বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
8,913 জন দেখেছেন
"বিনোদন ও মিডিয়া" বিভাগে করেছেন (42 পয়েন্ট)
বন্ধ করেছেন
এই চিরকূট সহকারে বন্ধ করা হয়েছে : যথেষ্ট!!!

9 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (18,194 পয়েন্ট)
এক সাংবাদিক আর এক কৃষক এর সাক্ষাৎকার----
সাংবাদিক : তুমি ছাগল দুটোকে কি খেতে দাও ?

কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ?

সাংবাদিক  : কালো টা কে ?

কৃষক : ঘাস।

সাংবাদিক : আর সাদা টা কে ?

কৃষক : ওটাকেও ঘাস খেতে দিই।

সাংবাদিক : তুমি ছাগল দুটোকে কোথায় বেঁধে রাখো ?

কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ?

সাংবাদিক : কালো টা কে ?

কৃষক : গোয়ালে, একটা খুঁটির সাথে।

সাংবাদিক : আর সাদা টা কে ?

কৃষক : ওটাকেও গোয়ালে ওই একই খুঁটির সাথে।

সাংবাদিক : তুমি ছাগল দুটোকে কি দিয়ে পরিস্কার রাখো ?

কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ?

সাংবাদিক : কালো টা কে ?

কৃষক : জল দিয়ে স্নান করাই।

সাংবাদিক  : আর সাদা টা কে ?

কৃষক : ওটাকেও জল দিয়ে স্নান করাই।

সাংবাদিক  (প্রচন্ড রেগে গিয়ে) : শালা, হারামী...দুটো ছাগল এর সাথেই যখন সব কিছু একরকম হচ্ছে তখন বার বার আমাকে জিজ্ঞাসা করছো কেন যে সাদা ছাগল টা না কালো ছাগল টা ?

কৃষক : কারন কালো ছাগল টা আমার।

সাংবাদিক  : আর সাদা ছাগল টা ?

কৃষক : ওটাও আমার।

এই শুনে সাংবাদিক অজ্ঞান। যখন জ্ঞান ফিরলো তখন কৃষক সাংবাদিককে বললো - এবার বুঝলি যখন টিভি তে একই খবর বারবার বলে আমাদের কানের পোকা মেরে দিস তখন আমাদের কেমন লাগে ?
==========================================================
হঠাৎ করে একটি বাসে ডাকাতের আক্রমন।
ডাকাত সবার কাছ থেকে সবকিছু নিয়ে যাচ্ছে।
ডাকাত এক মেয়েকে জিজ্ঞেস করছে--

ডাকাতঃ এই মেয়ে তোমার নাম কি?

মেয়েঃ জরিনা।

ডাকাতঃ (একটু কেদে) আমার বোনের নাম জরিনা, তাই তোকে মাফ করে দিলাম।

পাশের সিটে এক লোক বসা।

ডাকাতঃ ওই তোর নাম কী?

লোকঃ আমার নাম বল্টু। তবে বন্দুরা আদর করে জরিনা ডাকে!!!
মোশারফ হোসেন পেশাগতভাবে একজন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। কম্পিউটার-ইন্টারনেট নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন থাকলেও, বাস্তবতার তাগিদে সেটা আর পরিপূর্নতা পায়নি । তবে তিনি তার কম্পিউটার-ইন্টারনেট নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা এবং আগ্রহকে কখনোই অঙ্কুরে বিনষ্ট হতে দেননি। বিস্ময়ের মাধ্যমে তার এই অতৃপ্ত আগ্রহটা, তৃপ্ততা খুজে পায়। বর্তমানে তিনি বিস্ময়ের সাথে আছেন, সমন্বয়ক হিসেবে।
করেছেন (2,079 পয়েন্ট)
পুরাই অস্থির লাগলো... ধন্যবাদ!!
করেছেন (2,079 পয়েন্ট)
পুরাই অস্থির লাগলো...!  অনেক অনেক ধন্যবাদ!!
করেছেন (1,041 পয়েন্ট)
প্রথম গল্পটা অসাধারণ ।
করেছেন (6,131 পয়েন্ট)
হাহাহাহাহা ... হাসতে হাসতে শেষ ...
+1 টি পছন্দ
করেছেন (7,015 পয়েন্ট)
১।  বল্টু : তুই তোর বউয়ের সাথে ঝগড়া করিস ?
পল্টু : হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।
বল্টু : বলিস কী ! তারপর ?
পল্টু : তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।'
২। প্রথম পাগল : আমি আকাশের দিকে টর্চের আলো ফেলব, তুই যদি সেই আলো বেয়ে আকাশে উঠতে পারিস, তাহলে তোকে এক লাখ টাকা দেব।
দ্বিতীয় পাগল : আমি উঠব না।
প্রথম পাগল : তার মানে তুই পারবি না।
দ্বিতীয় পাগল : অবশ্যই পারব। কিন্তু আমি অর্ধেক ওঠার পর যদি তুই আলো নিভিয়ে দিস, তাহলে তো আমি পড়ে যাব এবং আমার হাত-পা ভাঙবে। আমাকে তুই পাগল পেয়েছিস?
৩। প্রথম বন্ধু : জানিস, আমাদের বাসার সবাই বাথরুমে গান গায়!
দ্বিতীয় বন্ধু : বলিস কী, স-বা-ই?
প্রথম বন্ধু : সবাই, চাকর-বাকর পর্যন্ত।
দ্বিতীয় বন্ধু : তোরা তাহলে সবাই খুব গানের ভক্ত!
প্রথম বন্ধু : দূ-র-র, তা নয়, আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো, তাই!
0 টি পছন্দ
করেছেন (3,407 পয়েন্ট)
♡♡অসাধারণ মাজার জোকস♡♡
'
বল্টুর বউয়ের একটা পুত্র
সন্তান জন্ম হয়েছে ।
তাই বল্টু খুব খুশি হয়ে
সর্বপ্রথম সাংবাদিকের অফিসে ফোন করে
বললো :-
আমি তিন কেজি ওজনের
একটি সোনা পেয়েছি ,,,!

সাংবাদিক ঐ খবর পাওয়া মাত্রই বল্টুর বাড়িতে গিয়ে ,,, বল্টু বাড়িতে আছে কি ,,,?

বল্টুর বউ চৈতালী :- জি
,, না । উনি খুশির চোটে মিষ্টি খাওয়াইতে গিয়েছে ওনার বন্ধুদেরকে ।

সাংবাদিক :- অ ,,,! আমরা
কি ঐ জায়গাটা দেখতে পারি ,,, যেখানে থেকে
সোনা বেরিয়েছে ,,,?

চৈতালী :- না ,,,! পারবে
না । ঐটা প্রাইভেট জায়গা।

সাংবাদিক :- আচ্ছা
বলুনতো ,, বল্টু কত দিন
ধরে চেষ্টা করেছিলেন এই সোনা বের করার জন্য ,,,?

চৈতালী :- গত দুই বছর
ধরে ।

সাংবাদিক :- কোন সময়
বেশি চেষ্টা করেছিলেন ঐ সোনা পাওয়ার জন্য,,,?

চৈতালী :- রাতের বেলা
বেশিরভাগ চেষ্টা
করেছিলেন ।

সাংবাদিক :- বল্টু মনে
হয় খুবই কষ্ট এবং পরিশ্রম করেছিলেন তাইনা ,,,?

চৈতালী :- অবশ্যই ,,,!
পুরা শরীর ঘাম দিয়ে ভিজে যেত ।

সাংবাদিক :- আমরা কি
ঐ সোনাকে দেখতে পারি ,,,?

চৈতালী :- জি হ্যাঁ ,,,!
তা অবশ্যই পারবে । সন্তানকে বিছানায় থেকে কোলে করে বাইরে এনে -- এইতো আমার সোনা ,,,!

সাংবাদিক বেহুশ.....!!!!!
0 টি পছন্দ
করেছেন (6,021 পয়েন্ট)
[1] বল্টু গেছে দোকানে বিষ
কিনতে.....
দোকানদার : ভাই বিষ দিয়া কি করবেন?
বল্টু: আত্মহত্যা করব।
দোকানদার: ক্যান ভাই?
বল্টু:কিছু কিছু জিনিস আছে কাউকে বোঝানো যায় না
দোকানদার: মানে?
বল্টু:আজ সকালে আমি গরুর দুধ দোহাচ্ছিলাম।
হঠা্ৎ করেগরুটা বাম পা দিয়ে লাথি
মারতে লাগল। আমি বাধ্য হয়ে বাশের সাথে
বাম পা বেধে রাখলাম,  এরপর গরুটা ডান পা দিয়ে লাথি মারা শুরু করল। আমি এবার গরুর ডান পা ও বাশের
সাথে শক্ত করে বাধলাম,
অবশেষে লেজ দিয়ে বাড়ি মারতে লাগল।
ভাবলাম লেজটাও বেধে রাখি,
কিন্তু লেজ বাধার জন্য কিছু পেলাম না।
শেষমেষ নিজের বেল্ট খুলে বাধতে
লাগলাম বেল্ট খোলার কারণে আমার
প্যান্ট হঠাৎ করে খুলে গেল,
এমন সময় আমার বউ গোয়ালে এসে
আমাকে ঐ অবস্থায় দেখলো।
……….এখন আপনিই বলেন আমি
আমার বউকে কি করে তা বোঝাব????
বউ আমাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে!!

[2] দৌড়ে ডাক্তারের কাছে এসে এক ভদ্র
মহিলা জানালেন তার স্বামীর
পেটে একটা ইঁদুর ঢুকে গেছে ভয় নেই,
ডাক্তার অভয় দিলেন। আপনার স্বামীর
মুখের কাছে একটা শুঁটকি নাড়তে
থাকুন, ইঁদুর বের হয়ে আসবে। আমিও এসে
যাচ্ছি কিছেক্ষণের মধ্যে। বাড়ীতে
গিয়ে ডাক্তার সাহেব দেখলেন
ভদ্রমহিলা তার স্বামীর মুখের সামনে
এক বাটি দুধ ধরে চুকচুক করছেন।
কি ব্যাপার ? ডাক্তার বিরক্ত হয়ে
বললেন, ইঁদুর কখনো দুধ খায় ? আপনাকে
না শুঁটকি নাড়তে বলেছি। তা
বলেছেন। ভদ্রমহিলার উত্তর, কিন্তু
ইঁদুরটা ধরার জন্য যে ওর পেটে আমি
বেড়াল ঢুকিয়ে দিয়েছি। আগে তো
ওটা বের করি.....!!!!

[3] এক ছেলে মেয়ে কে বলছে “আই
লাভ ইউ”
..
মেয়েঃ অই আয়নাতে নিজের
চেহারা দেখছিস কখনো
..
..
..
..
..
..
..
ছেলেঃ দেখছি বইলাই
ত তোমার মত পেত্নির
কাছে আসছি নাইলে তো ক্যাটরিনার
কাছেই যাইইতাম৷৷৷৷
0 টি পছন্দ
করেছেন (7,945 পয়েন্ট)
তিন টাউট বন্ধুর বহু দিন পর দেখা।
তো তারা তিনজন রেস্টুরেন্টে খেতে
গেল। একজন ওয়াশরুমে গেল। বাকি
দুইজন আলাপ করছে।
বল্টু : তারপর দোস্ত, বাচ্চাকাচ্চা
কয়টা?
পল্টু : আমার একটাই ছেলে। আমার
মতোই বুদ্ধিমান। ভার্সিটিতে পড়ে।
বিরাট বড়লোকের একমাত্র মেয়েকে
পটাইছে। মেয়েকে ইম্প্রেস করার
জন্য একটা গাড়ি গিফট করছে।
একবার বিয়ে হয়ে গেলে মেয়ের
বাপের সব প্রোপার্টি আমার।
বল্টু : আমারও একটাই ছেলে। আমার
মতোই বুদ্ধিমান। ভার্সিটিতে পড়ে।
সেও বিরাট বড়লোকের একমাত্র
মেয়েকে পটাইছে। মেয়েকে ইম্প্রেস
করার জন্য ফ্ল্যাট গিফট করছে।
ভালোয় ভালোয় বিয়েটা হয়ে গেলেই
মেয়ের বাপের সব প্রোপার্টি
আমার।
এর মধ্যে তৃতীয় বন্ধু এলো। দুই
বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করল_দোস্ত
তোমার ছেলেমেয়ে কয়টা?
মতলব : আমার এক মেয়ে, আমার
মতোই ধান্দাবাজ। দুই পোলারে
নাকে দড়ি দিয়া ঘুরাইতাছে। একজন
দিছে গাড়ি আর একজন দিছে
ফ্ল্যাট। ভবিষ্যতে আরো অনেক
কিছু আদায় করার প্ল্যান আছে।
মানিক রাজ জ্ঞানের জন্যই জ্ঞানকে ভালোবাসেন, জ্ঞানের প্রতি রয়েছে অতৃপ্ত তৃষ্ণা আর তাই দীর্ঘদিন যাবত ইন্টারনেটের এর সাহায্য অজানাকে জানার চেষ্টা করেন। নিজে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি অন্যকে জানানো ও নিঃস্বার্থভাবে অপরকে সাহায্য করার জন্য বিস্ময় অ্যানসারসকে বেছে নিয়েছেন। বিস্ময় অ্যানসারস এর সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসেবে।
করেছেন (6,131 পয়েন্ট)
জোকসটা মজা লাগল না .............
0 টি পছন্দ
করেছেন (908 পয়েন্ট)
বাবা এবং মেয়ের এর মধ্যে
কথা
হচ্ছে–
বাবাঃ তুই পালিয়ে
বিয়ে করে
আমার বংশ দাঁগ লাগিয়ে
দিলি!
মেয়েঃ দাঁগ থেকে যদি
দারুন কিছু হয়,
তবে তো দাঁগই ভালো।
_______________________
স্যারঃ পড়া যখন পারনি
মার
তোমাকে খেতেই হবে।
ছাত্রঃ তাহলে একটু
ওয়াসরুমে যেতে
হবে।
স্যারঃ কেনো?
ছাত্রঃ মা বলেছে কোন
কিছু খাবার
আগে সাবান
দিয়ে ভালো ভাবে হাত
ধুয়ে নিতে।
_________________________
মেয়েঃ তোমাকে আমি খুব
খুব খুব
ভালোবাসি।
ছেলেঃ তোমার এতো
ভালৌবাসা
আমি কোথায় রাখবো?
মেয়েঃ রাখার জায়গা
না পেলে
ফেরত দিয়ে দাও অন্য
কাওকে দিয়ে
দিবো।
_________________________
মেয়েঃ তুমি আমায় কতটা
ভালোবাসো?
ছেলেঃ সীমাহীণ।
মেয়েঃ তাহলে তাজমহল
বানাচ্ছ না
কেনো?
ছেলেঃ জমি কেনা হয়ে�
গেছে,
তোমার মরার অপেক্ষায়
আছি।
মেয়েঃ কি?
________________________
চালকঃ শালা পাগল, সরবি
না তোর
গায়ের উপর
দিয়া চালামু?
পাগলঃ আরে যা যা একটু
আগে মাথার
উপর দিয়া বিমান গেলো
কিছুই হইলো
না তোর তো হালার
গাড়ি।
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,797 পয়েন্ট)
শামসু হোটেলের ম্যানেজারকে ফোন দিয়েঃ
শামসুঃ দয়া করে ১২১ নম্বর
রুমে একটু আসুনতো!
ম্যানেজারঃ কেন, কি সমস্যা?
শামসুঃ আমার স্ত্রী জানালা দিয়ে লাফ মেরে আত্বহত্যা করতে চাচ্ছে!
ম্যানেজারঃ আপনি স্বামী হয়ে কিছু না করতে পারলে, আমি হোটেলের ম্যানেজার
হয়ে কি করতে পারি? বলুন!
শামসুঃ আরে ভাই এখন কথা বলার সময় নাই,
তাড়াতাড়ি চলে আসুন, কারণ আমার স্ত্রী কিছুতেই জানালা খুলতে পারছেনা! জানালাটা খুলে দিয়ে যান!!
0 টি পছন্দ
করেছেন (2,079 পয়েন্ট)
বল্টু : এক বোতল রক্ত দিন তো।
নার্স : রক্তের group বল।
বল্টু : যেকোন একটা group হলেই চলবে।
নার্স : ( অবাক হয়ে ) কি করে চলবে...??
বল্টু :
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
গার্লফ্রেন্ড কে রক্ত দিয়ে লাভ লেটার লিখবো।

<>--------------------------------<> -----------------------------------<>

বউ সন্দেহ করছে তার স্বামীর সাথে কাজের মেয়ের
অবৈধ স্বম্পর্ক আছে। শিওর হওয়ার জন্য সে কাজের
মেয়েকে ১ দিন ছুটি দিল কিন্তু স্বামীকে এটা বলল না।
রাতে স্বামী বাসায় এসে ঘুমোতে যাওয়ার সময় স্ত্রী
আদর পেতে চাইলে।...
স্বামী বললো : আমার শরীর টা ভালো না। আজ থাক। এই
বলে সে ঘুমিয়ে পড়লো।
স্ত্রী ঘুমের ভান করে জেগে থাকলো। মাঝরাতে
স্বামী উঠে পাশের রুমের সবার জন্য কমন টয়লেটে
গেল। স্ত্রী তখন কাজের মেয়ের ঘরে গিয়ে শুয়ে
পড়লো এবং লাইট বন্ধকরে দিল। একটু পর একজন এসে কিছু
না বলেই সরাসরি একশনে চলে গেল! কাজ শেষ হওয়ার পর
লাইটজ্বালিয়ে।...
স্ত্রী বললো : তুমি নিশ্চয় আমাকে এই বিছানায়আশা করোনি!
'অবশ্যই না ম্যাডাম'
বললো কাজের ছেলে আবুইল্লা!
ল্যাও ঠ্যালা...

<>--------------------------------<> -----------------------------------<>

না পড়লে মিস করবেন,,,
বৌয়ের কাছে স্বামীর চিঠি...
প্রিয়তমা,
আমি এই মাসে অফিস থেকে এখনো
বেতন পাইনি, তাই টাকা পাঠাতে
পারলাম না। তার পরিবর্তে ১০০টা kiss
পাঠালাম, আমার সুইট হার্ট রাগ কর না
প্লিজ....
ইতি
তোমার প্রিয়তমা স্বামি.......
উত্তরে বৌ......
আমার প্রিয় জানু,
তোমার ১০০টা kiss-এর জন্য ধন্যবাদ।
খরচের বিস্তারিত নিচে জানালাম:
১। দুধওয়ালা ১ মাসে ২টা kiss-এ রাজি
হয়েছে।
২। বিদ্যুৎ বিল বাবদ ৭টা kiss দিয়ে কোন
রকম বিদায় করেছি।
৩। বাড়িওয়ালা প্রতিদিন এসে ২-৩টা
করে kiss নিয়ে যাচ্ছে ভাড়ার পরিবর্ত।
৪। দোকানদার শুধু kiss-এ রাজি না হওয়ায়
তাকে অন্য কিছু দিয়ে সন্তুষ্টা করতে
হয়েছে।
৫।অনান্য খরচ বাবদ আরো ৪০টা kiss
দিতে হয়েছে।
তুমি একদম চিন্তা করো না। আমার
কাছে এখনো তোমার দেয়া ৩৫ টা kiss
আছে। আশা করি মাসের বাকিটা
চালিয়ে নিতে পারব। আগামী
মাসেওএভাবে চালিয়ে নিব কিনা
জানাবে।
ইতি
YOUR SWEET HEART..

<>--------------------------------<> -----------------------------------<>

এক মেয়ের কাছে একটি অপরিচিত
নাম্বার থেকে কল আসল।
মেয়ে : হ্যালো.
ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড
আছে??
মেয়ে: হ্যাঁ আছে কিন্তু আপনি কে??
ছেলে : আমি তোর ভাই, দাঁড়া আজকে
বাড়িতে আসি তোর খবর আছে!!!
কিছুক্ষণ পর মেয়েটির নিকট আবার
অপরিচিত নাম্বার থেকে আরেকটি কল
আসল-
মেয়ে : হ্যালো!
ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড
আছে??
মেয়ে : না।
ছেলে : তাহলে আমি কে??
মেয়ে: স্যরি স্যরি জান! আমি মনে
করেছি এটা আমার ভাই।
ছেলে : আমি তোর ভাই-ই, আজ তোর
একদিন কি আমার একদিন!!!
0 টি পছন্দ
করেছেন (5,841 পয়েন্ট)
এক মেয়ে ট্রেন এ টিকিট ছাড়া উঠছে....

ট্রেন এর গার্ড আসছে টিকিট চেক করতে।

গার্ড - টিকিট দেখি।

মেয়ে - আমার চেহারাই তো টিকিট।

গার্ড্- জরিমানা লাগবে। জরিমানা দিন।

মেয়ে - কেনো ?

গার্ড - কারণ আপনি ফাস্ট ক্লাস এ বসেছেন আর আপনার চেহারা হলো থার্ডক্লাসের.







রণন আর নাছের দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে।

রণন: বুঝলি নাছের, সুলেখাকে আমি ভালোবাসতাম, কিন্তু এখন আর বাসি না।

নাছের: কেন?

রণন: মেয়েটা কানে কম শোনে।

নাছের: কী করে বুঝলি?

রণন: আমি ওকে বললাম, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আর ও বলল, আমার পায়ের স্যান্ডেলটা নতুন!

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর

350,330 টি প্রশ্ন

444,375 টি উত্তর

139,259 টি মন্তব্য

187,332 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...