বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
135 জন দেখেছেন
"সিয়াম" বিভাগে করেছেন (11 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

5 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (8,274 পয়েন্ট)
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তায়লা বলেন, সিয়াম ব্যতীত বনি আদমের প্রত্যেক আমলই তার জন্য, কারণ তা আমার জন্য, আমিই তার প্রতিদান দেব।

সহিহ হাদিসে কুদসি। হাদিস নম্বরঃ ১০৩ 

তাই আমাদের সাধারণ মানবের পক্ষে এই পুরস্কারে কথা বলা অসম্ভভ। কারন তিনি নিজেই দিতে চেয়েচেন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (3,901 পয়েন্ট)

রোজার পুরস্কার ৫ টি।

যথা....

করেছেন (8,274 পয়েন্ট)
সবচেয়ে বড় পুরস্কার হল রাইয়ান নামক দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
করেছেন (3,901 পয়েন্ট)
এর চেয়ে বেশি আমার জানানেই। 
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,403 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
নিচে দেখুন দুইটি ফযীলত ও পুরষ্কার 

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الصِّيَامُ جُنَّةٌ فَلاَ يَرْفُثْ وَلاَ يَجْهَلْ وَإِنْ امْرُؤٌ قَاتَلَهُ أَوْ شَاتَمَهُ فَلْيَقُلْ إِنِّي صَائِمٌ مَرَّتَيْنِ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَخُلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللهِ تَعَالَى مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ يَتْرُكُ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ وَشَهْوَتَهُ مِنْ أَجْلِي الصِّيَامُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ وَالْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا

আবূ হুরায়রা (রাঃ)

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সিয়াম ঢাল স্বরূপ। সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মূর্খের মত কাজ করবে না। যদি কেউ তার সাথে ঝগড়া করতে চায়, তাকে গালি দেয়, তবে সে যেন দুই বার বলে, আমি সওম পালন করছি। ঐ সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ, অবশ্যই সওম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহ্‌র নিকট মিসকের সুগন্ধির চাইতেও উৎকৃষ্ট, সে আমার জন্য আহার, পান ও কামাচার পরিত্যাগ করে। সিয়াম আমারই জন্য। তাই এর পুরস্কার আমি নিজেই দান করব। আর প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময় দশ গুণ।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৮৯৪

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস


حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ عَنْ سَهْلٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ فِي الْجَنَّةِ بَابًا يُقَالُ لَهُ الرَّيَّانُ يَدْخُلُ مِنْهُ الصَّائِمُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لاَ يَدْخُلُ مِنْهُ أَحَدٌ غَيْرُهُمْ يُقَالُ أَيْنَ الصَّائِمُونَ فَيَقُومُونَ لاَ يَدْخُلُ مِنْهُ أَحَدٌ غَيْرُهُمْ فَإِذَا دَخَلُوا أُغْلِقَ فَلَمْ يَدْخُلْ مِنْهُ أَحَدٌ

সাহল (রাঃ)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জান্নাতের রাইয়্যান নামক একটি দরজা আছে। এ দরজা দিয়ে কিয়ামতের দিন সওম পালনকারীরাই প্রবেশ করবে। তাদের ব্যতীত আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা দেয়া হবে, সওম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা দাঁড়াবে। তারা ব্যতীত আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না। তাদের প্রবেশের পরই দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। যাতে করে এ দরজাটি দিয়ে আর কেউ প্রবেশ না করে।

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৮৯৬
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
Source: ihadis.com
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,316 পয়েন্ট)

মহান আল্লাহ বলেন রোজা আমার জন্য এর প্রতিদান আমি নিজেই দিবো।


আর ৫ টি পুুুরুস্কারের কথা হাদিছ  উল্লেখ আছে।

সাঃ বলেছেন, পবিত্র রমজান উপলক্ষে আমার উম্মতকে ৫টি পুরস্কার দেয়া হয়েছে, যা আগের উম্মতদের দেয়া হয়নি। বস্তুগুলো হলো ১. রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আমার কাছে মৃগনাভীর চাইতে বেশি পছন্দনীয়। ২. সমুদ্রের মৎস্যকুল রোজাদারের জন্য ইফতার পর্যন্ত দোয়া করতে থাকেন। ৩. প্রতিদিন জান্নাতকে সাজানো হয়, এবং আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন বান্দাগণ দুনিয়ার কষ্ট যাতনা দূর করে অচিরেই তোমার নিকট আসছে। ৪. রমজান মাসে দুর্বৃত্তায়ন শয়তানকে শৃংখলাবদ্ধ করা হয়। যার দরুন সে ঐ পাপ করাতে পারে না, যা অন্য মাসে করানো সম্ভব। ৫. রমজানের শেষ রাতে রোজাদারের গোনাহ মাফ করে দেয়া হয়। তখন আবু হুরাইরা রাঃ বলেন এটি কি ক্বদরের রাত্রি? রাসুল সাঃ বললেন, না। যে কাজ করে তার পুরস্কার কাজের শেষেই দেয়া হয়। (সূত্র আহমদ, বায়হাকী) আমরা রমজানের রোজা সঠিকভাবে পালন করে পুরস্কৃত হব।
0 টি পছন্দ
করেছেন (2,728 পয়েন্ট)

হাদিসে কুদ্সীতে ইরশাদ হয়েছে, 'রোজা আমার জন্যে, আমি নিজেই এর পুরস্কার দেবো অথবা এর পুরস্কার আমি নিজেই।' আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের কথা রাসূল পাক (দঃ)-এর মুখে প্রকাশ_ এ ধরনের হাদিসকে হাদিসে কুদ্সী বলা হয়। এ ধরনের হাদিসের গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ্ পাক বলেছেন, রোজা আমার। এ কথার মর্মার্থ ব্যাপক। মোজাহেরে হক ব্যাখ্যা গ্রন্থে এর সাতটি তাৎপর্য বর্ণনা করা হয়েছে। একটি হলো, রোজা আমার অর্থাৎ রোজার এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যা অন্য ইবাদতে নেই। তাই এর সওয়াবের পরিমাণ আল্লাহ্ ব্যতীত কেউ করতে সক্ষম নয়। এ জন্যেই তিনি নিজের ইচ্ছেমতো বেশুমার পুরস্কার নিজ হাতেই দেবেন। ফেরেস্তাদের হাতে এ দায়িত্ব ন্যাস্ত করা হবে না। (মিরকাত)


আর আরেকটি ব্যাখ্যা হচ্ছে, রোজা আমার (আল্লাহ্র) সিফাত। পানাহার ও প্রবৃত্তিমুক্ত জাত একমাত্র আমার। সুতরাং রোজাদার এই গুণে গুণান্বিত হলে তার অন্য কোনো পুরস্কার নয় বরং আমি নিজেই তার পুরস্কার। এখানে মালের চেয়ে মালিকের প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। অন্যান্য ইবাদতে জান্নাত, কাউছার, হুর, গেলমান ইত্যাদি পুরস্কার আর রোজাতে স্বয়ং খোদা পুরস্কার। ইহাই এই হাদিসে কুদ্সীর তাৎপর্য।


সুত্র:ইন্টারনেট

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর
09 মে "সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Farman uddin (23 পয়েন্ট)
1 উত্তর
3 টি উত্তর

323,046 টি প্রশ্ন

413,608 টি উত্তর

128,165 টি মন্তব্য

177,911 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...