বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
708 জন দেখেছেন
"সিয়াম" বিভাগে করেছেন (201 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (769 পয়েন্ট)
তারাবীহ নামাজ ছাড়া কও রোজা বা
সিয়াম রাখা সম্ভব ::   তারাবীহর নামায পড়া রোযাদার
নারী পুরুষের জন্য সুন্নতে মুয়াক্কাদা
অর্থাৎ নবীজি সব সময় পালন করতে
কদাতে ছেড়ে দিতেন, কাজেই এই
নামায আদায় করা জরুরী তবে ফরযের
ন্যায় অত্যাবশ্যকীয় নয়। পুরুষের জন্য
জামাতে র কিফায়া অর্থাৎ আদায়
করতে পারলে ভাল না করলে ক্ষতি
নেই।
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি
বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) রমজান
মাসে গভীর রাতে বের হয়ে মসজিদে
নামাজ আদায় করেন, কিছু সংখ্যক
সাহাবী সেদিন উনার পিছনে
নামাজ আদায় করলেন। সকালে ঐ
সাহাবীরা অন্যান্য লোকদের সাথে
তা আলোচনা করায় পরের রাতে অধিক
সংখ্যায় সমবেত হন। নবীজির সাথে
ওরা নামায আদায় করে। সকালে এ
বিষয়ে তারা আলাপ আলোচনা করে।
ফলে তৃতীয় রাতে মসজিদে মুসল্লী
সংখ্যা অনেক বেড়ে যায় এবং
নবীজির সাথে নামাজ আদায় করে।
চতুর্থ রাতে এত বেশী পরিমান মুসল্লী
আগমন করলো যে মসজিদে স্থান
সংসুলান হলো না, কিন্তু ঐ রাতে
রাসুল্লাহ (সাঃ) আর বের না হয়ে
একবারে ফজরের সালাত আসলেন এবং
নামাজ শেষে লোকদের দিকে ফিরে
বললেন, শোন! তোমাদের গতরাতের
অবস্থা আমার অজানা ছিল না, কিন্তু
এই নামায তোমাদের উপর ফরয হয়ে
যাবার আশংকা করছিলাম। তাই বের
হইনি। রাসুল্লাহ (সাঃ) এর ওফাত
পর্যন্ত এই তারাবীর নামাজ এভাবেই
থেকে যায়।
বুখারী- Vol 3, Book 32 No. 230
আবু বকর (রাঃ) এর খিলাফত কালে ও
উমর (রাঃ) এর খিলাফতের প্রথম
ভাগে ও তারাবীর নামায বর্তমান
সময়ের মতে সন্নিবিতভাবে পড়া
হতো না।
আবদুর রমান ইবন আবদ আল-ক্কারী
(রাঃ) বলেন, আমি রমযানের এক রাতে
উমর (রাঃ) এর সঙ্গে মসজিদে নববীকে
গিয়ে দেখতে পাই যে, লোকেরা ছোট
ছোট জামাতে পৃথক পৃথক ভাবে
তারাবীর নামায আদায় করছে। উমর
(রাঃ) বললেন, আমি মনে করি যে, এই
লোকদের যদি আমি একজন ক্কারীর
(ঈমানের) পিছনে একত্রিত করে দেই,
তবে তা উত্তম হবে। এরপর তিনি উবাই
ইবনে কা’ব (রাঃ) এর পিছনে সকলকে
একত্রিত করে দিলেন।
বুখারী Vol Book 32 No. 22
কাজেই এ থেকে বুঝা যায় যে বর্তমান
সময়ে যেভাবে তারাবিহ্ নামাজ্
মসজিদে আদায় করা হয় তা হযরত উমর
(রাঃ) এর খিলাফত কাল হবে চালূ
হয়েছিল।
এখন অনেকের মনে হয়তো প্রশ্ন আসতে
পারে যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) যদি
তারাবিহ্ নামাযে পুরো রমযানে
জামাতে না পড়িয়ে থাকেন, তবে
মুসলিম উল্লাহ্ রা কেন ইসলাম এর
দ্বিতীয় খলিফা উমর (রাঃ) এর
অনুসারে পালন করবেঃ নিম্নের
হাদিসটি একটু ভাল করে লক্ষ্য করলে
আশা করি সকলের মনে দ্বিধা দুর হবে।
রাষূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, “আমি
আল্লাহ্র শপথ করে বলছি তোমরা
তোমাদের মনোনীত নেতা/
সাহাবীদের কথা শুনবে এবং মান্য
করবে কারন আমার পরে যারা বেঁচে
থাকবে তাদের মাঝে মতানৈক্য সৃষ্টি
হবে। এটা তোমাদের জন্য অবশ্যই
আবশ্যক যে আমার সুন্নাহকে অনুসরন
করা এবং আমার সঠিক অনুসারীদের
অনুসরন করা ” (খেলাফতে রাশেদিন)।
0 টি পছন্দ
করেছেন (4,812 পয়েন্ট)
তারাবীহ নামাজ এবং রোযা স্বতন্ত্র দুটি ইবাদাত। একটি ফরজ। অপরটি সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। একটির সাথে আরেকটির আবশ্যিক কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো কারণে রোযা না রাখতে পারলে তারাবীহ নামাজ পরিত্যাগ করবে না। তদ্রূপ কোনো কারণে তারাবীহ নামাজ না পড়তে পারলে রোযা পরিত্যাগ করবে না। ফিকহের গ্রন্থগুলোতে এর অসংখ্য তথ্যসূত্র বিদ্যমান। সারকথা, তারাবীহ নামাজ ছাড়াও রোযা রাখা সম্ভব। ফলে কোনো কারণে তারাবীহ নামাজ না পড়লে বা না পড়তে পারলে রোযা পরিত্যাগ করা যাবে না।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
2 টি উত্তর
01 জুলাই 2018 "সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন shamsul alom (9 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
24 জুন 2015 "সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নীড় হারা পাখি (4 পয়েন্ট)
1 উত্তর
13 জুন 2015 "সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Riazul Islam (14 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর

293,203 টি প্রশ্ন

379,658 টি উত্তর

114,773 টি মন্তব্য

160,877 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...