বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
18 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
গত কয়েকদিন ধরে একা বসে বসে অনেক অনেক করে আল্লাহকে বলছি আল্লাহ আপনার কোনো অলৌকিক একটা ছোটো একটা নিদর্শন দেখান,তাহলে আমি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ব,কুরআন পড়ব,নফল এবাদত করব,নারীদের তাকানো থেকে বিরত থাকব,গান বাজনা ছেড়ে দিব,যাদের হক নষ্ট করছি আদায় করে দিবো,ইসলামের দাওয়াত দেবো। অনেক অনেক বলছি বলতে বলতে এখন বুকেও ব্যাথা হচ্ছে তবে লাভ হচ্ছে না এখন নামাজ একদমই পড়তে পারছি না আগে পড়তাম এখন একদমই পারছি না,মনে হচ্ছে আল্লাহ আমাকে মাফ করেন নি তাই দোয়া কবুল হয় না।খুব খারাপ লাগছে। এখন মনে মনে ওয়াসওয়াসা আসছে আল্লাহ আমাকে জাহান্নামে এমনিতেই দিবে,আমি অনেক গুনাহ করছি মাফ করা হবে না কারণ আমার দোয়া কবুল হয় না ইত্যাদী ইত্যাদী।

1 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (10,409 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
মানুষকে কখনো কখনো গাফলতি পেয়ে বসে তখন তার ঈমান দুর্বল হয়ে যায়। এর প্রতিকার হচ্ছে অধিক পরিমাণে ইসতিগফার করা, সর্বদা আল্লাহর যিকির করা, বুঝে বুঝে ও স্থিরমনে কুরআন তেলাওয়াত করা, কুরআন অনুযায়ী আমল করা। এর মাধ্যমে অন্তরের গাফলতি দূর করা যাবে, অন্তরকে সজাগ রাখা যাবে। সুতরাং অধিক হারে নেকির কাজ করুন।

ঈমানী দুর্বলতার অনেকগুলো কারণ আছেঃ

এক: আল্লাহর নাম ও গুণাবলী সম্পর্কে অজ্ঞতা ঈমানের কমতি অবধারিত করে দেয়। কারণ যে মানুষ আল্লাহর নাম ও গুণাবলি জানে না তার ঈমানে ঘাটতি থাকে।

দুই: আল্লাহর কাউনি (চিরায়ত) ও শরয়ি নিদর্শন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা না করা। এর ফলে ঈমানের কমতি ঘটে। নিদেনপক্ষে এর ফলে ঈমানে জড়তা আসে, ঈমান বৃদ্ধি পায় না।

তিন: গুনাহতে লিপ্ত হওয়া। কারণ মানুষের অন্তর ও ঈমানের উপর গুনাহর অনেক নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম বলেছেন: কোন যিনাকারী যখন যিনা করে তখন তার ঈমান থাকে না। (সহিহ বুখারি ২৪৭৫ ও সহিহ মুসলিমঃ ৫৭)

চার: আল্লাহর আনুগত্য ত্যাগ করা। কারণ আল্লাহর আনুগত্য ত্যাগ ঈমানে কমতির কারণ।

তাই আল্লাহ তায়ালার হুকুম মেনে বেশি পরিমাণে কুরআন তেলাওয়াত করুন। কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আপনার অন্তরে যা কিছুর উদ্ভব ঘটে সেগুলো দূর হয়ে যাবে।

আল্লাহ তাআলা বলেন: আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা নিরাময়কারী এবং মুমিনের জন্য রহমত। (সূরা ইসরা, আয়াত: ৮২)

নামাজ পড়ে বেশি বেশি আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যে, হে আল্লাহ! আপনি ঈমানকে আমাদের নিকট প্রিয় করে দিন এবং ঈমানকে আমাদের অন্তরে সুশোভিত করে দিন। কুফর, পাপাচার ও আপনার অবাধ্যতাকে আমাদের নিকট অপছন্দনীয় করে দিন এবং আমাদেরকে সুপথপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন।
সাবির ইসলাম অত্যন্ত ধর্মীয় জ্ঞান পিপাসু এক জ্ঞানান্বেষী। জ্ঞান অন্বেষণ চেতনায় জাগ্রতময়। আপন জ্ঞানকে আরো সমুন্নত করার ইচ্ছা নিয়েই তথ্য প্রযুক্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন নিজে জানতে এবং অন্যকে জানাতে। লক্ষ কোটি মানুষের নীরব আলাপনের তীর্থ ক্ষেত্রে যুক্ত আছেন একজন সমন্বয়ক হিসেবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
31 মার্চ 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Injamamul Islam (9,490 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
1 উত্তর
3 টি উত্তর

351,762 টি প্রশ্ন

445,804 টি উত্তর

139,732 টি মন্তব্য

187,736 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...