বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
23 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (69 পয়েন্ট)
বিভাগ পূনঃনির্ধারিত করেছেন

3 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (916 পয়েন্ট)
জাহান্নামের শাস্তি খুবই ভয়াবহ । .এখানে সাপ ও বিচ্ছু দংশন করবে । .বড় বড় কাঁটাযুক্ত ফল খাবার হিসেবে দেওয়া হবে । .পান করার জন্য পুঁজ, ঘাম দেওয়া হবে । .সূর্য মাথার নিকটেই থাকবে । .আগুনে নিক্ষেপ করা হবে ইত্যাদি । .এখানে মানুষের মৃত্যু হবে না ।
0 টি পছন্দ
করেছেন (3,082 পয়েন্ট)

জাহান্নামের সবধরনের আজাবের কথা বলাও ধারণা করা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়৷ তবে কোরান হাদিস এর আলোকে আমি অল্প একটু আলোচনার চেষ্টা করছি!

জান্নাত ও জাহান্নাম। দুই পথ। দুই পরিণাম। দুই বাসস্থান। নেককারদের জান্নাতের বিপরীতে অসৎ কর্মশীলদের জন্যে রয়েছে জাহান্নাম।

জাহান্নামের স্তর সাতটি। অন্যায় ও জুলুমের স্তর বিবেচনা করে অপরাধীদের পাঠিয়ে দেওয়া হবে উপযুক্ত স্থানে। টেনে নেওয়া হবে মাথার চুল ধরে। পুলসিরাতের ওপর চলতে গিয়ে জাহান্নামিরা একে একে পরতে থাকবে ক্বারার তথা স্বীয় অবস্থানস্থলে। তন্মধ্যে যাদের অন্তরে বিন্দু পরিমাণ ঈমান আছে, নির্দিষ্ট পরিমাণে শাস্তি ভোগ করার পর তারা আসবেন জান্নাতে। আর নাস্তিক, মুরতাদ কিংবা অবিশ্বাসীরা অনন্তকালের জন্যে থেকে যাবে ওখানেই। আল্লাহতায়ালা আগুনের থাম দিয়ে তাদের বাসস্থানকে এমনভাবে চারদিক থেকে আবদ্ধ করে দেবেন, যেন তিনি তাদের ভুলে গেছেন। কিন্তু অভ্যন্তরে যথারীতি চলতে থাকবে তাদের কৃতকর্মের ফলাফল। 

জাহান্নামিদের শাস্তির বর্ণনা দিতে গিয়ে কোরআনে কারিমে বারবার বলা হয়েছে- ‘নার’ তথা আগুন। যে আগুনের তীব্রতা গায়ের চামড়া খসিয়ে দেবে পুরোপুরি, পরক্ষণেই তা আবার পুনরায় পূর্বের রূপে ফিরে যাবে। আবারও আগুন তা খসিয়ে দেবে। তাদের আঘাত করা হবে আগুনের মুগুর দিয়ে। 

এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘কখনও না! তারা নিক্ষিপ্ত হবে হুতামায়। তুমি কি জানো হুতামা কি? (তা তো হলো) আল্লাহর প্রজ্বলিত আগুন। যা অন্তরসমূহকে গ্রাস করে। তা তাদেরকে বেষ্টন করে রাখবে। অতি উঁচু স্তম্ভসমূহে।’ -সূরা হুমাযাহ: ৪-৯

কোরআনে জাহান্নামের পানি আর ছায়ার বর্ণনাও রয়েছে। তার ধরণ হলো- তারা পানি চাইলে দেওয়া হবে গলিত সীসা আর ছায়া হবে উত্তপ্ত। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তারা থাকবে অতি উষ্ণ বাতাস ও গরম পানিতে। ছায়া হবে উত্তপ্ত।’ -সূরা ওয়াকিয়া: ৪২-৪৩

কোরআনের বর্ণনায় উঠে এসেছে এমন আরও বহুবিধ শাস্তির কথা। আর এসব বর্ণনার মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা চেয়েছেন প্রিয় বান্দাদের সতর্ক করতে।

সহিহ বোখারি ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘জাহান্নাম তার রবের কাছে অভিযোগ করলো- আমার এক অংশকে অপর অংশ খেয়ে ফেলছে। তখন রাব্বে কারিম তাকে দু’বার শ্বাস নেওয়া অনুমতি দিলেন। একবার গ্রীষ্মকালে, আরেকবার শীতকালে। তোমরা গরমের যেই প্রচণ্ডতা অনুভব করো- তা জাহান্নামের উত্তপ্ততা থেকে আর শীতের যে তীব্রতা অনুভব করো; তা জাহান্নামের শীতলতা (যামহারির) থেকে।’ –সহিহ বোখারি ও মুসলিম

বর্ণিত হাদিস দ্বারা বুঝা যায়- জাহান্নামের শাস্তিসমূহ থেকে শীতলতাও এক ধরণের শাস্তি। কিন্তু জান্নাতের আনন্দদায়ক অনুভূতি যেমন শোনেনি কোনো কান, দেখেনি কোনো চোখ, কল্পনা করেনি কোনো অন্তর, তেমনি জাহান্নামের শাস্তির কণা পরিমাণও দুনিয়াতে আমরা অনুভব করতে পারবো না। বস্তুত জাহান্নামের শাস্তির ভয়াবহতা মানুষের ধারনার বাইরে। 

এবার আসুন....জাহান্নামের ব্যাপারে নবি (সঃ) ও সাহাবাদের (রাঃ) ভয়ার্ত কিছু অবস্থার কথা শুনোন, পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ, নবি রাসূলদের সর্দার, যার পূর্বাপর সবকিছু আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে রেখেছেন, যিনি ছিলেন শতভাগ নিষ্পাপ একজন মানুষ, আমাদের প্রিয় নবি মুহাম্মদ (সঃ) জাহান্নামে আল্লাহর আযাবের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত থাকতেন। আল কুরআনুল কারিমে এসেছে, আপনি বলুন, যদি আমি আমার প্রতিপালকের অবাধ্য হই তাহলে নিশ্চয়ই আমি পরকালের মহা শাস্তিকে ভয় করি। (সূরা আনআম, আয়াত ১৫) উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রাঃ) জাহান্নামের আগুনের কথা স্মরণ করে প্রচুর কান্নাকাটি করতেন। কায়েস ইবনে হাজেম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। একবার আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা তাঁর স্ত্রীর কোলে মাথা রেখে শুয়ে ছিলেন। অতঃপর তিনি কান্না করতে লাগলেন । তাঁর স্ত্রীও কান্না করতে লাগলেন। আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তুমি কান্না করছো কেন ? তাঁর স্ত্রী বললেন, আমি আপনাকে কান্না করতে দেখে কান্না করছি। তিনি বললেন, আমি আল্লাহর কথা স্মরণ করে কাঁদছি। তিনি বলেছেন, নিশ্চয়ই তোমাদের প্রত্যেককেই জাহান্নাম অতিক্রম করে যেতে হবে। আমি জানিনা আমরা তা থেকে মুক্তি পাবো কিনা ? (হাকিম) আমিরুল মুমিনিন ওমর (রাঃ) সব সময় জাহান্নামের ভয়ে অস্থির থাকতেন। তিনি প্রায়শই বলতেন, যদি আকাশ থেকে কোন ঘোষক ঘোষণা করে, হে মানব মন্ডলী ! তোমাদের মধ্যে একজন লোক ছাড়া তোমরা সকলেই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাহলে আমি ভয় পাই যে ঐ একজন আমি হয়ে যাই। আর যদি কোন ঘোষক আকশ থেকে ঘোষণা করে, হে মানব মন্ডলী ! তোমাদের মধ্যে একজন লোক ছাড়া তোমরা সকলেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে। তাহলেও আমি ভয় পাই যে ঐ একজন আমি হয়ে যাই। (আবু নুয়াইম) একবার ওমরা (রাঃ) আযাবের আয়াত তেলাওয়াত করে এত কাঁদলেন যে তিনি অসুস্থ্য হয়ে পড়লেন। একদা আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) কামারের দোকানে আগুন দেখে কাঁদতে লাগলেন। মোয়াজ ইবনে জাবালও (রাঃ) জাহান্নামের ভয়ে অনেক বেশি কান্নাকাটি করতেন। একদা আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) জাহান্নামীদের পানি চাওয়ার কথা স্মরণ করে উচ্চ স্বরে কাঁদতে লাগলেন। সাঈদ ইবনে যোবাইর (রাঃ) জাহান্নামের স্মরণ করে কখনো হাসতেন। একবার হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ সাঈদ ইবনে যোবায়ের (রাঃ) কে বিস্ময়ের সাথে জিজ্ঞেস করলেন, আমার কাছে এ সংবাদ পৌঁছেছে যে, আপনি কখনো হাসেন না ! কেন ? তিনি তাকে বললেন, আমি কি করে হাসতে পারি অথচ জাহান্নামকে উদ্দিপিত করা হয়েছে, বেড়িগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে আর আযাবের ফেরেশতারাও পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে আছেন। (সাফওয়াতুস সাফওয়াহ)

জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া হবে কোন বান্দার জন্য সবচেয়ে সেরা সফলতা। তাই আমাদেরকে সর্বদা পাপের কাজ ত্যাগ করা প্রয়োজন। পূর্ণাঙ্গ বিশ্বাস, রাসূল (সঃ) এর দেখানো পদ্ধতিতে এবং ইখলাছের সাথে আমাদেরকে মৃত্যু পর্যন্ত ইবাদাত করে যেতে হবে। প্রতিদিন আল্লাহ তায়ালার কাছে জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য কান্নাকাটি করতে হবে। তাঁর কাছে মহা সুখের স্থান জান্নাত চাইতে হবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে তৌফিক দান করুন! আমিন!

0 টি পছন্দ
করেছেন (6,073 পয়েন্ট)

জাহান্নাম হলো, এমন আগুনের নাম যেখানে আল্লাহ তায়ালা কাফির ও পাপী তথা মন্দ লোকদেরকে তাদের কৃতকর্মের ফলাফল হিসেবে নিরন্তর শাস্তি প্রদান করবেন। জাহান্নামের অধিকাংশ শাস্তিই আগুনের বা আগুন কেন্দ্রীক তাই জাহান্নামকে আন নার নামে নামকরণ করা হয়েছে।

জাহান্নাম মানেই হলো শাস্তি আর শাস্তি। যেখানে অনবরত ও অফুরন্ত শাস্তি চলতেই থাকবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যারা তাদের প্রতিপালকের আয়াতসমূহে অবিশ্বাস করেছে তাদের জন্য রয়েছে অতিশয় যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” (সূরা জাছিয়া, আয়াত নং ১১)

জাহান্নামে সাতটি দরজা রয়েছে। নিজ নিজ পাপের পরিধি বা পরিমাণ অনুসারে জাহান্নামীরা নির্দিষ্ট দরজা দিয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয়ই জাহান্নাম তাদের সকলের নির্ধারিত স্থান। তার সাতটি দরজা রয়েছে। প্রত্যেকটি দরজার জন্য তাদের মধ্য থেকে পৃথক পৃথক দল রয়েছে।” (সূরা হিজর, আয়াত নং ৪৩, ৪৪)

জাহান্নামের সর্ব নিম্নস্তরে সর্বাধিক কঠিন আযাব হবে আর উপরের স্তরে হালকা আযাব হবে। আব্বাস ইবনে আবদুল মোত্তালিব (রা) রাসূল (স) কে বলেন: আবু তালিবকে তার কোনো কাজ উপকার দিবে কী? তিনি তো আপনাকে রক্ষণাবেক্ষণ করতেন, আপনার জন্য অন্যের উপর রাগান্বিত হতেন। রাসূল (স) বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি জাহান্নামের উপরের স্তরে থাকবেন। যদি তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ না থাকতো তাহলে তিনি জাহান্নামের সর্ব নিম্নস্তরে থাকতেন। জাহান্নামের সাতটি স্তরের নাম হলোঃ জাহান্নাম, সাইর, হুতামাহ, লাযা, সাকার, জাহিম এবং হাবিয়াহ।

জাহান্নামীদেরকে দূর থেকে আসতে দেখে জাহান্নাম রাগে ও ক্রোধে এমন আওয়াজ করবে যে তা শুনে কাফের ও পাপীরা অজ্ঞান হয়ে যাবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যখন জাহান্নাম তাদেরকে দূর থেকে দেখতে পাবে তখন তারা জাহান্নামের গর্জন ও হুঙ্কার শুনতে পাবে।” (সূরা ফুরকান, আয়াত নং ১২)

আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন, “যখন তাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে তখন তারা জাহান্নামের গর্জন শুনতে পাবে যেন সে উিক্ষপ্ত হচ্ছে। জাহান্নাম ক্রোধে ফেটে পড়ার উপক্রম হবে।” (সূরা মুলুক, আয়াত নং ৭,৮)

জাহান্নামের আগুনকে প্রজ্জ্বলিত করার জন্য আল্লাহ তায়ালা এমন ফেরেশতা নির্ধারণ করে রেখেছেন যারা অত্যন্ত রুক্ষ, নির্দয় ও কঠোর স্বভাব সম্পন্ন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদেরকে ও তোমাদের পরিবার পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর, তাতে নিয়োজিত থাকবে এমন ফেরেশতা যারা অত্যন্ত কঠোর ও রুক্ষ, তারা আল্লাহ যা আদেশ করেছেন কখনো তা লঙ্ঘন করেন না আর আদিষ্ট বিষয় করাই তাদের একমাত্র কাজ।” (সূরা আততাহরীম, আয়াত নং ০৬)

জাহান্নামের আযাব দেখামাত্রই কাফের ও পাপীদের চেহারা কালো হয়ে যাবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর যারা পাপসমূহ উপার্জন করেছে তাদের জন্য সমপরিমাণ অকল্যাণ রয়েছে। অপমান তাদেরকে আবৃত করে ফেলবে, আল্লাহর হাত থেকে তাদেরকে রক্ষা করার মতো কেউ থাকবে না। যেনো তাদের চেহারাগুলোকে একটুকরো মেঘের গাঢ় অন্ধকার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এরাই জাহান্নামের অধিবাসী, আর তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে। (সূরা ইউনুছ, আয়াত নং ২৭)

জাহান্নামীদের শরীরের চামড়া যখন পুড়ে যাবে তখন সাথে সাথে নতুন চামড়া লাগিয়ে দেওয়া হবে যেনো আযাবের ধারাবাহিকতায় কোনো বিরতি না ঘটে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয়ই যারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে অচিরেই আমি তাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবো, যখনই তাদের চামড়া জ্বলে যাবে তাদেরকে ভিন্ন চামড়া দিয়ে পরিবর্তন করে দিবো যাতে করে তারা পরিপূর্ণভাবে আযাব অনুভব করতে পারে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা মহাপরাক্রমশালী এবং প্রজ্ঞাময়।” (সূরা নিসা, আয়াত নং ৫৬)

জাহান্নামের আযাবে অসহ্য হয়ে জাহান্নামীরা মৃত্যু কামনা করতে থাকবে কিন্তু তাদের আর কখনো মৃত্যু হবে না। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ”আর যখন তাদেরকে জাহান্নামের অতি সংকীর্ণ স্থানে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তারা মৃত্যুকে ডাকতে থাকবে, তাদেরকে বলা হবে আজকে তোমরা এক মৃত্যুকে ডেকো না বরং অনেক মৃত্যুকে ডাকো।” (সূরা ফুরকান, আয়াত  নং ১৩, ১৪)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
03 সেপ্টেম্বর "ফাতাওয়া-আরকানুল-ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Rana Khan835 (69 পয়েন্ট)
1 উত্তর

331,849 টি প্রশ্ন

422,684 টি উত্তর

131,330 টি মন্তব্য

181,183 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...