বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
482 জন দেখেছেন
"ফল" বিভাগে করেছেন (31 পয়েন্ট)

4 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (21,640 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

আম উচ্চ প্রোটিন, ভিটামিন এ, সি, বি৬, কে, ফোলিক এসিড, আঁশ ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ একটি ফল। এছাড়া আমে কপার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট যেমন বিটা ক্যারোটিন ও জিয়াজেন্থিন রয়েছে।


আমের স্বাস্থ্য উপকারিতা


আম খাওয়ার ফলে আমাদের জীবনযাপনের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে আম খাওয়ার ফলে স্থুলতা, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়া ত্বক ও চুলের রঙের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, দেহের শক্তি বৃদ্ধির জন্য, কোলন ক্যান্সার রোধে, হাড় ও হজম শক্তির উন্নত করার ক্ষেত্রে এই ফলের ভূমিকা রয়েছে। এখানে আমের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা তুলে ধরছি-


ক্যান্সার প্রতিরোধে- 

গবেষকরা বলেছেন যে, আমে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে এটা কোলন,স্তন, লিউকেমিয়া এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে


ত্বক পরিস্কারে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে- 

আমে থাকা ভিটামিন সি কোলাজেনের উৎপাদনে সাহায্য করে যার ফলে ত্বক সতেজ ও টানটান হয়। আম খেলে সূর্যের আলোতে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের ক্ষতির পরিমান কমে যায়। এছাড়া পাকা আম ত্বকে মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলে লোমকূপে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয়।

লিভার, ডায়বেটিস, কোলেস্টেরল কামাতে

ও যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে আম অনন্য।

+1 টি পছন্দ
করেছেন (1,256 পয়েন্ট)
আমে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিমান যা শিশুদের দেহ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে, ত্বক ভাল রাখে, হার্ট রাখে সুরক্ষিত, দূর করে কোষ্টকাঠিন্য। তাছাড়া আম ক্যান্সারের ঝুকিঁ কমায়। প্রতিদিন মানুষের 2000 ক্যালরি ও বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল প্রয়োজন। যার অনেকাংশই পূরণ করা সম্ভব আম দ্বারা। প্রজাতি ভিন্ন হলেও পুষ্টির পরিমাণ প্রায় একই থাকে। পুষ্টিমান প্রতি 100 গ্রামে এনার্জি-65 ক্যালরি, কার্বোহাইড্রেড-17 গ্রাম, প্রোটিন-0.51 গ্রাম, সুগার-14 গ্রাম, ফ্যাট-0.27 গ্রাম, ভিটামিন-বি২-0.057 গ্রাম।
0 টি পছন্দ
করেছেন (10,948 পয়েন্ট)

আমের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।

১। পাকা আম ত্বক সুন্দর, উজ্জ্বল ও মসৃণ করে। এটি ভেতর ও বাইরে থেকে উভয়ভাবেই ত্বককে সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। আম ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, ও ব্রণের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে।

২। পাকা আম ত্বকের রোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ফলে মুখের ও নাকের উপর জন্মানো ব্ল্যাকহেড দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১০০ গ্রাম পাকা আম খেলে মুখের কালো দাগ দূর হবে।

৩। পাকা আমের আঁশ, ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ হওয়ায় হজমে সহায়তা করে। এতে আছে প্রয়োজনীয় এনজাইম যা শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

৪। এ আমে আছে প্রায় ২৫ রকমের বিভিন্ন কেরাটিনোইডস যা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে রাখবে সুস্থ ও সবল।

৫। এক কাপ আম আপনার দৈনন্দিনের ভিটামিন এ এর চাহিদার প্রায় পঁচিশ শতাংশের যোগান দিতে পারে? ভিটামিন এ চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং রাতকানা রোগ হওয়া থেকে রক্ষা করে।

৬। এই ফলে পাওয়া যায় টারটারিক এসিড, ম্যালিক এসিড ও সাইট্রিক এসিড যা শরীরে অ্যালকালাই বা ক্ষার ধরে রাখতে সহায়তা করে অনেকাংশেই।

৭। আমের মধ্যে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। স্তন, লিউকেমিয়া, কোলন সহ প্রোস্টেট ক্যান্সারকেও প্রতিরোধে সহায়তা করে আম। এতে প্রচুর এনজাইমও পাওয়া যায়।

৮। পাকা আম টাশিয়ামসমৃদ্ধ হওয়ায় হার্টবিট ও রক্তস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এটি কোলন ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার, লিউকেমিয়াসহ প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে আম।

৯। পাকা আম রক্ত পরিষ্কার করে আমের টারটারিক, ম্যালিক, সাইট্রিক এসিড শরীরে অ্যালকোহল ধরে রাখতে সহায়তা করে

১০। আমের ভেশজ গুন আম আমাদের স্কিন ক্যান্সার সহ ভিভিন্ন জটিল রোগ নিরাময় করে।

জ্ঞানার্জনের তীব্র আকাঙ্ক্ষার পাশাপাশি নিজের অর্জিত জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিতে ও অপরের সমস্যার সমাধান করে দিতে ভারতবর্ষ থেকে নিয়মিত সময় দেন বিস্ময়ে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফিটনেস সম্বন্ধে খুবই সচেতন, ডিফেন্স লাইনে যাওয়ার প্রচন্ড ইচ্ছা। বিস্ময় ডট কমের সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসাবে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (4,341 পয়েন্ট)

image


আমের পুষ্টিগুণ-
আম উচ্চ প্রোটিন, ভিটামিন এ, সি, বি৬, কে, ফোলিক এসিড, আঁশ ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ একটি ফল। এছাড়া আমে কপার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট যেমন বিটা ক্যারোটিন ও জিয়াজেন্থিন রয়েছে।

আমের স্বাস্থ্য উপকারিতা

আম খাওয়ার ফলে আমাদের জীবনযাপনের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে আম খাওয়ার ফলে স্থুলতা, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়া ত্বক ও চুলের রঙের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে, দেহের শক্তি বৃদ্ধির জন্য, কোলন ক্যান্সার রোধে, হাড় ও হজম শক্তির উন্নত করার ক্ষেত্রে এই ফলের ভূমিকা রয়েছে। এখানে আমের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা তুলে ধরছি-

ক্যান্সার প্রতিরোধে- 
গবেষকরা বলেছেন যে, আমে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে এটা কোলন,স্তন, লিউকেমিয়া এবং প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে।

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়- 
আমে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি, পেকটিন ও আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। দেহ তরল এবং কোষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যৌগ পটাশিয়ামের খুব ভালো উৎস হচ্ছে তাজা আম যা উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ত্বক পরিস্কারে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে- 
আমে থাকা ভিটামিন সি কোলাজেনের উৎপাদনে সাহায্য করে যার ফলে ত্বক সতেজ ও টানটান হয়। আম খেলে সূর্যের আলোতে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের ক্ষতির পরিমান কমে যায়। এছাড়া পাকা আম ত্বকে মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলে লোমকূপে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয়।

ওজন কমাতে- 
আমে অনেক ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান রয়েছে।আঁশ জাতীয় খাবার হজমক্রিয়াতে সাহায্য করার ফলে তা দেহের বাড়তি ক্যালরি ক্ষয় করতে সাহায্য করে। এছাড়া আম খেলে ক্ষুধা কমে এবং কোলেস্টেরল ও গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায়- 
আমে উচ্চ আঁশ ও এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় তা হৃদরোগের সম্ভাবনাকে উল্লেখযোগ্য ভাবে কমায়।এক কাপ আমে ৩ গ্রাম আঁশ রয়েছে।গবেষণায় দেখা যায় যে প্রতি ৭ গ্রাম আঁশ গ্রহনের ফলে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায় ৯%।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে- 
শুধু আম নয় আমের পাতাও বেশ উপকারী।যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা যদি ৫-৬টি আম পাতা ধুয়ে একটি পাত্রে সেদ্ধ করে নিয়ে সারারাত রেখে সকালে এর ক্বাথ ছেকে নিয়ে পান করে করেন তাহলে এটা ইন্সুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করেন। এছাড়া আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (৪১-৬০)কম বলে এটা যদি মাঝে মাঝে বেশি খাওয়া হয়ে যায় তবে সুগারের মাত্রা খুব বেশি বাড়বে না।

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে- 
উচ্চ আঁশযুক্ত আম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটা ভালো হজমের জন্য এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধের জন্য খুবই কার্যকরী।

কামোত্তেজক- 
আমের রয়েছে কামোত্তেজক গুনাগুন এবং একে ‘লাভ ফ্রুট’ও বলা হয়। এটা পুরুষের পুরুষত্ব বাড়ায়। আমে প্রচুর ভিটামিন ই থাকাতে এটা সেক্স হরমোন কে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

অ্যাজমা প্রতিরোধে- 
যারা আম খেয়ে থাকেন তাদের মাঝে অ্যাজমা হওয়ার সম্ভাবনা কম। এটি আমের একটি চমকপ্রদ স্বাস্থ্য উপকারিতা। এতে থাকা উচ্চ বিটা ক্যারোটিন অ্যাজমা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

চোখের যত্নে- 
আমে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ। শুধু মাত্র এক কাপ পাকা আম খেয়ে সারাদিনের ভিটামিন এ র চাহিদার ২৫% পুরন করা সম্ভব। এছাড়া এটা দৃষ্টিশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে, চোখের শুষ্কতা ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।

জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধে- 
গর্ভাবস্থায় আম খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। আম বি ভিটামিনে সমৃদ্ধ। এতে ভিটামিন বি১, বি২, বি৫, বি৬, নায়াসিন এবং ফলিক এসিড রয়েছে। ফলিক এসিড গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারন এটা জন্মগত ত্রুটির সম্ভাবনা কমায়। দৈনিক ফলিক এসিডের চাহিদা হচ্ছে ৪০০ মাইক্রোগ্রাম আর এক কাপ তাজা আম থেকেই পাওয়া যায় ৭১ মাইক্রোগ্রাম। পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও কালসিয়ামসহ খনিজ পদার্থের বেশ ভালো উৎস হচ্ছে আম।

হজমে সাহায্য করে- 
আম প্রচুর খাদ্য আঁশ, ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর।এতে থাকা এনজাইম প্রোটিনকে ভাঙ্গতে সাহায্য করে।আমে থাকা আঁশ হজমে এবং বর্জ্য ত্যাগ করতে সাহায্য করে।

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে- 

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড খড়রৌদ্রে একটি আমের রসের সাথে সামান্য পানি,এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে খেলে তাৎক্ষণিকভাবে শরীর ঠাণ্ডা হয় এবং হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ হয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে- 
আমে ভিটামিন সি, এ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রায় ২৫টি ক্যারোটিনয়েডের মাত্রাতিরিক্ত ভালো সমন্বয়ের ফলে এটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর।

শরীর পরিষ্কারে- 
পাকা আমের পেস্টের সাথে সামান্য মধু এবং দুধ পুরো শরীরে ঘষলে ত্বক হবে কোমল ও মসৃণ।

মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে- 
এই ফলে রয়েছে উচ্চ মাত্রার গ্লুটামাইন এসিড নামক এটি প্রোটিন যা মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। লেখাপড়ায় অমনোযোগী বাচ্চাদের আম খেতে দেয়া উচিত।

রক্তশূন্যতা নিয়ন্ত্রণে- 
আমের উচ্চমাত্রার আয়রন রক্তশূন্যতা দূর করার খুব ভালো একটি উপায়।

কিডনীর পাথর কমাতে-
চীনা ঔষধ শাস্ত্রে,কিডনীতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমানোর জন্য আমের টক, মিষ্টি ও শীতলীকরণ শক্তিকে বিবেচনা করা হয়।

সঠিক নাস্তা হিসেবে- 

নাস্তা হিসেবে চিপস, বিস্কিটের মতো অস্বাস্থ্যকর খাবার না খেয়ে সুস্বাদু আম খেতে পারেন।

পেটের টনিক হিসেবে- 
রাতে ঘুমানোর আগে গরম পানিতে ১০/১৫টি পাতা দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রেখে সকালে সেই পানিটা ছেকে খালি পেতে নিয়মিত খেলে পেটের জন্য তা খুবই ভালো।

লেখক
শওকত আরা সাঈদা(লোপা)
জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ
এক্স ডায়েটিশিয়ান,পারসোনা হেল্‌থ
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান(স্নাতকোত্তর)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
01 জানুয়ারি 2014 "ফল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন samiron (32 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
02 এপ্রিল 2014 "ফল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মো: শহীদুল আলম (329 পয়েন্ট)
1 উত্তর

341,107 টি প্রশ্ন

434,274 টি উত্তর

135,696 টি মন্তব্য

184,102 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...