বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
803 জন দেখেছেন
"হাদিস" বিভাগে করেছেন (38 পয়েন্ট)

2 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (21,640 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

হাত তালি দেয়া বা করতালি দেয়া ইসলামী শরীয়তে সম্পূর্ণভাবে হারাম এবং কুফরী। হাত তালি দেয়া মূলত কাফির মুশরিকদের বদ স্বভাব এবং অপকর্মের অন্তর্ভুক্ত। এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ হয়েছে-

وما كان صلاتهم عند البيت الا مكاء و تصدية فذوقوا العذاب بما كنتم تكفرون

অর্থ: আর কা’বা শরীফের নিকট তাদের উপাসনা বলতে শিস আর তালি বাজানো ছাড়া অন্য কোন কিছুই ছিল না। অতএব, এবার তোমরা তোমাদের কৃত কুফরীর আযাবের স্বাদ গ্রহণ করো।’”

( সূরা আনফাল ৩৫ নং আয়াত শরীফ )

এ আয়াত শরীফ এর মধ্যে শিস দেয়া ও করতালি দেয়া কাফির মুশরিকদের উপাসনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!!

এ প্রসঙ্গে হযরত সাঈদ ইবনে যুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু তিনি বলেছেন, মুসলমানদেরকে মসজিদে হারাম অর্থাৎ কা’বা শরীফে নামাজ আদায় এবং অন্যান্য দ্বীনি কাজ থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে কাফির মুশরিকরা করতালি বা হাত তালি দিতো। এ অপকর্ম তারা হরহামেশাই করতো। ”

তারা যে নিকৃষ্ট সে বিষয়টা প্রকাশার্থে আলোচ্য আয়াত শরীফ এ শিস ও করতালিকে উপাসনা বলা হয়েছে।

হযরত সাঈদ ইবনে যুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু তিনি আরো বলেন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কা’বা শরীফ তাওয়াফ করার সময় বিধর্মী কুরাইশরা বিদ্রূপবশত উনার সামনে শিস ও করতালি দিতো। নাউযুবিল্লাহ ! এই প্রেক্ষাপটে উক্ত আয়াত শরীফ নাযিল হয়।

দলীল-

√ সমূহ তাফসীরের কিতাব।

অতএব , হাত তালি বা করতালি এবং শিস দেয়া এ অপকর্ম গুলো বিধর্মী, কাফির মুশরিকদের বদ স্বভাব এবং উপাসনার শামিল, যা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত এবং এ কুফরীর পরিনাম হলো জাহান্নামের কঠিন শাস্তি।

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,773 পয়েন্ট)
ইসলামে তালি দেয়া বৈধ কি না, তা নির্ভর করে বিভিন্ন ক্ষেত্রের উপর, কেননা ক্ষেত্র বিশেষ তা বৈধ আর ক্ষেত্র বিষেশ তা বৈধ না। আসুন তাহলে আমরা নিন্মে তা তিনটি ভা গে বিস্তারিত আলোচনা করি- ❶ তালি দেয়া ইবাদত : আর তা শুধু মহিলাদের জন্য নামাযের মাঝে তা সহীহ বুখারীর বর্ণনার মাঝে এসেছে- ❖ ﺻﺤﻴﺢ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ‏( /1 137 ) 684 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻋَﺒْﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺑْﻦُ ﻳُﻮﺳُﻒَ، ﻗَﺎﻝَ : ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﻣَﺎﻟِﻚٌ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺣَﺎﺯِﻡِ ﺑْﻦِ ﺩِﻳﻨَﺎﺭٍ، ﻋَﻦْ ﺳَﻬْﻞِ ‏[ ﺹ 138: ‏] ﺑْﻦِ ﺳَﻌْﺪٍ ﺍﻟﺴَّﺎﻋِﺪِﻱِّ : ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺫَﻫَﺐَ ﺇِﻟَﻰ ﺑَﻨِﻲ ﻋَﻤْﺮِﻭ ﺑْﻦِ ﻋَﻮْﻑٍ ﻟِﻴُﺼْﻠِﺢَ ﺑَﻴْﻨَﻬُﻢْ، ﻓَﺤَﺎﻧَﺖِ ﺍﻟﺼَّﻼَﺓُ، ﻓَﺠَﺎﺀَ ﺍﻟﻤُﺆَﺫِّﻥُ ﺇِﻟَﻰ ﺃَﺑِﻲ ﺑَﻜْﺮٍ، ﻓَﻘَﺎﻝَ : ﺃَﺗُﺼَﻠِّﻲ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ ﻓَﺄُﻗِﻴﻢَ؟ ﻗَﺎﻝَ : ﻧَﻌَﻢْ ﻓَﺼَﻠَّﻰ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ، ﻓَﺠَﺎﺀَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻭَﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﻼَﺓِ، ﻓَﺘَﺨَﻠَّﺺَ ﺣَﺘَّﻰ ﻭَﻗَﻒَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﻒِّ، ﻓَﺼَﻔَّﻖَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﻭَﻛَﺎﻥَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ ﻻَ ﻳَﻠْﺘَﻔِﺖُ ﻓِﻲ ﺻَﻼَﺗِﻪِ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺃَﻛْﺜَﺮَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﺍﻟﺘَّﺼْﻔِﻴﻖَ ﺍﻟﺘَﻔَﺖَ، ﻓَﺮَﺃَﻯ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻓَﺄَﺷَﺎﺭَ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ : ‏«ﺃَﻥِ ﺍﻣْﻜُﺚْ ﻣَﻜَﺎﻧَﻚَ ‏»، ﻓَﺮَﻓَﻊَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻳَﺪَﻳْﻪِ، ﻓَﺤَﻤِﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﺃَﻣَﺮَﻩُ ﺑِﻪِ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣِﻦْ ﺫَﻟِﻚَ، ﺛُﻢَّ ﺍﺳْﺘَﺄْﺧَﺮَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ ﺣَﺘَّﻰ ﺍﺳْﺘَﻮَﻯ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﻒِّ، ﻭَﺗَﻘَﺪَّﻡَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻓَﺼَﻠَّﻰ، ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺍﻧْﺼَﺮَﻑَ ﻗَﺎﻝَ : ‏«ﻳَﺎ ﺃَﺑَﺎ ﺑَﻜْﺮٍ ﻣَﺎ ﻣَﻨَﻌَﻚَ ﺃَﻥْ ﺗَﺜْﺒُﺖَ ﺇِﺫْ ﺃَﻣَﺮْﺗُﻚَ ‏» ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺃَﺑُﻮ ﺑَﻜْﺮٍ : ﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻟِﺎﺑْﻦِ ﺃَﺑِﻲ ﻗُﺤَﺎﻓَﺔَ ﺃَﻥْ ﻳُﺼَﻠِّﻲَ ﺑَﻴْﻦَ ﻳَﺪَﻱْ ﺭَﺳُﻮﻝِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ : ‏« ﻣَﺎ ﻟِﻲ ﺭَﺃَﻳْﺘُﻜُﻢْ ﺃَﻛْﺜَﺮْﺗُﻢُ ﺍﻟﺘَّﺼْﻔِﻴﻖَ، ﻣَﻦْ ﺭَﺍﺑَﻪُ ﺷَﻲْﺀٌ ﻓِﻲ ﺻَﻼَﺗِﻪِ، ﻓَﻠْﻴُﺴَﺒِّﺢْ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺇِﺫَﺍ ﺳَﺒَّﺢَ ﺍﻟﺘُﻔِﺖَ ﺇِﻟَﻴْﻪِ، ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﺘَّﺼْﻔِﻴﻖُ ﻟِﻠﻨِّﺴَﺎﺀِ » ✔ অর্থাৎ : হযরত সাহল ইবনে সা’দ আসসায়ীদি (রা.) থেকে বর্ণিত নিশ্চয় রাসূল (সা.) বলেছেন………… « ﻣَﺎ ﻟِﻲ ﺭَﺃَﻳْﺘُﻜُﻢْ ﺃَﻛْﺜَﺮْﺗُﻢُ ﺍﻟﺘَّﺼْﻔِﻴﻖَ، ﻣَﻦْ ﺭَﺍﺑَﻪُ ﺷَﻲْﺀٌ ﻓِﻲ ﺻَﻼَﺗِﻪِ، ﻓَﻠْﻴُﺴَﺒِّﺢْ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺇِﺫَﺍ ﺳَﺒَّﺢَ ﺍﻟﺘُﻔِﺖَ ﺇِﻟَﻴْﻪِ، ﻭَﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﺘَّﺼْﻔِﻴﻖُ ﻟِﻠﻨِّﺴَﺎﺀِ » তোমাদের কি হয়েছে? আমি নামাযের মাঝে তোমাদেরকে অধিক তালি দিতে দেখছি? (জেনে রাখ) নামাযের মাঝে যদি তোমাদের কোন সমস্যা সামনে আসে তাহলে তোমরা তাসবীহ পড় অথাৎ সুবহানাল্লাহ ইত্যাদি আর মহিলাগণ তালি দিবে । (নামাযের মাঝে মহিলাদের তালির নিয়মটা হবে একটু ভিন্ন আর তা হলো ডান হাতকে বাম হাতের পিঠের উপর মারবে। বুখারী-1/137, হাদীস-684 । ❷ তালি দেয়া বৈধ না,আর তা হলো যখন এবাদত মনে করে তালি দেয়া হয় অথবা ঠ্রাট্র ও হটকারীতা ইত্যাদি বশতঃ হয়। কেননা এই প্রকারটি জাহেলী যুগ ও মুশরীকদের স্বভাব। দেখুন, মহান আল্লাহ তায়ালা এই সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের মাঝে নিন্দা জানিয়ে বলেন- ❖ { ﻭَﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﺻَﻠَﺎﺗُﻬُﻢْ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟْﺒَﻴْﺖِ ﺇِﻟَّﺎ ﻣُﻜَﺎﺀً ﻭَﺗَﺼْﺪِﻳَﺔً ﻓَﺬُﻭﻗُﻮﺍ ﺍﻟْﻌَﺬَﺍﺏَ ﺑِﻤَﺎ ﻛُﻨْﺘُﻢْ ﺗَﻜْﻔُﺮُﻭﻥَ { ‏[ ﺍﻷﻧﻔﺎﻝ : 35 ] ✔ অর্থাৎ কা’বার নিকট তাদের নামায বলতে শিস দেয়া আর তালি বাজানো্ ছাড়া অন্য কোন কিছুই ছিল না। অতএব, এবার নিজেদের কৃত কুফরীর আযাবের স্বাদ গ্রহণ কর। (সূরা আনফাল-35)। ❸ তালি দেয়া মাকরুহ, আর তা হলো উল্লেখিত প্রকারগুলো ব্যতীত কোন মাহফীল ও সামাবেশ ইত্যাদির মাঝে আনন্দ ও উৎসাহ প্রদান এর জন্য তালি দেয়া, কেননা তালি দেয়া মহিলাদের জন্য নির্ধারিত বলে উপরে প্রথম প্রকারের মাঝে উল্লেখ হয়েছে, আর রাসূল (সা.) পুরুষদেরকে মহিলাদের সদৃশ্য কাজ থেকে নিষেধ করেছেন। দেখুন- ❖ ﺻﺤﻴﺢ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ ‏( /7 159 ) 5885 – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺑَﺸَّﺎﺭٍ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻏُﻨْﺪَﺭٌ، ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﺷُﻌْﺒَﺔُ، ﻋَﻦْ ﻗَﺘَﺎﺩَﺓَ، ﻋَﻦْ ﻋِﻜْﺮِﻣَﺔَ، ﻋَﻦِ ﺍﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻬُﻤَﺎ ﻗَﺎﻝَ : ‏« ﻟَﻌَﻦَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺍﻟﻤُﺘَﺸَﺒِّﻬِﻴﻦَ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺮِّﺟَﺎﻝِ ﺑِﺎﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ، ﻭَﺍﻟﻤُﺘَﺸَﺒِّﻬَﺎﺕِ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ ﺑِﺎﻟﺮِّﺟَﺎﻝِ » ✔ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন নিশ্চয় রাসূল (সা.) অভিশাপ দিয়েছেন, যেই পুরুষরা মহিলাদের সাদৃশ্য অবলম্বন করে এবং যে মহিলারাও পুরুষদের সদৃশ্য অবলম্বন করে। বুখারী-7/159, হাদীস-5885 । ✏ এছাড়াও হাদীস এর মাঝে রাসূল (সা.) হযরত লুত (আ.) এর উম্মত ধ্বংশ হওয়ার কারণ স্বরূপ প্রায় দশটি বিষয়কে উল্লেখ করেন, তার মধ্য থেকে একটি হলো তালি, দেখুন- ❖ ﺗﺎﺭﻳﺦ ﺩﻣﺸﻖ ﻻﺑﻦ ﻋﺴﺎﻛﺮ ‏( /50 322 ) ﻋﻦ ﺍﻟﺤﺴﻦ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ‏( ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ‏) ﻋﺸﺮ ﺧﺼﺎﻝ ﻋﻤﻠﺘﻬﺎ ﻗﻮﻡ ﻟﻮﻁ ﺑﻬﺎ ﺃﻫﻠﻜﻮﺍ ﻭﺗﺰﻳﺪﻫﺎ ﺃﻣﺘﻲ ﺑﺨﻠﺔ : ﺇﺗﻴﺎﻥ ﺍﻟﺮﺟﺎﻝ ﺑﻌﻀﻬﻢ ﺑﻌﻀﺎ ﻭﺭﻣﻴﻬﻢ ﺑﺎﻟﺠﻼﻫﻖ ‏( 2 ‏) ﻭﺍﻟﺨﺬﻑ ﻭﻟﻌﺒﻬﻢ ﺑﺎﻟﺤﻤﺎﻡ ﻭﺿﺮﺏ ﺍﻟﺪﻓﻮﻑ ﻭﺷﺮﺏ ﺍﻟﺨﻤﻮﺭ ﻭﻗﺺ ﺍﻟﻠﺤﻴﺔ ﻭﻃﻮﻝ ﺍﻟﺸﺎﺭﺏ ﻭﺍﻟﺼﻔﻴﺮ ﻭﺍﻟﺘﺼﻔﻴﻖ ﻭﻟﺒﺎﺱ ﺍﻟﺤﺮﻳﺮ ﻭﺗﺰﻳﺪﻫﺎ ﺃﻣﺘﻲ ﺑﺨﻠﺔ ﺇﺗﻴﺎﻥ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ ﺑﻌﻀﻬﻦ ﺑﻌﻀﺎ ✔ হাদীটির অর্থ লিখা হলো না, কারণ ফেজবুকে রয়েছে অনেক স্বল্প বয়সের ভাইও বোনেরা আর এর অর্থের মাঝে রয়েছে অনেক আপত্তিকর আচরন । ❏ তারীখে দামেষ্ক-50/322, জামেউস সগীর, হাদীস নং-5433, মারাসিলে আবূ দাউদ-528, সিলসিলাতুয যয়ীফা, হাদীস নং-1233, 3711 । আর হাদীসটি মুরসাল। ✏ আর তিন নং প্রকারকে অনেক ওলাময়ে কেরাম হারাম বলেছেন, কিন্তু সঠিক সিদ্ধান্ত হলো হারাম না, (যেমন সওদীআরবের প্রধান মুফতী আ. বিন বায ও সাওদীর বিখ্যাত আলেম ইবনে ওসাইমিনও বলেছেন।) আর হারাম না হওয়ার কারণ, রাসূল (সা.) নিজেও আনন্দ মহুর্তে তালি দিয়েছেন, দেখুন সহীহ মুসলিম এর বণনা- ❖ ﺻﺤﻴﺢ ﻣﺴﻠﻢ ‏( /2 763 ) 23 – (1084) ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻣُﺤَﻤَّﺪُ ﺑْﻦُ ﺭُﻣْﺢٍ، ﺃَﺧْﺒَﺮَﻧَﺎ ﺍﻟﻠَّﻴْﺚُ، ﺡ ﻭﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻗُﺘَﻴْﺒَﺔُ ﺑْﻦُ ﺳَﻌِﻴﺪٍ – ﻭَﺍﻟﻠَّﻔْﻆُ ﻟَﻪُ – ﺣَﺪَّﺛَﻨَﺎ ﻟَﻴْﺚٌ، ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﺍﻟﺰُّﺑَﻴْﺮِ، ﻋَﻦْ ﺟَﺎﺑِﺮٍ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻨْﻪُ، ﺃَﻧَّﻪُ ﻗَﺎﻝَ : ﻛَﺎﻥَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺍﻋْﺘَﺰَﻝَ ﻧِﺴَﺎﺀَﻩُ ﺷَﻬْﺮًﺍ، ﻓَﺨَﺮَﺝَ ﺇِﻟَﻴْﻨَﺎ ﻓِﻲ ﺗِﺴْﻊٍ ﻭَﻋِﺸْﺮِﻳﻦَ، ﻓَﻘُﻠْﻨَﺎ : ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟْﻴَﻮْﻡُ ﺗِﺴْﻊٌ ﻭَﻋِﺸْﺮُﻭﻥَ، ﻓَﻘَﺎﻝَ : ‏« ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟﺸَّﻬْﺮُ ﻭَﺻَﻔَّﻖَ ﺑِﻴَﺪَﻳْﻪِ ﺛَﻠَﺎﺙَ ﻣَﺮَّﺍﺕٍ، ﻭَﺣَﺒَﺲَ ﺇِﺻْﺒَﻌًﺎ ﻭَﺍﺣِﺪَﺓً ﻓِﻲ ﺍﻟْﺂﺧِﺮَﺓِ» ✔ অথ : হযরত জাবের (রা.) থেক বর্ণিত, তিনি বলেন একদা রাসূল (সা.) নিজ স্ত্রীদের থেকে এক মাসের জন্য বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেন। যখন 29 দিন অতিবাহিত হলো, তখন তিনি আমাদের মাঝে আগমন করেন, আমরা সকলেই বলতে লাগলাম আজ 29 দিন, তখন রাসূল (সা.) নিজ হাতে তিন বার তালি দিলেন আর বললেন হ্যাঁ, মাস অতিবাহিত হয়ে গেলো এবং নিজ আঙ্গুলগুলো একটি কে অন্যটির সাথে বন্ধিত্ব করেছেন। মুসলিম-2/763, হাদীস-1083 । ✏ আরো বিস্তারিত দেখুন- ফাতাওয়া আল-লাজনাতুদ দায়েমা-6/310, 19/122, 26/389, 26/390 ।
করেছেন (248 পয়েন্ট)
ভাই এটা কোথায় থেকে পেয়েছিলেন? 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
10 অক্টোবর 2016 "হাদিস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মো:শাহনুর রহমান (1,300 পয়েন্ট)

341,106 টি প্রশ্ন

434,271 টি উত্তর

135,695 টি মন্তব্য

184,100 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...