বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
18 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (5,120 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,985 পয়েন্ট)

আজান’ শব্দটি কাউকে আহ্বান বা ঘোষণা করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। তার প্রমাণ মিলে কুরআনুল কারিমে। আল্লাহ তাআলা তাআলা আহ্বান বুঝাতে কুরআনে আজান শব্দের উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘হজের দিন আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পক্ষ থেকে মানুষের প্রতি এ এক আহ্বান বা ঘোষণা যে, আল্লাহর সঙ্গে অংশীবাদীদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং তাঁর রাসুলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৩)

আল্লাহ তাআলার ইবাদত-বন্দেগি ও হুকুম আহকাম পালনের জন্যই আজান দেয়া হয়। আজান দেয়ার কারণেই মুয়াজ্জিনের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। সুতরাং ইসলামে আজানের উপকারিতা ও মুয়াজ্জিনের মর্যাদা ও গুরুত্ব অনেক বেশি।

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন নবিগণ প্রথমে বেহেশতে প্রবেশ করবে; অতঃপর প্রবেশ করবে বাইতুল্লাহ শরীফের মুয়াজ্জিনগণ; অতঃপর বাইতুল মুকাদ্দিসের মুয়াজ্জিনগণ; অতঃপর আমার মসজিদের মুয়াজ্জিনগণ; অতঃপর দুনিয়ার মসজিদের মুয়াজ্জিনগণ জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (মিশকাত)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মুয়াজ্জিনের আজানের ধ্বনির শেষ সীমা পর্যন্ত সজীব ও নির্জীব সব বস্তু তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে ও সাক্ষ্য প্রদান করে।
ঐ আজানে শুনে যে ব্যক্তি নামাজে যোগ দিবে, সে ২৫ নামাজের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে। মুয়াজ্জিনও ঐ মুসল্লীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং তার দুই আজানের মধ্যবর্তী সব ছোট গোনাহ মাফ করা হবে।’ (নাসাঈ, মুসনাদে আহমদ, মিশকাত)হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘ইমাম হলেন দায়িত্বশীল আর মুয়াজ্জিন হলেন আমানতদার। হে আল্লাহ! আপনি ইমামদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন আর মুয়াজ্জিনদের ক্ষমা করে দেন।’ (মুসনাদে আহমদ, আবু দাউদ, তিরমিজি, মিশকাত)

হাদিসে পাকে আরো এসেছে, ‘কেয়ামতের দিনে লোকেরা পিপার্সত হয়ে পড়বে। আর মানুষ যখন পিপাসা-কাতর হয় তখন তার ঘাড় ভাঁজ ও খাটো হয়ে যায়। কিন্তু মুয়াজ্জিনগণ কেয়ামতের দিন পিপাসা-কাতর হবে না; তাই তাদের ঘাড় উর্ধ্বে উন্নত ও দীর্ঘ থাকবে।’

সুতরাং নামাজের ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আজান দিয়ে নামাজ আদায় করা উচিত। নামাজি একাকি হোক আর অনেক হোক নামাজের জন্য আজান দেয়া উত্তম। উল্লেখিত আয়াত ও হাদিসই এর প্রমাণ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আজান দিয়ে নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আর মুয়াজ্জিনদেরকে যথাযথ মর্যাদা ও উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।

0 টি পছন্দ
করেছেন (378 পয়েন্ট)

আজান হলো মানুষের দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ লাভে আল্লাহ তাআলার ফরজকৃত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান। নামাজের দিকে আহ্বান করা সবচেয়ে কল্যাণজনক কাজ। এ কাজের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে ইরশাদ করেন, ‘তার চেয়ে উত্তম কে আছে? যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে।’


আজানের শাব্দিক অর্থ হলো জানিয়ে দেয়া, আহ্বান করা, নামাজের জন্য আহ্বান করা, জামাআতে নামাজ আদায়ের প্রতি মানুষকে আহ্বানের উচ্চ আওয়াজই হলো আজান।


‘আজান’ শব্দটি কাউকে আহ্বান বা ঘোষণা করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। তার প্রমাণ মিলে কুরআনুল কারিমে। আল্লাহ তাআলা তাআলা আহ্বান বুঝাতে কুরআনে আজান শব্দের উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘হজের দিন আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পক্ষ থেকে মানুষের প্রতি এ এক আহ্বান বা ঘোষণা যে, আল্লাহর সঙ্গে অংশীবাদীদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং তাঁর রাসুলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৩)


আল্লাহ তাআলার ইবাদত-বন্দেগি ও হুকুম আহকাম পালনের জন্যই আজান দেয়া হয়। আজান দেয়ার কারণেই মুয়াজ্জিনের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। সুতরাং ইসলামে আজানের উপকারিতা ও মুয়াজ্জিনের মর্যাদা ও গুরুত্ব অনেক বেশি।


প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন নবিগণ প্রথমে বেহেশতে প্রবেশ করবে; অতঃপর প্রবেশ করবে বাইতুল্লাহ শরীফের মুয়াজ্জিনগণ; অতঃপর বাইতুল মুকাদ্দিসের মুয়াজ্জিনগণ; অতঃপর আমার মসজিদের মুয়াজ্জিনগণ; অতঃপর দুনিয়ার মসজিদের মুয়াজ্জিনগণ জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (মিশকাত)


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মুয়াজ্জিনের আজানের ধ্বনির শেষ সীমা পর্যন্ত সজীব ও নির্জীব সব বস্তু তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে ও সাক্ষ্য প্রদান করে।ঐ আজানে শুনে যে ব্যক্তি নামাজে যোগ দিবে, সে ২৫ নামাজের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে। মুয়াজ্জিনও ঐ মুসল্লীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং তার দুই আজানের মধ্যবর্তী সব ছোট গোনাহ মাফ করা হবে।’ (নাসাঈ, মুসনাদে আহমদ, মিশকাত)


হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘ইমাম হলেন দায়িত্বশীল আর মুয়াজ্জিন হলেন আমানতদার। হে আল্লাহ! আপনি ইমামদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন আর মুয়াজ্জিনদের ক্ষমা করে দেন।’ (মুসনাদে আহমদ, আবু দাউদ, তিরমিজি, মিশকাত)


হাদিসে পাকে আরো এসেছে, ‘কেয়ামতের দিনে লোকেরা পিপার্সত হয়ে পড়বে। আর মানুষ যখন পিপাসা-কাতর হয় তখন তার ঘাড় ভাঁজ ও খাটো হয়ে যায়। কিন্তু মুয়াজ্জিনগণ কেয়ামতের দিন পিপাসা-কাতর হবে না; তাই তাদের ঘাড় উর্ধ্বে উন্নত ও দীর্ঘ থাকবে।’


সুতরাং নামাজের ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আজান দিয়ে নামাজ আদায় করা উচিত। নামাজি একাকি হোক আর অনেক হোক নামাজের জন্য আজান দেয়া উত্তম। উল্লেখিত আয়াত ও হাদিসই এর প্রমাণ।


আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আজান দিয়ে নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আর মুয়াজ্জিনদেরকে যথাযথ মর্যাদা ও উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।


সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর
20 সেপ্টেম্বর "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
1 উত্তর

353,713 টি প্রশ্ন

447,819 টি উত্তর

140,242 টি মন্তব্য

188,383 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...