) ও ইয়াহূদী- নাসারাদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হল সাহরী খাওয়া। (মুসলিম-১০৯৬)অর্থাৎ আমরা সিয়াম পালন করি সাহরী খেয়ে, আর ইয়াহূদী-নাসারারা রোযা রাখে সাহরী না খেয়ে। (রোযাদারদের জন্য) সাহরী হল একটি বরকতময় খাবার। তাই কখনো সাহরী খাওয়া বাদ দিও না। এক ঢোক পানি পান করে হলেও সাহরী খেয়ে নাও। কেননা সাহরীর খাবার গ্রহণকারীকে আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর ফেরেশতারা স্মরণ করে থাকেন। (আহামদ-১০৭০২) সাহরী দেরী করে খাওয়া lঅর্থাৎ তা শেষ ওয়াক্তে খাওয়া উত্তম। রাতের শেষাংশে গ্রহণকৃত খাবারকে সাহরী বলা হয়। সাহরীর সময়কে ইবাদতে কাজে লাগানো। প্রতিরাতের শেষ তৃতীয়াংশ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা আরশ থেকে প্রথম আসমানে নেমে আসেন। আর বান্দাদেরকে এই বলে আহ্বান করেন : “এখন যে ব্যক্তি আমার কাছে দু‘আ করবে আমি তা কবূল করব, যা কিছু আমার কাছে এখন চাইবে আমি তাকে তা দিব এবং যে আমার কাছে এখন মাফ চাইবে আমি তাকে মাফ করে দিব। (বুখারী-৬৩২১ ও মুসলিম-৭৫৮) অতএব তখন কুরআন অধ্যয়ন, তিলাওয়াত, তাহাজ্জুদের সলাত আদায়, তাওবাহ- ইস্তিগফার ও দু‘আ কবূলের জন্য এটা এক উত্তম সময়। তাদের প্রশংসায় আল্লাহ বলেন : “তারা শেষ রাতে জেগে উঠে তাওবাহ- ইস্তিগফার করে।” (সূরাহ যারিয়াত-১৮)

5 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (2,683 পয়েন্ট)

জ্বী।সেহেরির সাথে রোজার কোন সম্পর্ক নেই।আল্লাহ তাআলা বলেছেন'তোমরা সেহেরি খাও এতে বরকত রয়েছে' এটি খাওয়া সুন্নত।যদি আপনি খান তবে সুন্নতের অধিকারী হবেন।না খেলে পাবেন নাহ।তাই আপনার রোজা ভাঙ্গবে নাহ

করেছেন (6,183 পয়েন্ট)
আমাদের ও ইয়াহূদী- নাসারাদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য হল সাহরী খাওয়া। (মুসলিম-১০৯৬) অর্থাৎ আমরা সিয়াম পালন করি সাহরী খেয়ে, আর ইয়াহূদী-নাসারারা রোযা রাখে সাহরী না খেয়ে। সাহরী হল একটি বরকতময় খাবার। তাই কখনো সাহরী খাওয়া বাদ দিও না। এক ঢোক পানি পান করে হলেও সাহরী খেয়ে নাও। কেননা সাহরীর খাবার গ্রহণকারীকে আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর ফেরেশতারা স্মরণ করে থাকেন। (আহামদ-১০৭০২)
করেছেন (5,613 পয়েন্ট)
একে বারে সঠিক ব্রো
করেছেন (3,917 পয়েন্ট)
এই হাদিছ দ্বারা সেহরি খাওয়া ওযুব তথা ওয়াজিব বা জরুরি প্রমাণিত  হয় না।
করেছেন (3,808 পয়েন্ট)
যদি কোনো কারনে সেহেরি খেতে অক্ষম হই তাহলে? 
করেছেন (3,917 পয়েন্ট)
রোযা হবে।       
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,064 পয়েন্ট)

আমি সারা জীবন ধরে জেনে আসলাম সাহরী না খেলেও রোজা হয়ে যাবে। রোজার কোনরুপ ক্ষতি হবে না।

বিস্তারিত
করেছেন (6,183 পয়েন্ট)
তাহলে আমাদের এবং ইয়াহূদী- নাসারাদের সিয়ামের মধ্যে পার্থক্য কি? কেন-ই বা সেহরি খেতে আদেশ করলেন, না খেয়ে রোজা রাখতে নিষেধ করলেন।
করেছেন (2,948 পয়েন্ট)
[email protected] সুন্নত খেলাপে ফরয নষ্ট, এর কিছু প্রমাণ দিন।
করেছেন (6,183 পয়েন্ট)
অজানা কে জানার জন্য-ই বিস্ময়ে আসা। তাই আমায় জানিয়ে দিন যে, সেহরি না খেলে-ও রোজা হবে।
করেছেন (2,948 পয়েন্ট)
[email protected] সুন্নতের কারণে ফরয খেলাপ হতেই পারেনা, আমরা এই থিউরি দিয়েই কার্যক্রম করেছি। এটাই যথেষ্ট। তা ছাড়া আমরা তো আর চিরতরের জন্য সেহেরিকে অবিশ্বাস করিনা। যাস্ট দু একদিনের জন্য মিস। এর চাইতে তো বেশি কিছু না।
করেছেন (2,948 পয়েন্ট)
আর সেহেরি না খাওয়া আপনি ইহুদিদের সাথে তুলনা করতেছেন, এটা আমিও মানি। কিন্তু এখানে একটা ব্যপার লক্ষ্যনীয়, তারা আজীবনের জন্য সেহেরি খাবে না, আর আমরা মাত্র দুএক দিন। তাও আবার অনিচ্ছাবিশত।

তাই এক সুত্র যে সব যায় গায় প্রয়োগ হবে তা কিন্তু না।  প্রত্যেক টা জিনিসেরই ব্যখ্যা করার কিছু সিস্টেম আছে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (440 পয়েন্ট)

সেহরি না খেয়ে রোজা হবে কি না? সেহরি ও ইফতার রোজার অন্যতম উপাদান। রোজা রাখার জন্য সেহরি খাওয়া সুন্নাত। সেহরির অর্থ হলো, যা কিছু রাতের শেষভাগে খাওয়া হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে।’ (বুখারি শরিফ: ১৯২৩) সেহেরি না খেলে রোজা হবে কি না এমন প্রশ্নে জবাবে বলতে হয় হ্যাঁ, সেহরী না খেলেও ওই রোজা আদায় হয়ে যায়। কেননা সেহরি খাওয়া সুন্নত, এটি রোজার অংশ নয়। সেহরি না খেলেও রোজা হয়ে যায়। (মুসনাদে আহমদ ২/৩৭৭; ইমদাদুল ফাত্তাহ ৬৯৭) আর রমজান মাসে কোনো কারণে রাতে নিয়ত করতে না পারলে এবং সুবহে সাদিকের পর থেকে রোজা ভঙ্গের কোনো কারণ পাওয়া না গেলে দুপুরের আগ (অর্থাৎ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়ের আগ) পর্যন্ত নিয়ত করার সুযোগ থাকে। তবে রাতে নিয়ত করে নেওয়াই উত্তম। [শরহু মুখতাসারিত তহাবী ২/৪০৪; কিতাবুল আছল ২/২২৬; ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া ১/১৯৬; বাদায়েউস সানায়ে ২/২২৯]
0 টি পছন্দ
করেছেন (13 পয়েন্ট)
সেহেরি না খেলে রোজা হবে কি না এমন প্রশ্নে জবাবে বলতে হয় হ্যাঁ, সেহরী না খেলেও ওই রোজা আদায় হয়ে যায়। কেননা সেহরি খাওয়া সুন্নত, এটি রোজার অংশ নয়। সেহরি না খেলেও রোজা হয়ে যায়। (মুসনাদে আহমদ ২/৩৭৭; ইমদাদুল ফাত্তাহ ৬৯৭) আর রমজান মাসে কোনো কারণে রাতে নিয়ত করতে না পারলে এবং সুবহে সাদিকের পর থেকে রোজা ভঙ্গের কোনো কারণ পাওয়া না গেলে দুপুরের আগ (অর্থাৎ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়ের আগ) পর্যন্ত নিয়ত করার সুযোগ থাকে। তবে রাতে নিয়ত করে নেওয়াই উত্তম।

[শরহু মুখতাসারিত তহাবী ২/৪০৪; কিতাবুল আছল ২/২২৬; ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া ১/১৯৬; বাদায়েউস সানায়ে ২/২২৯]
0 টি পছন্দ
করেছেন (3,917 পয়েন্ট)
রোযার জন্য সেহরি খাওয়া জরুরী বা শর্ত নয় বরং রোযার জন্য জরুরী হচ্ছে, নিয়ত। আর, সেহরি খাওয়ার দ্বারা রোযার নিয়ত হয়ে যায়। 

→এভাবে হাদিছ এবং ফাতওয়ায়ে আলমগির সহ বিভিন্ন ফাতওয়ার কিতাবে বর্ণিত আছে। 

তথ্যসূত্র :- একজন মুফতি সাহেব উত্তর দিয়েছেন

তবে, সেহরি কোনো কারণে খেতে না পারলে, দিনের বেলায় দ্বীপ্রহরের আগে রোযার নিয়ত করলেই, রোযা হবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
19 জুন 2015 "সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মো: মামুনুর রশিদ (5,312 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
18 জুন 2015 "সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মো: মামুনুর রশিদ (5,312 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
03 জুন 2015 "সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন naim boss (9 পয়েন্ট)

293,398 টি প্রশ্ন

379,872 টি উত্তর

114,826 টি মন্তব্য

161,029 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...