বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
543 জন দেখেছেন
"যৌন" বিভাগে করেছেন (1 পয়েন্ট )

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (185 পয়েন্ট)
প্রথমে বলে রাখি, ইসলামে কনডম ব্যবহার প্রচলন ছিলনা কিন্তু আজল পদ্ধতি যায়েজ ছিল, তাই আজল পদ্ধতি যেহেতু তাই একই হিসেবে কনডম ব্যবহারের অনুমতি মিলে বলেই উল্লেখ আছে মোকসুদুল মোমিনিনে আমি নিজেও পড়েছি। আরব দেশে ইসলাম পূর্ববর্তী যুগে জন্মনিয়ন্ত্রণের একটি পদ্ধতির প্রচলন ছিল যেটা ইসলামের আবির্ভাবের পরে হযরত ( সাঃ) এর জীবদ্দশায়ও বলবৎ ছিল উনার সম্মতিতে। পদ্ধতিটি (coitus interruptus ) হচ্ছে সঙ্গমকালীন সময়ে বীর্যপাতের পূর্বে লিঙ্গের ( ejection) বাহির করণ যেন বীর্য বাহিরে পতিত হয়। এই পদ্ধতিকে আরবিতে আজল (AZL) বলা হয়। আমি আলোচনার সুবিধার্থে এই পদ্ধতিকে আজল বলছি। আজলের ক্ষেত্রে মুহাম্মদের নির্দেশনা ছিল যেন আজল করা হয় স্বামী / স্ত্রী উভয়ের সম্মতিতে। এটার পশ্চাতে ছিল দুটি কারণ প্রথমত এটা যেন স্ত্রীর মিলনের ক্ষেত্রে পূর্ণ আনন্দ লাভের ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে দ্বিতীয়ত সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে নারীর মতামতকে প্রতিষ্ঠিত করা। এই যুক্তিতে ইসলাম পারস্পরিক মতামতের ভিত্তিতে সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনাকে স্বীকৃতি প্রদান করছে। আজল সম্পর্কে অনেক হাদিস বর্ণিত আছে বখারি শরিফে। “যতক্ষণ পর্যন্ত ভ্রূণ নিষিক্ত না হয় ততোক্ষণ পর্যন্ত তাকে প্রান বলা যাবে না।“ সুতরাং জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সমূহকে প্রান হত্যার সাথে তুলনা করা বোকামি। বিঃদঃ স্ত্রীর অনুমতি ব্যাতীত কনডম ব্যবহার নিষেধ, এতে তার বাড়তি সুখ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়।
করেছেন (17,789 পয়েন্ট)

“যতক্ষণ পর্যন্ত ভ্রূণ নিষিক্ত না হয় ততোক্ষণ পর্যন্ত তাকে প্রান বলা যাবে না।“

-এর মানে কি???

ভ্রুণ আবার নিষিক্ত হবে কেনো? ডিম্বাণুর নিষেক হওয়ার পরেই ভ্রুণ গঠিত হয়। জাইগোটের প্রথম বিভাজনের পর থেকেই একে ভ্রুণ বলা হয়।

করেছেন (185 পয়েন্ট)
এখানে ভ্রুন নিষিক্ত বলতে বির্য ভিতরে পরা কে বুঝানো হয়েছে।
করেছেন (17,789 পয়েন্ট)
ভ্রুণ নিষিক্ত হয় না, ডিম্বাণু নিষিক্ত হয়। 
আর নিষিক্ত ডিম্বাণুকে প্রাথমিক অবস্থায় জাইগোট এবং বিভাজিত অবস্থায় ভ্রুণ বলে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (17,789 পয়েন্ট)

জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করার অনুমতি রয়েছে, তবে এক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই সম্মত থাকতে হবে।

জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির মধ্যে পিল ব্যবহার করা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে, কারো মতে এটি ব্যবহার করা যাবে আর কারো মতে করা যাবেনা। এর বিরুদ্ধে দেওয়া যুক্তি হিসেবে পিলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে, তাছাড়া পিল ব্যবহারে হরমোন নিঃসরণে স্বাভাবিকতা বজায় থাকেনা।

কনডম কিংবা আজল (বাইরে বীর্যপাত) সবার মতেই জায়েজ, এমনকি চিকিৎসকদের মতেও এটি সর্বোত্তম পন্থা।

ইমারজেন্সি পিল বর্জন করতে হবে। মিলনের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ডিম্বাণু নিষিক্ত হয়ে ভ্রুণ গঠন করে, ইমারজেন্সি পিল সাধারণত এই ভ্রুণকেই নষ্ট করে -ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে এটি সন্তান হত্যার শামিল।


স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণ করা হারাম, শুধুমাত্র মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুকির আশঙ্কা থাকলেই এটি করা যাবে।



শাকিল আহমেদ আরিয়ান ইন্টারনেট জগতের সাথে পরিচিত হওয়ার পর থেকে স্রেফ উৎসাহ বশঃত এর গভীর পর্যন্ত জ্ঞান আহরণের চেষ্টা করেছেন, যতই গভীরে গিয়েছেন ততই এর প্রতি আরও আকৃষ্ট হয়েছেন। নিজে জানার আর অন্যকে জানানোর অদম্য ইচ্ছার প্রয়াসে আজ বিস্ময়ের সাথে এতটা জড়িয়ে গেছেন। ভবিষ্যতে একজন কম্পিউটার সাইন্টিস্ট হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি, আপনাদের সকলের নিকট দোয়াপার্থী। বিস্ময় ডট কমের সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসেবে।
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

294,403 টি প্রশ্ন

381,042 টি উত্তর

115,198 টি মন্তব্য

161,715 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...