বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
79 জন দেখেছেন
"ইবাদত" বিভাগে করেছেন (18 পয়েন্ট)
জায়নামাজে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে কিছুই বাদ দিয়েন না প্লিজ। কিভাবে ইমামের পেছনে দাঁড়িয়ে কোন সময় কি বলতে হয় তা সবকিছু জানতে চাই। প্লিজ হেল্প।
করেছেন (187 পয়েন্ট)

ভাই, সব থেকে ভাল হয় কোন ভাল আলেম এর কাছ থেকে শিখে নেওয়া। তবে কথা হচ্ছে ভাল চেনাটাই কঠিন।

আপনি যে নামাজ পড়ার নিয়তে বের হয়েছেন বা নামাজে দাড়িয়েছেন নিয়ত হিসেবে এটাই যথেষ্ঠ। অতিরিক্ত মুখে নিয়ত বিষয়ক কোন বাক্য পড়ার কোন দরকার নেই। কারণ নবী (সঃ) ও সাহাবী থেকে এমন কোন বাক্য বা দোয়া পাওয়া যায় না যা ওনারা নামাজের শুরুতে পাঠ করতেন। এটা যদি জরুরিই হতো তাহলে রসুল (সঃ) অবশ্যই অন্য দোয়াগুলোর মতো এই বিষয়ক বাক্য শিখিয়ে দিতেন। 
একটা উদাহরণ দেই, ধরুন একজন ব্যক্তি সচারাচার নামাজ পড়ে না। কিন্তু আজ মসজিদে নামাজের পর খানা দেবে এই খবর পেয়ে খানা খাওয়ার জন্য মসজিদের দিকে রওনা হল। আর রওনা হওয়ার সময় মুখে বলল সে নামজ পড়তে যাচ্ছে। তাহলে আপনিই বলুন , সে মুখে যাই বলুক অন্তরে বা মনে মনে সে যা নিয়ত করেছে সেটাই কিন্তু তার আসল উদ্দেশ্য।
 এই হাদিসটি লক্ষ করুন, 

হযরত উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন নিয়তের (বিশুদ্ধতার) উপরই সকল কাজের ফলাফল নির্ভর করে এবং প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য (কাজের ফল ) তাই রয়েছে যা সে নিয়ত করেছে। সুতরাং যে ব্যক্তি হিজরত করে আল্লাহ ও তার রাসূলের সন্তুষ্টির জন্য প্রকৃতপক্ষে তার হিজরত আল্লাহ ও তার রাসূলের জন্যই হয়ে থাকে। আর যে হিজরত করে দুনিয়া লাভ করা অথবা কোন মেয়েকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে তবে তার হিজরত সে দিকেই হবে যে নিয়তে সে হিজরত করেছে। (বুখারী শরীফের ১ম নং হাদিস)

এই হাদীসের প্টভূমি হিসেবে দুটি ঘটনা পাওয়া যায়,

১ম - মহানবী (সাঃ) এর হিজরতের পর এক ব্যক্তি তার সামনে এসে বলতে থাকে - আমি হিজরতকারী। এতে মহানবী (সাঃ) এর সন্দেহ হয় সবাই হিজরত করেছে কিন্তু কেউই একথা বলেনি। পরে জানা যায় উম্মে কায়েস নাম্নী এক মহিলাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে সে হিজরত করে।

২য় - ইসলাম পূর্ব যুগে আরবগণ অনারব ও দাসদের কে হেয় মনে করত এবং তাদের প্রতি কন্যাদানে বিরত ছিল। ইসলামে এটি নিষিদ্ধ হওয়ায় আরবদের সাথে অনারবদের বিয়ে শাদীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে কোন কোন অনারব আরব মহিলা বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হিজরত করে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে মুখে নিয়ত নামক বাক্য পড়ার কোন যৌক্তিকতা নাই , মনের সংকল্পই আসল।

যদি আমার কথাগুলো আপনার ভালো লাগে তাহলে সামনের দিকে আগাবো , না হলে এই পর্যন্তই ইতি টানলাম।

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (10,081 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
(১)নামাযের পূর্বে পরিপূর্ণরূপে অযু করাঃ (২) নামাযের নিয়ত করাঃ নামায শুরুর আগে নির্দিষ্ট নামাযের জন্য নিয়ত করা প্রত্যেক নামাযীর উপর আবশ্যক। নিয়তের স্থান হল অন্তর। মুখে উচ্চারণের মাধ্যমে নিয়ত করার প্রয়োজন নেই। কেউ যদি মুখে নিয়তের শব্দগুলো বলে তাতে সমস্যও নেই। ( যারা বলে মুখে নিয়ত করা বিদআত তারা সবচেয়ে বড় বিদআতী , ফিতনাবাজ ) (৩) কিবলামুখী হয়ে আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়ানোঃ রাসূল ( সাঃ ) যখনই নামাযে দাঁড়াতেন, কিবলার দিকে মুখ করে দাঁড়াতেন। তিনি বলেছেন, যখন তুমি নামাযে দাঁড়াবে , তখন পরিপূর্ণরূপে অযু করবে , অতঃপর কিবলামুখী হয়ে আল্লাহ আকবার বলবে । (৪) নাভির নিচে হাত রাখাঃ রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) নামাযে দাঁড়ানো অবস্থায় ডান হাত বাম হাতের উপর রেখে নাভির নিচে স্থাপন করতেন। ( আবু দাউদ - নাসাঈ ) নাভির নিচে হাত রাখাটাই ছহীহ হাদীছ দ্বারা সাব্যস্ত। এছাড়া অন্য কোথাও রাখার হাদীছ বিশেষ করে বুকের উপর হাত রাখার হাদীস দুর্বল । (৫) ছানা পাঠ করাঃ রাসূলুল্লাহ ( সাঃ ) থেকে ছানা পাঠের বিভিন্ন বাক্য প্রমাণিত আছে। সাধারণ পাঠকদের সুবিধার্থে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত এবং সহজ দু‘ আটি এখানে উল্লেখ করা হল। ( ﺳُﺒْﺤَﺎﻧَﻚَ ﺍَﻟَﻠﻬُﻢَّ ﻭَﺑِﺤَﻤْﺪِﻙَ ﻭَﺗَﺒَﺎﺭَﻙ ﺍَﺳْﻤُﻚَ ﻭَﺗَﻌَﺎﻟَﻰ ﺟَﺪُّﻙَ ﻭَﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﻏَﻴْﺮُﻙَ ) উচ্চারণঃ “ সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়াতাবারাকাস্ ‌ মুকা ওয়া তা ‘ লা যাদ্দুকা ওয়া লাইলাহা গাইরুকা ” অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার প্রশংসা জড়িত পবিত্রতা জ্ঞাপন করছি, তোমার নাম বরকতময় , তোমার মহানত্ব সমুন্নত। আর তুমি ছাড়া প্রকৃত কোন মাবুদ নাই”। (৬) সিজদার স্থানে দৃষ্টি রাখাঃ নবী ( সাঃ ) নামায অবস্থায় মাথা সোজা রেখে যমীনের দিকে দৃষ্টি রাখতেন। তাঁর দৃষ্টি সিজদার স্থান অতিক্রম করতো না। (৭) কিরাত পাঠ করাঃ কিরা ‘ ত পাঠ করার পূর্বে রাসূল ( সাঃ ) নীরবে( ﺃﻋُﻮْﺫُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥِ ﺍﻟﺮَّﺟِﻴْﻢِ ) উচ্চারণঃ “আউজু বিল্লাহি মিনাশ্ ‌ শায়ত্বানির রাযীম ” এবং ( ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴْﻢِ ) উচ্চারণঃ “ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম ” পাঠ করতেন। অতঃপর সূরা ফাতিহা পাঠ করতেন। সূরা ফাতিহা পাঠ করা নামাযের রুকন। সূরা ফাতিহা ছাড়া নামায হবেনা। শিক্ষামূলক সকল তথ্য পেতে দেখে আসুন: এডুকেশন ইসফরমেশন (৮) মুক্তাদীর জন্য সূরা ফাতিহা পাঠ জরুরী নয় : ইমামের পিছনে মুক্তাদীগণ সূরা ফাতিহা পাঠ করবে না। কারণ , কুরআনের বানী “কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করা হলে তোমরা চুপ থাক। রাসূল ( সাঃ ) এর বাণী “ ইমামের কিরআতই মুক্তাদির কেরাত। ” ( মুসলিম ) সুতরাং মুক্তাদীগণ সূরা ফাতেহা পাঠ করবে না। এখানে একটা কথা বলা প্রয়োজন। হাদীসের কোথাও একথা নেই যে , মুক্তাদীদের সূরা ফাতেহা পড়তে হবে। হাদীসে আছে সুরা ফাতেহা ছাড়া নামায হয় না। এটি একাকি নামায আদাকারী ও ইমামের জন্য খাস । ৯) সূরা ফাতিহা শেষে মুক্তাদীগণ সবাই নিঃশব্দে আমীন বলবেঃ রাসূল ( রাঃ) যখন সূরা ফাতিহা পাঠ শেষ করতেন , তখন অনুচ্চ স্বরে আমীন বলতেন। ( তিরমিযী , আহমদ , হাকেম ) ১০) নামাযের প্রথম দু ’ রাকাতে সূরায়ে ফাতেহার পর অন্য সূরা মিলানো। ( একাকী নামায আদায়কারী ও ইমাম ) ১১) রুকূ করা প্রসঙ্গঃ কিরা ‘ আত পাঠ শেষে রাসূল ( সাঃ ) আল্লাহ আকবার ( ﺍَﻟﻠَّﻪُ ﺍَﻛْﺒَﺮُ ) বলে রুকূতে যেতন। ( বুখারী ) রুকুতে স্বীয় হাঁটুদ্বয়ের উপর হস-দ্বয় রাখতেন এবং তিনি এজন্য নির্দেশ দিতেন। ( বুখারী ) তিনি কনুই দু ‘ টোকে পাঁজর দেশ থেকে দূরে রাখতেন। তিনি রুকু অবস্থায় পিঠকে সমান করে প্রসারিত করতেন। এমন সমান করতেন যে , তাতে পানি ঢেলে দিলেও তা যেন সি’ র থাকে। ( বুখারী , তিরমিজী , তাবরানী ) তিনি নামাযে ত্রুটিকারীকে বলেছিলেন, অতঃপর যখন রুকূ করবে, তখন স্বীয় হস্তদ্বয় হাটুদ্বয়ের উপর রাখবে এবং পিঠকে প্রসারিত করে স্থিরভাবে রুকূ করবে। ( আহমাদ) তিনি পিঠ অপেক্ষা মাথা উঁচু বা নীচু রাখতেন না। বরং তা মাঝামাঝি থাকত। ( বুখারী , আবু দাউদ ) রুকুর দু‘ আঃ রুকুতে রাসূল ( সাঃ ) এই দূ ‘ আ পাঠ করতেন ﺳُﺒْﺤَﺎﻥَ ﺭَﺑِّﻲَ ﺍﻟْﻌَﻈِﻴْﻢِ )) উচ্চারণঃ ‘ সুবহানা রাব্বীয়াল আযীম ’। অর্থঃ আমি মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। এই দূ‘ আটি তিনি তিনবার বলতেন। কখনও তিনবারের বেশীও পাঠ করতেন। ( আহমাদ) ১২) রুকূ থেকে সোজা হয়ে দাঁড়ানোঃ অতঃপর রাসূল ( সাঃ ) রুকূ হতে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন। তিনি এই দূ ‘ আ বলতে বলতে রুকূ হতে মাথা উঠাতেন, ( ﺳَﻤِﻊَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻟِﻤَﻦْ ﺣَﻤِﺪَﻩُ ) উচ্চারণঃ সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ। অর্থঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করে , আল্লাহ তার কথা শ্রবন করেন। ( বুখারী - মুসলিম ) তিনি যখন রুকূ হতে মাথা উঠাতেন , তখন এমনভাবে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন যে , মেরুদন্ডের হাড়গুলো স্ব -স্ব স্থানে ফিরে যেত। অতঃপর তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় বলতেন , ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻟَﻚَ ﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ )) উচ্চারণঃ রাব্বানা লাকাল হাম্‌ দ। হে আমার প্রতিপালক ! সকল প্রশংসা তোমার জন্য । ১৩) নামাযে রফউল ইয়াদাইন না করাঃ রাফউল ইয়াদাইন অর্থ উভয় হাত উঠানো। নবী ( সা.) এর নামাযে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্য কোথাও রফউল ইয়াদাইন নেই। ( মর্মার্থ) ( তিরমিযী , নাসায়ী ) ১৪) সাজদাহ প্রসঙ্গঃ অতঃপর রাসূল ( সাঃ ) আল্লাহ আকবার বলে সাজদায় যেতেন। তিনি বলেছেন , কারও নামায ততক্ষন পর্যন্ত পূর্ণ হবেনা, যতক্ষন না সে সামিআল্লাহ হুলিমান হামিদাহ বলে সোজা হয়ে দাঁড়াবে অথঃপর আল্লাহ আকবার বলবে , অতঃপর এমনভাবে সাজদাহ করবে যে , তার শরীরের জোড়াগুলো সুসি’ রভাবে অবস্থান নেয়। সাজদাহ অবস্থায় পার্শ্বদ্বয় থেকে হস’ দ্বয় দূরে রাখতেন। ( বুখারী, আবু দাউদ ) নবী ( সাঃ ) রুকূ -সাজদাহ পূর্ণাঙ্গরূপে ধীরসি’ রভাবে আদায় করার নির্দেশ দিতেন । সাজদার দূ‘ আঃ সাজদাহ অবস্থায় তিনি এই দূ‘ আ পাঠ করতেন , ( ﺳُﺒْﺤَﺎﻥَ ﺭَﺑِّﻲَ ﺍﻻَﻋْﻠَﻰ ) উচ্চারণঃ “সুবহানা রাব্বীয়াল আ‘ লা ”। অর্থঃ ‘ আমি আমার সুউচ্চ প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করছি’। তিনি এই দূ ‘ আটি তিনবার পাঠ করতেন। অতঃপর নবী ( সাঃ ) আল্লাহ আকবার বলে সাজদাহ থেকে মাথা উঠাতেন। তিনি বলেছেন, কোন ব্যক্তির নামায ততক্ষন পর্যন্ত পূর্ণ হবেনা, যতক্ষন না এমনভাবে সাজদাহ করবে যে , তার দেহের প্রত্যেকটি জোড়া সুস্থিরভাবে অবস্থান নেয় । দুই সাজদার মাঝখানে বসাঃ প্রথম সাজদাহ ও সাজদার তাসবীহ পাঠ করার পর ‘ আল্লাহ আকবার ’ বলে স্বীয় মস্তক উত্তলন করতেন। দুই সাজদার মাঝখানে ধীরস্থিরতা অবলম্বন করা ওয়াজিব। নবী ( সাঃ ) দুই সাজদার মধ্যবতী অবস্থায় এমনভাবে স্থিরতা অবলম্ভন করতেন , যার ফলে প্রত্যেক হাড় স্ব স্ব স্থানে ফিরে যেত। ( আবু দাউদ ) দুই সাজদার মাঝখানে দূ ‘ আঃ দুই সাজদার মধ্যখানে নবী ( সাঃ ) এই দূ ‘ আ পাঠ করতেন , ( ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﻏْﻔِﺮْﻟِﻰْ ﻭَ ﺍﺭْﺣَﻤْﻨِﻰ ﻭَ ﺍﻫْﺪِﻧِﻰْ ﻭَ ﻋَﺎﻓِﻨِﻰْ ﻭﺍﺭْﺯُﻗْﻨِﻰْ ) উচ্চারণঃ ‘ আল্লাহুম্মাগফিরলী, ওয়ার হামনী , ওয়াহ্ ‌ দিনী, ওয়া আফিনী ওয়ারযুকনী ’ অর্থঃ “ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা কর , দয়া কর , হিদায়াত দান কর , মর্যাদা বৃদ্ধি কর এবং জীবিকা দান কর”। এই দূ ‘ আ পাঠ করে নবী ( সাঃ ) আল্লাহ আকবার বলে দ্বিতীয় সাজদায় যেতেন এবং প্রথম সাজদার মতই দ্বিতীয় সাজদায় তাসবীহ পাঠ করতেন। অতঃপর আল্লাহ আকবার বলে সাজদাহ থেকে মাথা উঠাতেন ( বুখারী) এবং দ্বিতীয় রাকা ‘ আতের জন্য সোজা দাড়িয়ে যেতেন। ( আবু দাউদ ) ১৫) প্রথম তাশা্‌ হহুদঃ নবী ( সাঃ ) চার রাকা ‘ আত বা তিন রাকা ‘ আত বিশিষ্ট নামাযের প্রথম দুই রাকা ‘ আত শেষে তাশাহ্ ‌ হুদ পাঠের জন্য ডান পা সোজ করে বাম পায়ের উপর বসতেন। ( বুখারী) আরেক হাদীসে আছে নামাযের সুন্নাত হলো ডান পা সোজ করে বাম পায়ের উপর বসা।( বুখারী ) তাশাহহুদের উচ্চারণঃ আত্‌ তাহিয়াতু লিল্লাহি ওয়াস্ ‌ ছালাওয়াতু ওয়াত্বায়্যিবাতু আস্ ‌ সালামু আলাইকা আইয়্যুহান্ ‌ নাবিউ ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু আস্‌ সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস্‌ সালিহীন আশহাদু আল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু। এভাবে তাশাহ্‌ হুদ পাঠ করার পর আল্লাহ আকবার বলে চার বা তিন রাকা ‘ আত বিশিষ্ট নামাযের বাকী নামাযের জন্য দাঁড়াবে। বাকী নামায পূর্বের নিয়মে সমাপ্ত করবে। ১৬) শেষ বৈঠক ও সালাম ফেরানোঃ তাশাহ্‌ হুদ পাঠের জন্য শেষ বৈঠকে বসা ওয়াজিব। বসার নিয়ম হলো ডান পা খাড়া রেখে বাম পায়ের উপর বসা। এভাবে বসে প্রথমে আত্যাহিয়াতু পাঠ শেষে রাসূল ( সাঃ ) এর উপর ( দরূদ) সালাত পাঠ করতে হবে। দরূদের উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদু ম্মাযীদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদু ম্মাযীদ। দরূদ পাঠ শেষে এই দূ ‘ আ পাঠ করতে হবে, উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসী জুলমান কাছীরাও ওয়ালা ইয়াগফিরুজ্‌ জুনুবা ইল্লা আনতা ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ইন্দিকা ওয়ারহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর্‌ রাহীম। ( বুখারী ) অতঃপর প্রথমে ডান দিকে পরে বাম দিকে সালাম ফিরিয়ে নামায সমাধা করবে। হে আল্লাহ ! আমাদের সবাইকে বিশুদ্ধভাবে নামায আদায়ের তাউফিক দিন।
করেছেন (10,081 পয়েন্ট)
লেখাটি কপি করে দিয়েছি। তাই সবার কাছে অনুতপ্ত।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
12 মার্চ "সালাত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mehedi Hasan(Abir)** (777 পয়েন্ট)
1 উত্তর

341,060 টি প্রশ্ন

434,237 টি উত্তর

135,672 টি মন্তব্য

184,077 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...