বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
64 জন দেখেছেন
"ইবাদত" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
বর্তমানে দেখাগেছে প্রত্যেকেই কোনো না কোনো ভাবে সুদের সাথে জরিত আছে। এখন ইমাম সাহেব জানেন মুসল্লিদের মাঝে শতকরা ৯৫% মুসল্লি সুদের সাথে জরিত তিনি সবার ঘরে একদিন করে ভাত খাওয়া লাগে।এ খাওয়া দাওয়া করে ইবাদত করলে নামায হবে?চাকরি করতে হলে খাইতে হবে।  এখন ইমাম সাহেবের কী করনীয়।সুদের সাথে জরিত যেমন, ডিপিএস /একাউন্ট/সাক্ষী ইত্যাদি ভাবে।। দয়া করে সহীহ ভাবে জানালে উপকিত হব।

3 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (7,876 পয়েন্ট)
যদি ইমাম সাহেব বা সাধারণ মুসল্লি কেউ নিশ্চিত থাকেন যে এই ব্যক্তি হারাম উপার্জন করে(তা সুদ হোক আর যাই হোক) তাহলে সেখানে ইমাম বা মুসল্লি, কারোর জন্যই দাওয়াত খাওয়া জায়েজ নেই। আর চাকরি করলে খেতে হবে- এ ধরণের কথার কোন ইসলামী ভিত্তি নেই। হারাম মানে হারাম। আর হারাম ভক্ষণ করে যে গোশত গঠিত হয় তা জান্নাতে যাবে না। 
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,733 পয়েন্ট)
ইমাম সাহেবের কাছে যদি আর কোন উপায় না থাকে , তাহলে তিনি খেতে পারেন । যদি সবাই অসৎ থাকেন , তাহলে কিছুই করার নাই । কিন্তু তিনি অতিসত্বর চাকরি ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাবেন যেখানে সৎ লোকের বাড়ীতে খেতে পারেন ॥ 
করেছেন (7,876 পয়েন্ট)
ইমাম সাহেব যদি না খেয়ে মারা যাবার উপক্রম হন, তখনই কেবল হারাম উপার্জনকারীর বাড়িতে খেতে পারবেন। কিন্তু এর বাইরে (খুশি করার জন্য/চাকরি বাচানোর নামে) কোন হারাম উপার্জনকারীর বাড়িতে খাওয়া হারাম,হারাম,হারাম।
0 টি পছন্দ
করেছেন (3,244 পয়েন্ট)
সুদ একটি মারাত্মক ধরণের অপরাধ,এ সম্পর্কে আল্লাহ ও তার রাসুলের কঠিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে,আমরা জানি আল্লাহর রাসুল বলেন সুদের সর্বনিম্ন অপরাধও আপন মায়ের সাথে জিনা করার মতো।এখন কথা হলো এখানে যাদের সুদখোর হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে তারা ৯৫% মুসল্লী, তারা যদি সুদ এবং ভাল কাজ(ভাল পথে উপার্জ)   উভয়টি করে থাকে তবে সর্বপ্রথম ইমাম সাহেব এর উচিৎ তাদের উত্তম ভাষায় নসিহত করা,এবং এদের ঘরে খাওয়া যাবে, তবে ইমাম সাহেব এর উচিৎ এদের বলে দেওয়া সুদ একটি মারাত্মক ধরণের অপরাধ,আপনি ভালভাবে  উপার্জন করুন, আর তার থেকেই আমাকে খাওয়ান,কিন্তু মুত্তাকীদের   উচিত এমন ঘরে খাওয়া থেকে বিরত থাকা,আর ইমাম সাহেব এর ও মুত্তাকী হওয়া জরুরি,তবে খেয়ে ফেললে সে তওবা করবে,আর আপনার তাহার পিছনে নামাজ হবে।

যদি কোন ব্যাক্তি একেবারে সম্পূর্ণভাবে সুদের সাথে জড়িত তার বাড়িতে কোনভাবেই খাওয়া যাবেনা।                

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

350,206 টি প্রশ্ন

444,227 টি উত্তর

139,223 টি মন্তব্য

187,268 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...