বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
35 জন দেখেছেন
"ইবাদত" বিভাগে করেছেন (15 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
তাহাজ্জুদ নামাজ একা পড়ার সময় তেলোয়াত উচ্চস্বরে পড়তে হবে নাকি মনে মনে পড়তে হবে।  আর ওয়াক্তের ফরজ নামাজ মসজিদে গিয়ে যদি জামাত না পাই তাহলে একা একা মসজিদের ভিতর নামাজ পড়ার সময় ইকামাত দিতে হবে?  আর উচ্চস্বরে তেলোয়াত করতে হবে নাকি মনে মনে পড়লেই নামাজ হবে। যারা বিষয়গুলো সর্ম্পকে ভালো জানেনে অনুগ্রহকরে উত্তর দিলে আমার দ্বিধা কেটে যেত।   

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (443 পয়েন্ট)
১. তাহাজ্জুদ নামাজে কেরাত আস্তে পড়াই ভালো। তবে অন্য কারো ঘুমের সমস্যা না করে জোরে কেরাত পড়েন, এটাও জায়েজ আছে।

২. মসজিদে বা যেকোনো জায়গায় একা একা নামাজ পড়লে ইকামত দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে জামাতে পড়লে ইকামত দিতে হবে, সুন্নত। একা পড়লে উচ্চস্বরেও পড়তে পারেন আবার আস্তেও পড়তে পারেন। দুনুটাই জায়েজ আছে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (10,370 পয়েন্ট)
তাহাজ্জুদ নামায হচ্ছে একটি নফল ইবাদত তবে নফল ইবাদতের মধ্যে এটি অন্যতম একটি ইবাদত।

তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ম হচ্ছে সাভাবিক নামাযের মত-ই দুই রাকাত করে করে এই নামায আদায় করা।

প্রত্যেক রাকাতে সুরা ফাতিহা পড়ার পর, অন্য যে কোন সুরা মিলানো এভাবেই নামায আদায় করতে হবে।

তাহাজ্জুদ নামায পড়ার জন্য নির্দিষ্ট কোন সুরা নেই যে কোন সুরা দিয়েই এই নামায আদায় করা যাবে। তবে যদি বড় সুরা বা আয়াত মুখস্হ থাকে তবে, সেগুলো দিয়ে পড়াই উত্তম। কারন রাসুল (সাঃ) সব সময় বড় সুরা দিয়ে তাহাজ্জুদ নামায আদায় করতেন।

যাই হোক, বড় সুরা মুখস্হ না থাকলেও ছোট যে কোন সুরা দিয়েই নামায আদায় করা যাবে।

তাহাজ্জুদ নামায সর্ব নিম্ন দুই রাকাত। আর সর্বোচ্চ আট রাকাত পড়া উত্তম।

তাহাজ্জুদের আট রাকাত নামায আদায় করার পরে, বিতর ৩ রাকাত নামায পড়া। বেশিরভাগ সময় রাসুল (সাঃ) তাহাজ্জুদের নামায আট রাকাত পরতেন এবং এর পর বিতরের নামায পরে মোট এগার রাকাত পূর্ণ করতেন।

তাহাজ্জুদ নামায একাকি-ই পড়তে হয়। একা পড়ার সময় তেলোয়াত উচ্চস্বরে পড়তে হবে না মনে মনে পড়তে হবে।

আর ওয়াক্তের ফরয নামায মসজিদে গিয়ে যদি জামাত না পান তাহলে একা একা মসজিদের ভিতর নামায পড়ার সময় ইকামাত দিতে হবে না।

কেননা কারণবশতঃ একা নামায পড়তে হলে একা নামাযীর জন্য ইকামত দেওয়া জরুরী নয়। যেমন জেহরী নামায সশব্দে কিরাআত পড়াও জরুরী নয়। এ শুধু জামাআতের নামাযের ক্ষেত্রে জরুরী। (ইবনে জিবরীন)

আর একা নামাযীর জন্য উচ্চস্বরে তেলায়াত করতে হবে না, মনে পড়লেই নামায হবে।
সাবির ইসলাম অত্যন্ত ধর্মীয় জ্ঞান পিপাসু এক জ্ঞানান্বেষী। জ্ঞান অন্বেষণ চেতনায় জাগ্রতময়। আপন জ্ঞানকে আরো সমুন্নত করার ইচ্ছা নিয়েই তথ্য প্রযুক্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন নিজে জানতে এবং অন্যকে জানাতে। লক্ষ কোটি মানুষের নীরব আলাপনের তীর্থ ক্ষেত্রে যুক্ত আছেন একজন সমন্বয়ক হিসেবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
17 জুলাই "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন সাবাহ আজমান নাহিয়ান (763 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
27 ডিসেম্বর 2018 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন জাওয়াদ জামিল (595 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর

350,189 টি প্রশ্ন

444,221 টি উত্তর

139,216 টি মন্তব্য

187,261 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...