বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
210 জন দেখেছেন
"সাধারণ" বিভাগে করেছেন (44 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (17,933 পয়েন্ট)
তাহাজ্জুদ নামাযের সময়ঃ
অর্ধ রাতের পরে। রাতের শেষ
তৃতীয়াংশে পড়া উত্তম।
তাহাজ্জুদের মুল সময় মুলত রাত
৩টা থেকে শুরু হয়ে ফজরের
আযানের আগ পর্যন্ত থাকে। তবে
ঘুম থেকে না জাগার সম্ভাবনা
থাকলে ইশা সালাতের পর দু
রাকআত সুন্নত ও বিতরের আগে তা
পড়ে নেয়া জায়েয আছে। তবে
পরিপূর্ণ তাহাজ্জুতের মর্যাদা
পেতে হলে, এশার নামাযের পর
ঘুমিয়ে রাত ২টা বা ৩টার
দিকে উঠে নামায আদায় করতে
হবে।
☞ তাহাজ্জুদ নামাযের রাকআত
সংখ্যাঃ
সর্ব নিম্ন দু রাকআত। আর
সর্বোচ্চ ৮ রাকআত পড়া উত্তম।
তাহাজ্জুদের ৮ রাকাত নামায
আদায় করার পরে, বিতর ৩রাকাত
নামায পড়া। রাসুল (সাঃ)
তাহাজ্জুদের নামায বেশিরভাগ
সময় ৮রাকাত পরতেন এবং এঁর পর
বিতরের নামায পরে মোট
১১রাকাত পূর্ণ করতেন।
১। তাহাজ্জুদ নামায বিতরসহ
১৩, ১১, ৯ কিংবা ৭ রাকাত
পড়া যায় (বুখারী, মুসলিম,
মেশকাত ১০৬ পৃঃ)
২। প্রথমে দু’রাকাত ছোট ছোট
সুরা মিলিয়ে হালকাভাবে পড়ে
আরম্ভ করবে (মুসলিম, মেশকাত
১০৬ পৃঃ)
৩। অতঃপর দু’রাকাত করে,
তাহাজ্জুদের নামায সাত রাকাত
পড়তে চাইলে দু’সালামে চার
রাকাত পড়ে তিন রাকাত বিতর
পড়বে । (বুখারী, মেশকাত ১০৬
পৃঃ)
বিঃদ্রঃ- যদি এশার নামায পরে
বিতরের নামায পড়ে থাকেন, তবে
তাহাজ্জুত নামায পড়ার পড়ে
বিতর নামায পড়ার দরকার নেই।
তখন ২ রাকাত থেকে শুরু করে
৮রাকাত তাহাজ্জুত নামায
পরলেই হবে।
☞ তাহাজ্জুদ নামাযের আগে
করণীয়ঃ
হুযাইফা (রাযিঃ) বলেন, রাসুল
(সাঃ) যখন তাহাজ্জুদ পড়তে
উঠতেন তখন মিসওয়াক করতেন
এবং আমাদেরকেও মিসওয়াক করার
হুকুম দেয়া হত, আমরা যখন
তাহাজ্জুদ পড়তে উঠতাম, অতঃপর
নবী (সাঃ) অযু করতেন (মুসলিম) ।
তারপর নীচের দু’আ ও তাসবীহগুলি
দশবার করে পড়তেন । তারপর
নামায শুরু করতেন (আবু দাউদ,
মেশকাত ১০৮ পৃঃ)
(১) দশবার “আল্লাহু আকবার
(আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ)
(২) দশবার আলহামদুলিল্লাহ
(সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্যই)
(৩) দশবার সুব্হানাল্লাহি ওয়া
বিহামদিহী (আমি আল্লাহ
প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা
ঘোষনা করছি)
(৪) দশবার সুব্হানাল মালিকিল
কদ্দুস (আমি মহা পবিত্র
মালিকের গুণগান করছি)
(৫) দশবার আসতাগফিরুলাহ (আমি
আল্লাহর কাছে ক্ষমা ভিক্ষা
করছি)
(৬) দশবার লা ইলাহ ইল্লাল্লাহু
(আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য
আর কেউ নেই)
(৭) দশবার আল্লাহুম্মা ইন্নী
আঊযুবিকা মিন দীক্বিদ্দুনিয়া
ওয়া দীক্বি ইয়াওমিল ক্বিয়ামাহ
(হে আল্লাহ! আমি এই জগতের এবং
পরকালের সঙ্কট থেকে তোমার
আশ্রয় প্রার্থনা করছি)
☞ তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়মঃ
তাহাজ্জুদ নামায পড়ার জন্য
নির্দিষ্ট কোন সুরা নেই। যে কোন
সুরা দিয়েই এই নামায আদায়
করা যাবে। তবে যদি বড় সুরা বা
আয়াত মুখুস্ত থাকে তবে, সেগুলো
দিয়ে পড়াই উত্তম। কারন রাসুল
(সাঃ) সব সময় বড় বড় সুরা দিয়ে
তাহাজ্জুদ নামায আদায় করতেন।
তাই আমাদেরও বড় সুরা মুখুস্ত
করে, তা দিয়ে তাহাজ্জুত নামাদ
আদায় করা উচিৎ।
যাইহোক, বড় সুরা মুখুস্ত না
থাকলে যে কোন সুরা দিয়েই
নামায আদায় করা যাবে। নিয়ম
হল ২রাকাত করে করে, এই
নামায আদায় করা। প্রত্যেক
রাকাতে সুরা ফাতিহা পড়ার পর,
অন্য যে কোন সুরা মিলানো।
এভাবেই নামায আদায় করতে
হবে।
মোশারফ হোসেন পেশাগতভাবে একজন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। কম্পিউটার-ইন্টারনেট নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন থাকলেও, বাস্তবতার তাগিদে সেটা আর পরিপূর্নতা পায়নি । তবে তিনি তার কম্পিউটার-ইন্টারনেট নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা এবং আগ্রহকে কখনোই অঙ্কুরে বিনষ্ট হতে দেননি। বিস্ময়ের মাধ্যমে তার এই অতৃপ্ত আগ্রহটা, তৃপ্ততা খুজে পায়। বর্তমানে তিনি বিস্ময়ের সাথে আছেন, সমন্বয়ক হিসেবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর
27 ডিসেম্বর 2018 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন জাওয়াদ জামিল (582 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
2 টি উত্তর
01 জুন "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মো:- শাকিল আহমেদ (15 পয়েন্ট)

311,649 টি প্রশ্ন

401,256 টি উত্তর

123,179 টি মন্তব্য

172,755 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...