বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
27 জন দেখেছেন
"বিনোদন ও মিডিয়া" বিভাগে করেছেন (137 পয়েন্ট)
স্টেজে গান গাওয়ার অাগে কি খাওয়া ভালো হবে গলা ক্লিয়ারের জন্য" 

অার ভয়েস অারো সুন্দর করার জন্য নিয়মিত কি করলে ভালো হবে? 

অামি গান গাইতে চাই মাঝে মাঝে"

অামার সুর ভালো,  সবাই বলে তাই গান গাইতে চাই, এর অাগেও স্টেজে গাইছি। শিল্পী হতে পারব কিনা জানিনা 

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (6,242 পয়েন্ট)
আসলে গলা বা কণ্ঠ আল্লাহ্ প্রদত্ত ব্যাপার। কণ্ঠ কিছু যত্ন নিলে কণ্ঠ স্বাভাবিক থাকে। যেমনঃ মাঝে মাঝে গরম পানিতে একটু লবণ, লং, এলাচি, মিশিয়ে গড়গড়া করা, জষ্টিমধু চেবানো, অপরিষ্কার পরিবেশে না থাকা, সর্দি কাশি আসতে না দেওয়া। এছাড়া, নিয়মিত রেওয়াজ তো করতেই হবে। লেগে থাকুন, জয় আপনার হবে, ইনশাআল্লাহ্।
0 টি পছন্দ
করেছেন (433 পয়েন্ট)
কিছু উপায় অবলম্বন করে কণ্ঠকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখা যায়। পানির ব্যবহার: পানি ভোকাল কর্ডকে আদ্র রাখে এবং আদ্র ভোকাল কর্ড শুষ্ক ভোকাল কর্ড থেকে বেশি ব্যবহার করা যায়। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন, কমপক্ষে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। কর্ডের ব্যবহার: খেলা শুরুর পূর্বে যেমন প্রস্তুতি দরকার তেমন বক্তৃতার পূর্বে ভোকাল কর্ডের একইভাবে হালকা ব্যায়াম করা উচিত। প্রস্তুতি ছাড়া কোন কাজে নামা উচিত নয়। প্র্যাক্টিস করলে ভোকাল কর্ডের কণ্ঠের মান ও উপস্থাপনা সুন্দর হয়। কথা বলা বা গান গাওয়ার মাঝখানে দীর্গ শ্বাস- প্রশ্বাস নিলে কথা বলা, গান গাওয়াকে সুন্দর করে এবং ভোকাল কর্ডের অবসাদ হয়না। বক্তব্য বা উপস্থপনা বা বড় সমাবেশে বক্তৃতা দেয়ার সময় মাইক্রোফোন ব্যবহার করা উত্তম। ব্যায়াম বিশ্রাম: দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে কণ্ঠনালীকে বিশ্রাম দেয়া উচিত। যা কণ্ঠনালীর অবসাদ দূর করে এবং শক্তি ফিরিয়ে দেয়। নিজের কণ্ঠকে শুনুন এবং যদি কোন রকমের উপসর্গ থাকে বা পরিবর্তন লক্ষ্য করেন তাহলে যথাযথ যত্ন নিন। যদি দু'সপ্তাহের বেশী স্বর পরিবর্তন লক্ষ্যণীয় হয়, তাহলে নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এমন কিছু করবেন না যা কণ্ঠনালীর ক্ষতি হয়। নেশা ছেড়ে দিন: ধূমপান, এলকোহল পান, অতিরিক্ত গরম পানীয় পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ধূমপান কণ্ঠনালীর ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। ইহা ছাড়াও ধূমপান কণ্ঠনালীর প্রদাহ করে। জোরে জোরে বা পরিবর্তিত স্বরে কথা বলা উচিত নয়। জোরে কথা বললে বা কণ্ঠনালীর অপব্যবহার করলে কণ্ঠনালীতে সুক্ষ আঘাত হতে পারে। দূর হতে কাউকে ডাকতে হলে হাত তালি বা শীষ বা হাত নেড়ে অথবা লাইটের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। বড় খেলা উপভোগ করার সময় পছন্দের দলকে সাপোর্ট করার জন্য জোরে চিত্কার না করে পতাকা উড়ান বা ব্যানার লিখেন। সঠিক ভাবে ঘুমান ও কথা কম বলুন: তাই মাথা উচুঁ করে ঘুমাবেন, টাইট কাপড় পরে ঘুমানো যাবে না, হালকা ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করে ঘুমাবেন। খাবারের সাথে সাথে ঘুমানো বা ক্যাফেইন যুক্ত খাবার গ্রহণ করা বাদ দিতে হবে। গাড়ীতে ভ্রমণ বা ট্রেনে যাতায়তের সময় কণ্ঠনালীকে বিশ্রাম দিন। দৈনন্দিন কর্মকান্ডে ভোকাল কর্ডে চাপ পরে এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকবেন । মোবাইল ফোনে কথা বলতে সাবধানতা অবলম্বন করুন ।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর

341,101 টি প্রশ্ন

434,269 টি উত্তর

135,693 টি মন্তব্য

184,097 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...