বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
27 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (26 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (376 পয়েন্ট)
  • ৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে গীবত করা জায়েজ

  • হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-"তোমরা কি জান গীবত (পরনিন্দা) কি?" সাহাবারা বললেন-"আল্লাহ তায়ালা এবং তার রাসূলই ভাল জানেন"। হুজুর সা. বললেন-"তোমার (মুসলমান) ভাইয়ের এমন কোন আলোচনা করা যা সে অপছন্দ করে।" কোন কোন সাহাবা বললেন-"আমার ভাই সম্পর্কে যা বলি তা যদি তার মধ্যে থাকে?" (আর সে তা অপছন্দ করে তবুও কি তা গীবত বা পরনিন্দা হবে?) রাসূল সা. বললেন-"তুমি যা বললে তা তার মধ্যে (বাস্তবে) থাকলেই গীবত হবে। আর যা তুমি বললে তা তার মাঝে না থাকলে তবে যেন তুমি তাকে অপবাদ দিলে। (যা গীবতের থেকে মারাত্মক গোনাহ)" (সহীহ মুসলিম শরীফ, হাদিস নং-৬৭৫৮)
ব্যাখ্যা: 
১. কারো অত্যাচার থেকে বাঁচতে তার বিরুদ্ধে এমন ব্যক্তির কাছে দোষ বলা যে উক্ত ব্যক্তিকে শোধরাতে পারবে বা শাস্তি দিতে পারবে। যেমন জালিমের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা।
২. যার গীবত করা হচ্ছে তাকে বাঁচাতে এমন ব্যক্তির কাছে দোষ বলা যিনি উক্ত ব্যক্তিকে শোধরাতে পারবেন। যেমন সন্তান রাস্তায় বখাটেপনা করলে পিতার কাছে অভিযোগ করে দোষ বলা।
৩. যার কাছে দোষ বলা হচ্ছে উক্ত ব্যক্তিকে বাঁচাতে তার কাছে কারো দোষ বলা। যেমন বিয়ের সম্বন্ধ আসলে লোকটি যদি চরিত্রহীন হয় তাহলে এমন ব্যক্তির কাছে দোষ বলা যিনি ঐ লম্পটের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়।

#কারো গীবত হয়ে গেলে-যদি উক্ত ব্যক্তি কাছে সরাসরি ক্ষমা চাওয়া যায়, তাহলে ক্ষমা চেয়ে নিবে। আর যদি লোকটা মারা গিয়ে থাকে বা দূরে থাকে, তাহলে আস্তাগফিরুল্লাহ পড় এই কর্মের জন্য ক্ষমা চাইবে আল্লাহর দরবাবে। ভাল থাকুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
0 টি উত্তর

350,526 টি প্রশ্ন

444,613 টি উত্তর

139,349 টি মন্তব্য

187,387 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...