বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
34 জন দেখেছেন
"খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে করেছেন (68 পয়েন্ট)

4 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (867 পয়েন্ট)
সুষম খাবার খেলে সু সাস্থের অধিকারী হওয়া যাবে।সবুজ শাকসবজি, মাছ,মাংস,দুধ,ডিম,ফলমূল পরিমিত পরিমানে খেতে হবে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (3,030 পয়েন্ট)

সঠিক ও পরিমিত আহার এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে আমরা শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন করতে পারি। আর মানসিক, আত্মিক এবং সামাজিক স্বাস্থ্য উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা সহজেই মানসিক চাপ বা টেনশন দূর করতে পারি। অর্থাৎ সঠিক ও পরিমিত আহার, ব্যায়াম এবং টেনশন কমানো কৌশলের মাধ্যমে জীবনধারা পরিবর্তন করে আমরা ‘সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন করতে পারি।

পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া যাবে : শাক - যেকোনো ধরনের শাক, যেমন- পুঁই শাক, ডাঁটা শাক, কলমি শাক, পালং শাক, লাল শাক, কচু শাক ইত্যাদি।
তরকারি : শসা, খিরাই, টমেটো, কাঁচা পেঁপে, লাউ, পটোল, করলা, উচ্ছে, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, ডাঁটা, ফুলকপি, পাতাকফি, মুলা, চালকুমড়া, ধুন্দুল, সজনে, বেগুন প্রভৃতি।
অন্যান্য খাদ্য : মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ধনে, জিরা ইত্যাদি পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া যাবে। প্রচুর পানি পান করুন।
প্রতিদিন খাবারের সাথে ভিটামিন সি গ্রহণ করা উচিত। এটা রোগপ্রতিরোধে অনেক উপকার করে। লেবু, কমলা, জাম্বুরা, আমলকী, পেয়ারা, কামরাঙ্গা, আমড়া ও তাজা শাক-তরকারিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি থাকে।
পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে ফল
পাকা কলা, আম, পাকা পেয়ারা, লিচু, কাঁঠাল, কমলা, আপেল, পাকা পেঁপে, তরমুজ, নাসপতি, আঙ্গুর, আনারস, তাল, পাকা বেল, বেদানা, মিষ্টি বরই, আতা ফল প্রভৃতি।
শস্য জাতীয় খাদ্য - ভাত, রুটি, মুড়ি, চিঁড়া, খৈ, নোডুলস, সুজি, সেমাই, বার্লি, সাগু, ভুট্টা, আলু ইত্যাদি।
প্রোটিন ও তেলসমৃদ্ধ খাদ্য
প্রাণী থেকে প্রোটিন জাতীয় খাদ্যÑ কম চর্বিযুক্ত গোশত, মাছ ও কুসুমছাড়া ডিম প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম খাওয়া যাবে।
উদ্ভিদ থেকে প্রোটিন জাতীয় খাদ্য
সব ধরনের ডাল, ছোলা, শিমের বিচি ও মটরশুঁটি এসব খাবার প্রতিবার খাবারের সময় ৩০ গ্রাম খাওয়া যাবে। মাছ, গোশত, ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্যের পরিবর্তেও এগুলো খাওয়া যাবে।
দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য
ননফ্যাট দুধ বা মাখন তুলে নেয়া দুধ অথবা এ দুধ থেকে তৈরি ননফ্যাট দধি ১০০ গ্রাম, ননফ্যাট গুঁড়াদুধ ১৫ গ্রাম অথবা ফ্যাটমুক্ত পনির ৩০ গ্রাম গ্রহণ করা যাবে।
উদ্ভিদ তেল ও তেলসমৃদ্ধ খাদ্য
এসব খাদ্য পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়। ক) বিভিন্ন ধরনের বাদাম-চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, কাজুবাদাম খ) বিভিন্ন উদ্ভিদ তেলÑ সয়াবিন তেল, সরিষার তেল, তিলের তেল, সূর্যমুখীর তেল, অলিভ অয়েল প্রভৃতি।
নিষিদ্ধ খাবারÑ
অধিক ফ্যাট ও কোলেস্টেরলসমৃদ্ধ খাদ্য
ঘি, মাখন, মগজ, কলিজা, চামড়া, বেশি চর্বিযুক্ত গোশত, যেমনÑ গরু, খাশি, শূকরের গোশত, ফুলক্রিম দুধ ও ফুলক্রিম দুগ্ধজাত দ্রব্য, ডিমের কুসুম, চিংড়ি মাছ ইত্যাদি বাদ দিতে হবে। এ খাবারগুলো রক্তের ফ্যাট ও কোলেস্টেরল বাড়িয়ে নানাবিধ সমস্যা সৃষ্টি করে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে চিনি, মিসরি, গুড়, গ্লুকোজ, রস, মধু, কোল্ডড্রিংকস বাদ দিতে হবে। ডায়াবেটিস না থাকলে সামান্য খাওয়া যাবে।
* এক সঙ্গে অতিরিক্ত আহার করলে নানাবিধ সমস্যা সৃষ্টি হয়। তাই বারবার অল্প আহার করুন। পেটের কিছু অংশ খাবার ও কিছু অংশ পানি দিয়ে পূর্ণ করুন এবং কিছু অংশ ফাঁকা রেখে আহার শেষ করুন।
ব্যায়াম : বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম আছে; যেমন- অ্যারোবিক ব্যায়াম, অ্যানএরোবিক ব্যায়াম, স্ট্রেচিং ব্যায়াম ইত্যাদি। এক-একটির কার্যকারিতা এক এক রকমের।
অ্যারোবিক ব্যায়াম: হাঁটা, জগিং, দড়ি লাফানো, সাইকেল চালনা, সাঁতার কাটা, নাচা ইত্যাদি। এ ব্যায়ামকে ব্যায়ামের রাজা বলে। এ ব্যায়ামের ফলে শরীরের রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। ফলে খাদ্যের সারাংশ, অক্সিজেন, হরমোন, অ্যান্টিবডি ইত্যাদি প্রয়োজনীয় পদার্থ আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ও জীবকোষে ভালোভাবে পৌঁছে যায় এবং আমাদের সবল, কর্মক্ষম ও রোগমুক্ত করে। তবে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক চিকিৎসায় হার্ট বা শরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম করা উচিত।

এভাবে সঠিক ও পরিমিত আহার এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে।

0 টি পছন্দ
করেছেন (309 পয়েন্ট)
োগা মানুষদের একটা ব্যাপার আছে, যা আমি খুব হিংসা করি। তারা অনেক কিছু খায় কিন্তু মোটা হয় না। স্বাস্থ্যহীন মানুষদের স্বাস্থ্য বানাতে হলে যে ধরণের খাবার খেতে হবে, তার কিছু উদাহরণ দিচ্ছি- সাগর কলা দিয়ে বানানো মিল্ক শেক, সকালের নাশতায় ব্রেডে মাখনের বদলে পিনাট বাটার, ভাতের সাথে ঘন ডাল, গরু মাংস খেলে রগের টুকরা খেতে হবে, সিদ্ধ ডিম খেতে হবে প্রতিদিন ২টা করে। বাজারে স্বাস্থ্য বাড়ানোর জন্য কিছু পাউডার ড্রিংক্স পাওয়া যায়। সেগুলো যদি খান তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। তবে যাই খান না কেন, ব্যায়াম নিয়মিত করবেন।বিস্তারিত্ ** http://www.google.com/url?q=http://www.beshto.com/questionid/517&sa=U&ved=2ahUKEwiKksnWlc7kAhU-8HMBHWjOBlEQFjABegQICRAB&usg=AOvVaw2BMtZ8chq67K-08el24BJ9
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,380 পয়েন্ট)

নিম্নে একটি চিত্র দেওয়া হলোfood.pdf (0,3 MB)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
1 উত্তর
08 জুলাই 2017 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Rahat mahmud (40 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
21 ফেব্রুয়ারি 2016 "খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মন মাঝি (68 পয়েন্ট)

342,997 টি প্রশ্ন

436,109 টি উত্তর

136,433 টি মন্তব্য

184,786 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...