বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
279 জন দেখেছেন
"অ্যান্ড্রয়েড" বিভাগে করেছেন (49 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,007 পয়েন্ট)
রুট করার সুবিধা
বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে মোবাইলের
অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি
নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা। এছাড়াও
মোবাইলের পারফরমেন্স বাড়ানো যায় আরও
অনেক ভাবে। ওভারক্লকিং করে সিপিইউ স্পিড
স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে
বেশি দ্রুত কাজ করে। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ
কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন
পড়লে তা করা যায়। যখন মোবাইল এমনিতেই
পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না
করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা
যায় আন্ডারক্লকিং করে। এতে করে ব্যাটারি
ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব। এছাড়াও রুট করে
কাস্টম রম ইন্সটল করার সুবিধা রয়েছে। অনেক
ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় মোবাইলের জন্য
কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল
করে আপনি আপনার মোবাইলকে সম্পূর্ণ নতুন
একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন। আপনি
সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনার রাম এর
স্পীড বাড়াতে পারবেন , প্রসেসরের স্পীড
বাড়াতে পারবেন তবে কোন হার্ডওয়্যার বা
অন্যান্য কোন কিছু বাড়াতে পারবেন না।
আপনি ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাকে ১৬
মেগাপিক্সেল করতে পারবেন না। যেই
মোবাইলে NFC নেই তাতে তা সংযোগ করতে
পারবেন না। রুট শুধু মাত্র আপনার
অভ্যন্তরীণ পারফরম্যান্সে কাজে আসবে ,
বাহ্যিক কোন পরিবর্তন নয় ।
রুট করার অসুবিধা :
সর্ব প্রথম মোবাইল রুট করার মাধ্যমে
আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই
রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক
মোবাইল আবার আনরুট করা যায়। আর
মোবাইল আনরুট করা হলে তা সার্ভিস
সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই
ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল কি
না। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া
বাধ্যতামূলক। অনেকে মোবাইল ব্রিক নিয়ে
অনেক কথাই বলেছে। এখন কথা হল ব্রিক মানে
কি? ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে
আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা বা
নষ্ট হয়ে যাওয়া। অর্থাৎ আপনার মোবাইল
কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। রুট করা
ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় যদি কোন
ভুল ত্রুটি হয় তাহলে ফোনে স্থায়ী বা
অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। প্রস্তুতকারক
কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যাতে
আপনার মোবাইলের কোন ক্ষতি না হয়। রুট
করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে
ফেলেছেন। এখন এর সম্পূর্ণ দায়ভার আপনাকে
গ্রহন করতে হবে। রুট করলে দেখা যায় অনেক
সময় অনেক ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম রুট করা
ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে। কিন্তু
লক থাকা অবস্থায় ব্যবহারকারী নিজেই রুট
অ্যাক্সেস পান না, তাই অন্য
প্রোগ্রামগুলোর রুট অ্যাক্সেস পাওয়ার
সম্ভাবনাও নেই বললেই চলে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর

331,500 টি প্রশ্ন

422,306 টি উত্তর

131,130 টি মন্তব্য

181,106 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...