বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
99 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (524 পয়েন্ট)
*এক ব্যক্তি সামর্থ্য এবং সুযোগ থাকা সত্ত্বেও খারাপ কাজ থেকে বিরত থেকেছে। *আর এক ব্যক্তি খারাপ কাজের পর অন্তর থেকে বিশুদ্ধভাবে আল্লাহর কাছে তওবা করেছে। এখন আপনার মতে, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কে এবং আপনি কোন ব্যক্তির মতো হতে চান?

4 উত্তর

+2 টি পছন্দ
করেছেন (2,148 পয়েন্ট)

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যার অনুগ্রহে আমি/আপনি/আমরা এখনো সুস্থ্য৷এবং অসংখ্য দরূদ রাসুল সাঃ এর উপর৷ 

আপনার প্রশ্নের দুটি দিক,এক-দু'ব্যাক্তির মাঝে কে আল্লাহর নিকট প্রিয়?

দুই-আমি কেমন বা কার মতো হতে চাই?

আমি প্রথম প্রশ্নটির উত্তরটি আগে দিতে চাই!কারণ এতে আমারও মত রয়েছে৷ ★আমি হতে চাই দ্বিতীয় ব্যাক্তি/তাওকারীদের অন্তর্ভুক্ত! কেন?কারণ -আমি নিঃসন্দেহে গোনাহগার এবং আমি সৎ পথের অনুসন্ধানকারীও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাসী৷ 

ইবনুল কাইয়্যেম (রহঃ) "আল-জাওয়াব আল-কাফী" গ্রন্থে (পৃষ্ঠা-১৬৫) বলেন: ন্যায্যতা ও অনুগ্রহ নির্ভর আল্লাহ্‌ তাআলার হেকমত হচ্ছে যে, "গুনাহ থেকে তাওবাকারী যেন ঐ ব্যক্তির ন্যায় যার গুনাহ নেই"।

অতএব-আমি দোয়াপ্রার্থী আমি যেন পরিপূর্ণরূপে তাওবা করে ঈমান নিয়ে আল্লাহর কাছে যেতে পারি৷ 

এবার প্রথম উত্তর -হ্যা!নিশ্চয় ঐব্যাক্তি আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় যে আল্লাহর ভয়ে সামর্থ্য থাকা সত্বেও গোনাহ থেকে বিরত থাকে!এব্যাপারে এবং দ্বিতীয় ব্যাক্তি /তাওবাহকারীর ব্যাপারেও আল্লাহ তায়ালার এই বাণীতে ফুটে উঠেছে! 

আল্লাহ তায়ালা বলেন-

তোমরা তোমাদের প্রভুর ক্ষমা ও সেই জান্নাত লাভের চেষ্টা কর যার বিশালতা আসমান ও জমিনের মত। মোত্তাকীদের জন্য তা প্রস্তুত করা হয়েছে; যারা সুদিন ও দুর্দিনে (আল্লাহ্‌র পথে) ব্যয় করে এবং যারা ক্রোধ সংবরণকারী ও মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল। আল্লাহ্‌ মুহ্‌সিনদেরকে ভালবাসেন। এবং যারা কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা নিজেদের প্রতি জুলুম করে ফেললে আল্লাহ্‌কে স্মরণ করে এবং নিজেদের পাপের জন্য ক্ষমা চায়। আল্লাহ্‌ ছাড়া পাপ ক্ষমা করবে কে? আর তারা যা করে ফেলে, জেনে-বুঝে তারা তা পুনঃপুনঃ করতে থাকে না। এমন লোকদের প্রতিদান হচ্ছে তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে ক্ষমা আর এমনসব জান্নাত যার তলদেশ দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়। সেখানে তারা চিরকাল বাস করবে। সৎকর্মশীলদের এই প্রতিদান কতই না উত্তম!"[সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৩৩-১৩৬]

এখানে আল্লাহ তায়ালা সুসংবাদ দিলেন মুত্তাকিনদের জন্য, যারা আল্লাহর ভয়ে গোনাহ থেকে বিরত থাকে ও সৎকর্ম করে!তবে একই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা তাওবাকারীদেরও নিরাশ করেনি৷ 

সুতরাং বলা যায়,আল্লাহর কাছে দুই ব্যাক্তির মধ্যে প্রথমব্যাক্তি বেশি প্রিয় কিন্তু দ্বিতীয় ব্যাক্তিও কম নয়!

এব্যাপারে আরো একটি হাদিসের অংশ উল্লেখ করছি-হযরত আবু হোরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত,রাসুল সাঃ বলেন-জান্নাতে সাত শ্রেণীর লোক আরশে ছায়া পাবে।তারমধ্যে একজন হলো,এমন ব্যক্তি, যাকে কোনো সুন্দরী নেতৃস্থানীয়া রমণী মন্দকাজের জন্যে ডেকেছে, কিন্তু সে তার ডাক প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, আমি আল্লাহকে ভয় করি।(হাদিসের একাংশ)।বোখারীও মুসলিম৷

(পরিশেষেঃ-নবী-রাসুল ছাড়া কোন ব্যাক্তি গোনাহ থেকে মুক্ত নয়,তবে যে মুত্তাকী সে গোনাহ হওয়া মাত্রই ফিরে আসে এবং সামনে বিরত থাকে!! 

আল্লাহ আমাদের তাওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন৷ 


+1 টি পছন্দ
করেছেন (3,533 পয়েন্ট)

প্রথম ব্যক্তিই আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। কারণ প্রথম ব্যক্তি গুনাহের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকওয়া বা আল্লাহভীতির কারণে গুনাহ থেকে বিরত থেকেছে। আর তাকওয়াবান ব্যক্তিকে আল্লাহ বেশি পছন্দ করেন। মহান আল্লাহ বলেনঃ-

সূরা আল হুজুরাত (الحجرات), আয়াত: ১৩


يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَٰكُم مِّن ذَكَرٍ وَأُنثَىٰ وَجَعَلْنَٰكُمْ شُعُوبًا وَقَبَآئِلَ لِتَعَارَفُوٓا۟ إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ ٱللَّهِ أَتْقَىٰكُمْ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ

অর্থঃ হে মানব, আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে-ই সর্বাধিক সম্মানিত যে সর্বাধিক তাকওয়াবান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন।

তাই আমি প্রথম ব্যক্তির মত হতে চাই।


করেছেন (292 পয়েন্ট)
২য় ব্যক্তির কি হবে??? আমার উত্তর তো ২য় ব্যক্তি হবে।
করেছেন (3,533 পয়েন্ট)
আমার যা মনে হলো তাই বললাম।
করেছেন (292 পয়েন্ট)
আমি তো বলি নি আপনি ভুল।
0 টি পছন্দ
করেছেন (333 পয়েন্ট)
১ম ব্যক্তিই প্রীয় হবে। আর আমি ১ম ব্যাক্তির মতই হতে চাই।
0 টি পছন্দ
করেছেন (483 পয়েন্ট)
"আল্লাহ গাফফার" তিনি সকলেই ক্ষমা করেন।১ম ব্যাক্তি মতনই ২য় লোক তিনি তো বিশুদ্ধভাবে ক্ষমা চেয়েছেন। তাহলে অবশ্যই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। তাই আল্লাহর কাছে দুজনই প্রিয়।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

7 টি উত্তর
20 এপ্রিল 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন salehahmed (labib) (19,049 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
30 মার্চ 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন salehahmed (labib) (19,049 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর

322,102 টি প্রশ্ন

412,494 টি উত্তর

127,737 টি মন্তব্য

177,465 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...