বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
260 জন দেখেছেন
"প্রেম-ভালোবাসা" বিভাগে করেছেন (49 পয়েন্ট)
আমি একটি মেয়েকে পাচঁ বছর ধ রে ভালোবাসি।মেয়েটি আমাকে ভালোবাসেনা। তাই তাকে ভুলে যেতে চাই। মেয়েটিকে আমি কিভাবে ভুলবো? অনেক চেষ্ঠা করেছি আমি ভুলতে পারছিনা। মেয়েটি আমার খালাতো বোন।

5 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (9,565 পয়েন্ট)

যে ভালোবাসে না তার জন্য সময় নষ্ট করা বোকামি

করা ছাড়া আর কিছু না

আপনি নামায পড়া শুরু করুন

নামায পড়া শুরু করলে আপনি

অনেক কিছু জানতে পারবেন

তখন আপনি শুধু আল্লাহতালা কে

ভালোবাসবেন।

তখন আপনার মনে শুধু আল্লাহতালা থাকবে

তখন কাউকে মনে হবে না।

খুব একা লাগলে জিকির করবেন

এক মাত্র আল্লাহতালার জিকির ই পারে অশান্ত

মন কে প্রশান্তি দিতে।


0 টি পছন্দ
করেছেন (3,730 পয়েন্ট)
আপনি একটু চেষ্টা করলেই তাকে ভুলতে পারবেন। তবে প্রথমে একটা কথা বলি। কাউকে ভুলে থাকার সহজ উপায় হলো তার স্মৃতিগুলোকে ভুলে থাকা। এজন্য আপনি কখনো একাকী থাকবেন না। একাকী থাকলে তার কথা মনে পড়তে পারে। কখনো প্রেম ভালোবাসার ছবি দেখবেন না। এতে তার কথা মনে পড়বে। সবসময় নিজেকে কোনো কাজের মাঝে ব্যস্ত রাখুন। বন্ধূদের সাথে আড্ডা দিন। আর ভুল করে তার সামনে কখনো যাবেন না। সর্বপরি আল্লাহর জিকিরে মগ্ন থাকুন। আশা করি সমাধান পাবেন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (610 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন


ভালবাসার মানুষটাকে ভোলার উপায়-



বন্ধুবান্ধবের সাথে যতোটা সম্ভব বেশি সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। তবে খেয়াল রাখবেন যে বন্ধুটি আপনাকে খোঁচামূলক কথা শোনাবে এবং অযথা কথা বলবে তার থকে দূরে থাকবেন এই সময়।


যে আপনার আসল বন্ধু হবে তিনি আপনাকে সময় দেবেন এবং আপনার সাথে সেধরনেরই ব্যবহার করবেন যাতে আপনি আপনার প্রাক্তন প্রেমিক/প্রেমিকা সম্পর্কে কিছু মাথায় না আনেন। এভাবে আপনি সহজেই ভুলে যেতে পারেবন তাকে।



আপনার যা করতে ভালো লাগে সে কাজে মনোনিবেশ করুন। নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। আপনি যতো ব্যস্ত থাকবেন অতীত আপনার মন থেকে ততো দ্রুত মুছে যাবে। যখনই তার কথা মনে পড়বে তখনই আপনি যদি আপনার মনোযোগ সরিয়ে নিতে পারেন তা আপনার জন্যই ভালো হবে।




অনেকে আছেন মনে করেন সম্পর্ক ভাঙার পরও যোগাযোগ রাখতে পারলে কিংবা যোগাযোগ থাকলে হয়তো ভবিষ্যতে সম্পর্ক পুনরায় ঠিক হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আপনি কেন এই হয়তোর আশায় বসে থাকবেন। আপনার প্রাক্তন প্রেমিক/প্রেমিকা হয়তো নতুন কারো সাথে জড়িয়ে পরবেন এবং এর পরও আপনি আশায় বসে থাকবেন তা তো সম্ভব নয়।


যতদিন আপনাদের মধ্যে যোগাযোগ থাকবে ততোদিন আপনি তাকে ভুলতে পারবেন এবং নিজের কষ্ট বাড়িয়েই যাবেন। এর থেকে যোগাযোগ একেবারে বন্ধ করে দিন। মনে রাখবেন ‘চোখের আড়াল হলে, মনে আড়াল হয়’




ঘুমের বিকল্প আর কিছুই হতে পারে না। একজন সুখী মানুষই পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমোতে পারেন। আপনি যখন প্রেমিক/প্রেমিকা ছাড়া ঝামেলামুক্ত জীবন যাপন করবেন তখনই আপনি ভালোভাবে ঘুমোতে পারবেন। আর ঘুমই আপনাকে এনে দিতে পারে অনাবিল সুখ যেটি একজন প্রেমিক/প্রেমিকা কখনোই এনে দিতে 



অনেক সুখী মানুষই আছেন যারা খেতে অনেক বেশি ভালোবাসেন। এছাড়া খাওয়া দাওয়া করলে মনও অনেক বেশি ভালো থাকে। এ কারণে আপনি যখন যা ইচ্ছা খেতে পারবেন তখন আপনার একেবারেই মনে হবে না যে আপনার জীবনে একজন প্রেমিক/প্রেমিকা থাকা খুব জরুরি।




আপনি যখন জীবনের প্রয়োজনেই বাহিরে বাহিরে কাজ করবেন তখন আপনি অনেক বেশি ব্যস্ত থাকবেন। এর ফলে আপনার মনে এই চিন্তা কখনোই বাসা বাঁধার সুযোগই পাবে না যে আপনার একটা প্রেমিক/প্রেমিকা থাকা দরকার। এতে করে জীবন যুদ্ধে আপনি আরও অনেক বেশি এগিয়ে যাবেন এবং জীবনে একজন সফল  মানুষ হতে পারবেন।





একজন প্রেমিক/প্রেমিকা কখনোই আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কেননা একটা সম্পর্কে অনেক ধরনের ঝামেলা হতে পারে যার কারণে আপনার স্বাস্থ্য ভেঙ্গে যেতে পারে। এ কারণে  নিজের স্বাস্থবিধি মেনে চলুন দেখবেন মনেই হবে না যে আপনার জীবনে প্রেমিক/প্রেমিকা থাকা জরুরি।




বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণাতে দেখা গেছে যে আপনি যদি গলা ছেড়ে উচ্চস্বরে গান গেয়ে থাকেন তাহলে আপনি মানসিকভাবে অনেক প্রশান্তি পাবেন। আপনি অনেক প্রফুল্ল থাকবেন। এ কারণে যতটা সম্ভব উচ্চস্বরে গান গেয়ে উঠুন দেখবেন আপনার কখনোই একা লাগবে না।




নাচলে শরীর ও মন দুই অনেক ভালো থাকে। প্রতিদিন পছন্দমত গান চালিয়ে মনের আনন্দে নাচুন দেখবেন আপনি অনেকটা প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছেন। ফলে আপনার প্রেমিক/প্রেমিকাের প্রয়োজনীয় তা ফুরিয়ে যাবে।




ফ্যান্টাসি বিষয়টিই মানুষকে হাসিয়ে তোলে এবং মানসিকভাবে সবসময় সতেজ রাখে। এ কারণে ফ্যান্টাসি বিভিন্ন ধরনের কবিতা, গল্প, উপন্যাস জাতীয় সাহিত্য পড়–ন। দেখবেন আপনি বেশ প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছেন। এর ফলে আপনার জীবন থেকে প্রেমিক/প্রেমিকাের প্রয়োজনীয়তাও ফুরিয়ে যাবে।



প্রেমিক/প্রেমিকাের প্রয়োজনীয়তা নি:শেষের জন্য আপনি আপনার সময়গুলোকে মজা করে কাটিয়ে দিন। এক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন ধরনের মজা করতে পারেন। বন্ধুদের সাথে মজা করতে পারেন। মজার কোনো মুভি দেখতে পারেন।


আপনি যদি আপনার কাজের ফাঁকে ফাঁকে অনেক বেশি ভ্রমণ করেন আপনার সময়গুলো ভিন্নতার সাথে পার হবে। ফলে আপনার জীবনে বিষণœতা একেবারেই আসবে না। এতে করে আপনার কখনোই মনে হবে না যে আপনার একজন প্রেমিক/প্রেমিকা থাকা প্রয়োজন ছিল।




প্রেমিক/প্রেমিকাের প্রয়োজনীয়তা তখনই ফুরিয়ে যাবে যখন আপনি আপনার মেধাকে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন বিষয় আবিষ্কার করতে পারবেন। নতুন বিষয়ে মনোযোগ দিলে আপনার সময় খুব ভালোভাবে পার হয়ে যাবে।





আপনি যদি পুতুলকে পাশে নিয়ে ঘুমান তাহলে আপনার একা মনে হবে না। এর ফলেও আপনি প্রেমিক/প্রেমিকাের প্রয়োজনীয়তা বোধ করবেন না একেবারেই।



নারীরা এমনিতেই অনেক বেশি শপিং করতে ভালোবাসেন। এ কারণে আপনিও বেশি বেশি করে শপিং করুন। এতে করে আপনার মন কখনই খারাপ থাকবে না। ফলে আপনি প্রেমিক/প্রেমিকাের প্রযোজনীয়তা বোধ করা থেকে বিরত থাকবেন।



পরিবার এমন একটি জায়গা যেখানে আপনার কখনোই মন খারাপ হবে না। এ কারণে আপনি যতটা বেশি পরিবারের সাথে সময় ব্যয় করবেন ততটা বেশি আপনি অনুভব করতে পারবেন যে জী বনে প্রেমিক/প্রেমিকাের প্রয়োজনীয়তা একেবারেই নেই।


আপনি যখন আপনার ক্যারিয়ার তৈরিতে বেশি মনোযোগ দেবেন তখন স্বাভাবিকভাবেই আপনার সমস্ত সময় পার হবে এর পেছনেই। ফলে আপনার মনে এই চিন্তা আস ার সময়ই হবে না যে প্রেমিক/প্রেমিকা জাতীয় কিছু একটা আপনার জীবনে থাকা প্রয়োজন



সকলেই বিশ্বাস করেন যে একটা সম্পর্কে জড়ালে তার সমস্ত স্বাধীনতা নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে আপনি এখন থেকেই আপনার স্বাধীনতাকে উপভোগ করুন তাহলে বিন্দু পরিমাণ সময়ও আপনার মনে হবে না যে আপনার একজন প্রেমিক/প্রেমিকা থাকা দরকার। বরং আপনার জীবন থেকে প্রেমিক/প্রেমিকাের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যাবে।



মানসিক চাপ মানুষের ভেতরে হতাশা, অস্থিরা, উদ্বিগ্নতা তৈরি করে। ফলে মানুষ একটা খুঁটির আশ্রয় চায়। অনেকটা ভেসে যাওয়া মানুষের একটা খড়কুটো আঁকড়ে ধরবার মতন। আর এটাকেই মনোবিজ্ঞানীরা বলে- কনট্যাক্ট কমফোর্ট । এসময় সম্পর্কের বাজে দিকগুলো মাথায় না এসে প্রাধান্য পায় ভালো সময়গুলো। ফিরে যেতে ইচ্ছে করে আগের সময়টাতে।


পেতে ইচ্ছে করে আগের যত্ন কিংবা ভালোবাসাটা। আর এই সমস্যা থেকে দূরে যেতে চেষ্টা করুন মানুষের সাথে মিশতে। বন্ধুদের আড্ডায় যেতে। বান্ধবীর সাথে ঘুরে বেড়াতে। নিজেকে বোঝাতে চেষ্টা করুন যে আপনার যত্ন নেওয়ার আরো অনেকে আছে




সাইকোলজিকাল সায়ন্স জার্নালে অনুসারে আমাদের জীবন থেকে ভালোবাসার মানুষগুলোর প্রত্যাখ্যান আমাদের হৃদপিন্ডের গতিকে কমিয়ে দেয়। সায়েন্টিফিক অ্যামেরিকান মতে এই কষ্টটা কেবল আমাদের মনের নয়। শরীরেরও। কেবল খুব ভালোবাসার মানুষই নয়, অচেনা কারো কাছ থেকে পাওয়া বাজে ব্যবহারও আমাদের মস্তিষ্কের কিছু স্থানে আঘাত করে আর শরীরের বিভিন্ন স্থানে তৈরি করে ব্যথা। তাই খুব বেশি তাড়াহুড়ো না করে নিজেকে সময় দিন। শরীর আর মনকে সুস্থ হতে দিন। বাকি সব এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।



অনেকেই সম্পর্কচ্ছেদ মন থেকে মেনে নিতে পারেন না। যার ফলে মানসিকভাবে আরও বেশি ভেঙে পরেন। কিন্তু যা হয়ে গিয়েছে তা মেনে নেয়াই ভালো। কারণ এতে করে নতুন কিছুর প্রতি নজর দেয়ার আশা জন্মে মনে।



যিনি চলে গিয়েছেন তাকে সত্যিকার অর্থেই যেতে দিন। নিজের মনে তার স্মৃতি রেখে এবং জীবনে তার রেখে যাওয়া স্মৃতি মনে করে কষ্ট পাওয়া কোনো অর্থ নেই। তাকে যেতে দিলে আপনি নিজেকে সামলে নিতে পারবেন।


0 টি পছন্দ
করেছেন (963 পয়েন্ট)
নিজের থেকে একটা কথা বলিঃ আপনার মত আমারও কাহিনী। আমি আপনাকে এত টুকু বলতে পারি যে, আপনি নিজেকে ব্যাস্ত রাখুন। বন্ধুদেরকে সময় দিন, পড়ার সময় পড়ুন বা কাজ করার সময় কাজ করুন; মনযোগ রাখার দীর্ঘ চেষ্টা করুন পড়া বা কাজের সময়। কারো সাথে প্রেম, ভালোবাসার গল্প করবেন না বা শুনবেন না।আপনার সাথে তার বা অন্য কারো প্রেমের গল্প করলে সে কথাটা কাটিয়ে দিয়ে অন্য বিষয় নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করুন। সবসময় একা থাকবেন না। সব সময় ফ্রি মাইন্ড থাকার চেষ্টা করুন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,138 পয়েন্ট)

আমি জানি না ভাই আপনার খালাতো বোন কতটা সুন্দর চেহারার অধিকারী। সে যতই সুন্দর চেহারার অধিকারী হোন না কেন। সে কিন্তু আপনার যোগ‍্য কখনো ছিল না ভবিষ্যতে থাকবেও না। আপনি ক্ষমতাকে হারিয়ে ফেলতেছেন তার দিকে মন দিয়ে। আপনি এমন কাজ করুন এবং প্রমাণ করুন আপনি নয় সেই আপনার যোগ‍্য নয়। আপনি নিজের কাজে মন দেন। কখনো নিজেকে ছোট মনে করবেন না। কখনো দুর্বল হবেন না।তার সামনে বুক ফুলিয়ে হাটুন। আপনি নিজেকে বোঝান যে আমি কখনো প্রেম ভালোবাসা পছন্দ করিনি কখনো পছন্দ করবোও না। নিজেকে বোঝাতে চেষ্টা করুন যে আপনি একজন ব‍্যস্ত মানুষ আপনার এসব ভাবার সময় নেই। আপনি কখনো নিজের চেয়ে তাকে বড় করে দেখবেন না। তানাহলে আপনার মন দুর্বল হয়ে পড়বে। এককথায় সে আপনার কাছে কিছুই না।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর

321,770 টি প্রশ্ন

412,052 টি উত্তর

127,600 টি মন্তব্য

177,319 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...