বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
337 জন দেখেছেন
"ঈমান" বিভাগে করেছেন (33 পয়েন্ট)

4 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (11 পয়েন্ট)
পশ্চিম বা উত্তর দিকে পা দিয়ে ঘুমানো নিষেধ—এমনটি হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। এটি হারাম অথবা মাকরুহ অথবা অপছন্দনীয়—এমন কোনো বক্তব্য রাসূল (সা.)-এর হাদিসের মাধ্যমে অথবা ফিকর ওলামায়ে কেরামদের বক্তব্যের মাধ্যমে সাব্যস্ত হয়নি। সুতরাং যদি কেউ বলেন যে এটি গুনাহের কাজ, তাহলে ভুল কথা বলেছেন। পূর্ব-পশ্চিম সবটাই আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সৃষ্টি এবং আল্লাহর বান্দা যেকোনো দিকেই পা দিয়ে ঘুমাতে পারেন। এটি জায়েজ রয়েছে।
আমাদের যেহেতু কেবলামুখী হয়ে সালাত আদায়ের কথা বলা হয়েছে; আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআনে কারিমের মধ্যে বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের চেহারাগুলোকে মসজিদুল হারামের দিকে ফিরিয়ে নাও।’ এই যে কেবলামুখী হতে আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এটি কেবলার সম্মান করার জন্য। কোনোভাবেই ইমানদার ব্যক্তিদের জন্য জায়েজ নেই, কোনো আচরণের মাধ্যমে কেবলার অসম্মান ঘটাবে। যে কাজগুলো কেবলার অসম্মান ঘটায়, সে কাজগুলো করা হারাম, জায়েজ নেই। যেমন : কেবলার দিকে থুতু ফেলা, এটি রাসূল (সা.) নিষেধ করেছেন। এর মাধ্যমে অসম্মান হয়ে থাকে। কিন্তু পা দেওয়াটা অসম্মানের বিষয় নয়। কারণ, শুতে হলে কোনো দিকে তো পা দিতে হবে। প্রয়োজনে যেকোনো দিকে পা দেওয়া যাবে। কেবলার অসম্মানের সঙ্গে এটি জড়িত নয়। তাই কেউ যদি মনে করে থাকেন এটি কেবলার অসম্মান, তিনি আসলে এটি ভুল বুঝেছেন। এটি শুদ্ধ নয়, তাঁকে সংশোধন করতে হবে।
উল্ল্যেখ্য যে হযরত বেলল (রাঃ) কাবা ঘরের উপরে দাড়িয়ে অাযান দিয়েছিলেন,,, এবং এখনো কাবা ঘরের উপরে উঠে কাবা ঘরের কাপর পরিবর্তন করে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,097 পয়েন্ট)

না এতে কোন গুনাহ হবে না।

তবে কেবলাকে অবমাননা করলে গুনাহ হবে।

পশ্চিম দিকে পা দিলে গুনাহ হবেকিনা????

0 টি পছন্দ
করেছেন (2,308 পয়েন্ট)
পশ্চিম দিকে পা দিয়ে ঘুমানো এমনটি হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি।


ইসলামী আইনের মূলনীতি হলো, 'সাধারনভাবে সবকিছু জায়েয,যতক্ষণ না সেটি হারাম হওয়ার পক্ষে দলিল পাওয়া যায়।'


কিবলার দিকে পা দিয়ে ঘুমাতে বা বসতে কোনো দোষ নেই। তবে কিবলা ও কাবা অত্যন্ত মর্যাদাবান দুটি বিষয়। এগুলো ইসলামের নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত। এগুলোকে কোনোভাবে অসম্মান করা,অবজ্ঞা করা বা এগুলোর প্রতি কোনো অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করা মহা অন্যায়।


তাই কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চিম দিকে পা দিয়ে বসে তাহলে তা মহা অন্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে তা হবে কী হবে না তা নির্ভর করে যে পা রাখছে তার ইনটেনশন বা নিয়্যাতের উপর।
করেছেন (33 পয়েন্ট)
ধন্যবাদ,,,, ,,,,,,,
করেছেন (2,308 পয়েন্ট)
আপনাকেও ধন্যবাদ......
0 টি পছন্দ
করেছেন (4,812 পয়েন্ট)
পশ্চিম দিক নিয়ে কথা নয়; কথা হলো কেবলার দিক নিয়ে। কারণ কেবলা শুধু পশ্চিম দিকই নয়; কেবলা সব দিকেই হতে পারে। যদিও আমাদের নিকট কেবলা পশ্চিম দিকে। কেবলার দিকে পা দিলে গুনা হবে না। তবে এটা অপছন্দনীয় বা মাকরুহ কি না এটা নিয়ে ফকীহদের মাঝে মতভিন্নতা রয়েছে। ইমাম আবু হানীফা ও ইমাম আহমদ রাহ. এর অভিতম অনুসারে কেবলার দিকে পা দিয়ে বসা বা শোয়া মাকরুহ। অন্য অনেকে বলেছেন এতে সমস্যা নেই। সুতরাং সতর্কতার দাবি হলো, কেবলার দিকে পা না দেয়া।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
09 নভেম্বর 2016 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন 420... (3 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
01 জানুয়ারি "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মো শিপন মিয়া (221 পয়েন্ট)

293,492 টি প্রশ্ন

379,973 টি উত্তর

114,846 টি মন্তব্য

161,092 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...