বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
16 জন দেখেছেন
"হাজ্জ" বিভাগে করেছেন (3,037 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (28 পয়েন্ট)
জিলহজ্ব মাসের ১০ এবং ১১ এবং কমপক্ষে ১২ তারিখের রাত মীনায় যাপন করা ওয়াজিব,কেউ যদি তা পালন না করে তাহলে তাকে কাফফারা দিতে হবে,আর তাহল একটি অতিরিক্ত কোরবানী করা। তবে যদি তার মীনায় থাকার কোন ব্যবস্থা না থাকে তাহলে তার সুবিধাজনক স্থানে সে রাত্রি যাপন করবে আর সেটা অবশ্যই মীনার আসেপাশে হতে হবে, এবং এর ফলে তার কোন কাফফারা লাগবে না।
0 টি পছন্দ
করেছেন (8,934 পয়েন্ট)
মিনায় কি কারনে অবস্থান করেন নি।

(১) সম্পদ নষ্ট হওয়ার ভয় ছিল কি?

(২) নিজের জানের নিরাপত্তার অভাববোধ করছিল কি?

(৩) এমন অসুস্থতা যে অবস্থায় মিনায় রাত্রি যাপন করলে তার কষ্ট বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল কি?

(৪) অথবা এমন রোগী সাথে থাকা যার সেবা-শুশ্রুষার জন্য মিনার বাইরে থাকা প্রয়োজন ছিল কি?

(৫) অসুস্থ ব্যক্তির সেবায় নিয়োজিত ছিল কি?

মালেকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাবসহ অধিকাংশ বিজ্ঞ উলামাদের মতে মিনায় রাত্রিযাপন ওয়াজিব।

১০ ও ১১ই যিলহজ্জ দিবাগত রাতগুলোতে মিনায় থাকা ওয়াজিব। ১২ই যিলহজ্জ তারিখে পাথর নিক্ষেপ শেষে সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করতে না পারলে ঐ তারিখের দিবাগত রাতেও মিনায় থাকা ওয়াজিব হয়ে যায়।

আর বিনা ওজরে এটি ছুটে গেলে দম দিতে হবে।

তবে হানাফী মাযহাবে এটা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। আর এ সুন্নাত ছুটে গেলে দম দেয়া লাগে না।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
21 জানুয়ারি "হাজ্জ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নীল মেঘ ১৪৩ (57 পয়েন্ট)

331,478 টি প্রশ্ন

422,285 টি উত্তর

131,125 টি মন্তব্য

181,099 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...