বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
18 জন দেখেছেন
"আইন" বিভাগে করেছেন (19 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (13,388 পয়েন্ট)
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গৃহীত কতিপয় ক্ষমতা ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৪৪ থেকে ১৪৮ ধারা পর্যন্ত বর্ননা করা হয়েছে।ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৪৪/১৪৫ এর মূল বক্তব্য হল বে-আইনি ভাবে উচ্ছেদ হওয়া ব্যক্তির দখল পুনরুদ্ধার করে দেওয়া। এই ধারা অনুযায়ী, যে ক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক মতাবান যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ প্রতিবেদন বা অন্য কোন রুপে সংবাদ পেয়ে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন জমি বা জলাশয় নিয়ে এমন একটি বিবাদ রয়েছে, যার দরুন শান্তি ভঙ্গ হতে পারে, তাহলে তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে উকিল মারফত বা ব্যক্তিগতভাবে তার নিকট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হয়ে তাদের স্ব-স্ব দাবি সম্বন্ধে লিখিত ভাবে বক্তব্য পেশ করার জন্য একটি লিখিত আদেশ দিবেন। সমন জারির ন্যায় তার এই আদেশ জারি হবে।অত্র ধারায় জমি বা জলাশয় বলতে অট্টালিকা/দালান, বাজার, ফিশারি, শস্য বা জমির অন্যান্য উৎপন্ন দ্রব্যাদি এবং এরুপ কোন সম্পত্তির ভাড়া বা মুনাফা কে ও বুঝাবে।বিরোধীয় সম্পত্তিতে কারো দাবি বা যোগ্যতার প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে দখল সম্পর্কে তিনি বক্তব্য শুনবেন, প্রয়োজনে সাক্ষীদের বক্তব্য ও শুনবেন। ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতিয়মান হয় যে, তার আদেশের পুর্ববর্তী দুই মাসের মধ্যে কোন পক্ষ বলপুর্বক অন্যায় ভাবে দখলচ্যুত হয়েছে, তবে এরুপ দখলচ্যুত পক্ষকে উক্ত তারিখে দখল কার ছিলেন মর্মে পরিগণিত করতে পারবেন।ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত দখলচ্যুত পক্ষকে আইনি ভাবে যুক্তিযুক্ত উপায়ে উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত দখলের প্রতি সকল প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবেন এবং বেদখলীয় পক্ষকে দখল প্রত্যার্পন করতে পারবেন।বিরোধীয় বস্তু যদি দ্রুত ও স্বাভাবিক নিয়মে পচন যোগ্য হয় তবে তা জিম্মা বা বিক্রির জন্য আদেশ দিতে পারেন এবং সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান শেষে উক্ত টাকা পয়সা সম্পর্কে তিনি যেরুপ উপযুক্ত মনে করেন সে রুপ আদেশ দিবেন।

ম্যাজিস্ট্রেট যদি স্থির করেন যে পক্ষদের কেউই তখন বিরোধীয় সম্পত্তির দখলে ছিলেন না বা তখন কে দখলে ছিল তা নির্নয় করা যাচ্ছেনা, তাহলে তিনি ১৪৬ ধারা অনুযায়ী বিরোধীয় সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন এবং পক্ষদ্বয়কে যথাযথ দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেবেন।

ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪/১৪৫ ধারার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরোধীয় সম্পত্তির দখলে হস্তক্ষেপ করে উক্ত দখল সম্পর্কে অস্থায়ী আদেশ দিতে ম্যাজিষ্ট্রেটকে ক্ষমতা দেয়া, যাতে সমাজে কোন বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি না হয়। 
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
08 জুন 2018 "আইন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন محمد علي (46 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
1 উত্তর
15 জুন 2015 "আইন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন গাজি মোঃ তুহিন (42 পয়েন্ট)
1 উত্তর
05 মার্চ 2014 "আইন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ferdausi (11,037 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
11 জানুয়ারি 2017 "আইন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অালী আকবর মুন্না (11 পয়েন্ট)

305,016 টি প্রশ্ন

393,776 টি উত্তর

119,909 টি মন্তব্য

169,087 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...