বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
469 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (133 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

2 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (6,125 পয়েন্ট)
যে মেয়ে ফেসবুকে নিজের ছবি আপলোড করে, ছেলেদের সাথে কথা বলে, হ্যান্ডশেক করে, হিজাব ভালোে লাগ না— এমন মেয়ে ধর্ম থেকে অনেক দূরে। সে তো সম্পূর্ণ বিজাতীয় সংস্কৃতি ও সিস্টেমে জীবন যাপন করছে। এমতাবস্থায় তাকে বিয়ে করা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে অনুত্তম। কেননা, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিয়ের ক্ষেত্রে ধর্মকে অগ্রাধিকার দিতে বলেছেন। তাই রূপ লাবণ্য আর ধন সম্পদ থাকলেই মজে যাওয়া উচিত নয়। আর সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী কোনো বিবেকবান মানুষ এমন মেয়েকে বিয়ে করবেও না। কারণ, কোনো বিবেকবান মানুষই তার স্ত্রীকে অন্যের সঙ্গে গায়ে গা লাগিয়ে ছবি তুলতে ও হ্যান্ডশেক করতে দেবে না। যারা দেবে, তারা বিকৃত মস্তিষ্কের অধিকারী, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভাষায় তারা 'দাইয়ুস'। তাই এমন মেয়েকে বিয়ে করা উচিত নয়। তবে এক্ষেত্রে ছেলেকেও ধর্মীয় আদেশ নিষেধ মেনে চলতে হবে। বোরকাওয়ালী স্ত্রী খোঁজে নিজে বাইরে গিয়ে নষ্টামি করার অবকাশ নেই।
09 এপ্রিল 2017 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (133 পয়েন্ট) যদি সে নামায পড়ে? সে নামায ও পড়ে আর এসব ও করে। তাহলে?
করেছেন (737 পয়েন্ট)
তাহলেও তাদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া উচিৎ নয়।
কারণ -কোন ভাল কাজ অন্য একটি খারাপ কাজের পরিপূরক নয়।
0 টি পছন্দ
করেছেন (737 পয়েন্ট)

ইসলাম কখনো এমন মহিলার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার বৈধতা দেয়না।আল্লাহর রাসুল সঃ বলেন,দুই শ্রেণির মহিলারা জাহান্নামি যদিও  জান্নাতের ঘ্রাণ অনেক দূর থেকে পাওয়া যায়।

১-যারা কাপড় পড়া অবস্থায়ও উলঙ্গ, (যারা এমন টাইট কাপড় পরিধান করে উপর থেকে তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বুঝাযায়।)২.যারা পর পুরুষদের নিজেদের প্রতি আকর্ষিত করে এবং তারাও পরপুরুষ এর প্রতি আকর্ষিত হয়।মানে আল্লাহর নবী এমন নারী থেকে সতর্ক করেছেন।সুতরাং আপনার জন্য এমন নারীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ঠিক হবে না।

                  


وَعَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «مَا تَرَكْتُ بَعْدِىْ فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

পরিচ্ছদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩০৮৫-[৬] উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার (ইন্তেকালের) পরে আমার উম্মাতের পুরুষদের জন্য নারী অপেক্ষা অধিক ফিতনার শঙ্কা আর কিছুতেই রেখে যাইনি। (বুখারী ও মুসলিম)[1]







[1] সহীহ : বুখারী ৫০৯৬, মুসলিম ২৭৪০, তিরমিযী ২৭৮০, ইবনু মাজাহ ৩৯৯৮, সহীহাহ্ ২৭০১, সহীহ আল জামি‘ ৫৫৯৭। 

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) 

ব্যাখ্যাঃ

ব্যাখ্যা: এ হাদীস থেকে বুঝা যায় যে, নারীদের ফিতনা অবশ্যই অন্যান্য বিষয়গুলো থেকে অধিক কঠিন এবং আল্লাহর বাণী এটাই সমর্থন করে, ‘‘মানব জাতিকে মোহগ্রস্ত করেছে নারী’’- (সূরা আ-লি ‘ইমরান ৩ : ১৪)। তিনি তাদেরকে দুনিয়ার মোহ ভালোবাসার অন্তর্ভুক্ত করেছেন। কোনো কোনো ‘উলামাগণ বলেন, নারীদের সবকিছুতে অনিষ্টতা আছে, বিশেষ করে তাদের হার না মানা স্বভাবে আরো বেশী অনিষ্টতা রয়েছে। সেই সাথে তাদের জ্ঞানের কমতি ও দীনের কমতিও রয়েছে। জ্ঞানের কমতি হলো, পুরুষকে তার মোহে অন্ধ করা। আর দীনের কমতি হলো, দীনের কর্মের বিষয়ে উদাসীন থাকা এবং দুনিয়া অনুসন্ধানের ফলে পরকালীন ধংস ডেকে আনা। আর এটাই বড় ফাসাদ বা বিপর্যয়। (ফাতহুল বারী ৯ম খন্ড, হাঃ ৫০৯৬; শারহে মুসলিম ১৭/১৮ খন্ড, হাঃ ২৭৪০; মিরকাতুল মাফাতীহ)       

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
16 মে "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
4 টি উত্তর
04 ফেব্রুয়ারি 2016 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Daud Hossain (20 পয়েন্ট)

312,008 টি প্রশ্ন

401,581 টি উত্তর

123,368 টি মন্তব্য

172,930 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...