বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
16 জন দেখেছেন
"বাংলা দ্বিতীয় পত্র" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

আমাকে কর্মমুখী শিক্ষা রচনাটির  প্যারা/পয়েন্ট দুুইটি লিখে দিন।

নিচের প্যারা নাম দুইটি দিলাম:

  • কর্মমুখী শিক্ষায় সরকারি সুবিধা 
  • কর্মমুখী শিক্ষার নেতিবাচক দিক

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (17,359 পয়েন্ট)
কর্মমুখী শিক্ষায় সরকারি সুবিধাঃকর্মমুখী ও ব্যবহারিক শিক্ষার শক্তিই হচ্ছে উন্নয়ন ও জাতি গঠনের আসল শিক্ষা। জাতীয় জীবনে অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি শিক্ষা। হাতে-কলমে শিক্ষাই হচ্ছে একটা জাতির উন্নতির চাবিকাঠি। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও পিপিআরসি-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থার নিশ্চয়তায় এখন কী ধরনের শিক্ষা প্রয়োজন সেদিকে নজর দেয়ার সময় এসেছে। কর্মসংস্থানের চাহিদা ও শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে একটি জাতীয় সমন্বয় প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে সমন্বিত একটি নীতিমালার আলোকে শিক্ষালয় স্থাপনের অনুমোদন ও তা সম্প্রসারণ অব্যাহত রাখা জরুরি। সেই সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগতমান নিশ্চিত করতে হবে।কর্মমুখী ও বাস্তব জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষায় প্রশিক্ষিত মানুষজন মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠে সমৃদ্ধ দেশ ও উন্নত জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে। আর এতে সরকার লাভবান হবেন,দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকবে। তবে এক্ষেত্রে সরকারকে লোককে কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানের যথাযথ ব্যবস্থা করা আবশ্যক।সামগ্রিক দিক বিবেচনা করে সরকারের উচিৎ এমন পরিকল্পিতভাবে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো যাতে বাজারের চাহিদানুযায়ী দক্ষ লোক বের হয়। বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য দরকার বৃত্তিমূলক শিক্ষায় শিক্ষিত লাখ লাখ কর্মঠ, উদ্যোগী যুবক। কৃষিতে, কুটিরশিল্পে, বৃহৎশিল্পে সর্বত্র উৎপাদন ও সেবার মান বৃদ্ধি এবং উন্নয়নের জন্য চাই বৃত্তিমূলক শিক্ষা। আজকের পৃথিবীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের দেশগুলো এবং এশিয়ার চীন, জাপান, কোরিয়া, মালয়েশিয়া উন্নতি লাভ করেছে বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমেই। উন্নত বিশ্বের জনসাধারণের মধ্যে বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রচলন ও গুরুত্ব অনেক বেশি।কাজেই এদেশের উচিৎ কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যাতে দেশ জাতি উপকৃত হয়।কাজেই পুঁথিগত মুখস্থ বিদ্যার বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জনের ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে সরকার কে। দেশের বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে  এই শিক্ষাই একমাত্র মাধ্যম।দেশকে প্রযুক্তি নির্ভর কারিগরি শিক্ষা ছাড়া সমৃদ্ধির পথে, উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। 

 

কর্মমুখী শিক্ষার নেতিবাচক দিকঃ যখনই কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা বিস্তার লাভ করবে তখন একশ্রেণীর কিংবা কাঠামোগত পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাবে, অবকাঠামোগত পরিবর্তন হবে এবং সাধারণ পর্যায়ের শিক্ষকদের সংখ্যা কমে যাবে। সকলে কর্মমুখী শিক্ষার পক্ষে অবস্থান করবে তা কিন্তুনয়।কিছুসংখ্যক মানুষের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা এবং মান নিয়ে মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হবে।এটির সামান্য কিছু নেতিবাচক দিক থাকার পরেও আমরা এটিকে সমর্থন করি,কারন বেকারত্ব দূর করতে এটিই দরকার।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

313,429 টি প্রশ্ন

402,997 টি উত্তর

123,832 টি মন্তব্য

173,577 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...