বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
36 জন দেখেছেন
"বিজ্ঞান ও প্রকৌশল" বিভাগে করেছেন (62 পয়েন্ট)

3 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (874 পয়েন্ট)
সূর্যতাপ ভূপৃষ্ঠের অর্থাৎ পুকুর খালবিল নদী ও সমুদ্রের পানীকে জলীয় বাষ্পে পরিণত করে*জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলের উপরের দিকে উঠে ঠান্ডা হয়ে ক্ষুদ্র পানিকণায় পরিণত হয়*ক্ষুদ্র পানিকণা একত্র হয়ে আকাশে মেঘ হিসেবে ঘুরে বেড়ায়*অতঃপর মেঘের পানিকণাগুলো একত্রিত হয়ে আকারে বড় হয়ে বৃষ্টিরুপে মাটিতে পড়ে*এভাবেই বৃষ্টি হয়
0 টি পছন্দ
করেছেন (210 পয়েন্ট)
আকাশে বৃষ্টির পানি আসে না। বরং আকাশ থেকে যেটা পানি আসে তাকে বৃষ্টি বলে। আর এই পানি আমাদের আশপাশ থেকে সূর্যের তাপে জলিয় বাষ্প হয়ে উরে যাই এবং সেখানে মেঘরুপে ভেসে থাকে। এবং সেই মেঘ যদি ঠান্ডা জয় তবে বৃষ্টি রূপে ঝরে পরে। 

আশা করি বুঝতে পেরেছেন 
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,842 পয়েন্ট)
সম্পূর্ণ পড়ুন:
ভারতের কলকাতার পথে বৃষ্টিপাতের দৃশ্য।

বৃষ্টি একধরনের তরল, যা আকাশ থেকে মাধ্যাকর্ষণের টানে ভূপৃষ্ঠের দিকে পড়ে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মেঘের সৃষ্টি করে। এই ফোঁটাগুলি যথেষ্ট পরিমাণে ভারি হলে তা পৃথিবীর বুকে ঝরে পড়ে - একেই বলে বৃষ্টি। বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টি সুপেয় জলের বড় উৎস। বিচিত্র জৈবব্যবস্থাকে বাঁচিয়ে রাখতে, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলি সচল রাখতে ও কৃষি সেচব্যবস্থা সচল রাখতে বৃষ্টির প্রয়োজন হয়। যদিও সকল প্রকার বৃষ্টি ভূপৃষ্ঠ অবধি পৌঁছায় না। শুকনো বাতাসের মধ্য দিয়ে পড়ার সময় কিছু বৃষ্টির বিন্দু শুকিয়ে যায়। ভারগা নামে পরিচিত এই বৈশিষ্ট্যটি শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চলে দেখা যায়। বৃষ্টির এমইটিএআর কোড হল আরএ

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

359,463 টি প্রশ্ন

454,641 টি উত্তর

142,339 টি মন্তব্য

190,156 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...