বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
194 জন দেখেছেন
"ফাতাওয়া-আরকানুল-ইসলাম" বিভাগে করেছেন (30 পয়েন্ট)
আসসালামু অওালাইকুম, কেমন আছেন আপনারা। আমার প্রশ্ন হলঃ মোবাইলের মাধ্যমে কোন (ছেলে/মেয়ে) যদি প্রকৃতি ফেরেশতা ও আল্লাহ্‌ কে সাক্ষী রেখে উভয় তিনবার কবুল বলে  তবে কি তাদের মধ্যে বিবাহ হয়ে গেছে এবং প্রকৃতি ফেরেশতা ও আল্লাহ্‌ কে এই ভাবে সাক্ষী রাখা ও পরে এটা না মানলে এটা কোন ধরনের গোনাহ হবে এবং ইসলামে এই অপরাধের শাস্তি কি? 

3 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (1,623 পয়েন্ট)
বিবাহ জীবনের একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয়।ইসলামে এমন বিবাহের কোনো বিধান নেই।ইসলামে বিবাহ করতে হলে নন্যূতম ৪ জন সেই বিবাহের স্বাক্ষি থাকতে হবে তাহলেই ইসলামে বিবাহ জায়েজ হবে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (177 পয়েন্ট)
নাউযুবিল্লাহ, এটার কোনো ভিত্তি নেই। এটা হিন্দুয়ানি সংস্কৃতি। এসব ভন্ডামি আর বাটপারি থেকে দূরে থাকা উচিৎ। সাক্ষী হতে হবে স্পষ্টই মানুষ, সে হোক নারী বা পুরু।   
করেছেন (30 পয়েন্ট)
প্রকৃতি ফেরেশতা ও আল্লাহ্‌ কে এই ভাবে সাক্ষী রেখে বিবাহের কথা বলে কবুল বলা  এটা কোন ধরনের গোনাহ হবে এবং ইসলামে এই অপরাধের শাস্তি কি?
করেছেন (177 পয়েন্ট)
দুঃখিত, এবিষয়ে আমার জানা নেই, তবে প্রকৃতির কথা থাকলে শির্কেরও সম্ভাবনা থেকে যায়।
করেছেন (30 পয়েন্ট)
" প্রকৃতি ফেরেশতা ও আল্লাহ্‌" কে   নিয়ে  এভাবে বলা বিষটি তে যে খুব ভয়াবহ গুনাহ হয়ছে এটা তো নিশ্চিত?
করেছেন (494 পয়েন্ট)
আপনার জানা নেই তাহলে উত্তর দিছেন কেনো? আশাকরি পরবর্তীতে পর্যাপ্ত রেফারেন্সসহ এই বিভাগের উত্তর দিবেন। Adiat
করেছেন (177 পয়েন্ট)
মাফ করবেন। ঠিক এই প্রশ্নটাই করা হয়েছিল মাওলানা মাসুম বিল্লাহকে, একটি বেসরকারি রেডিও চ্যানেলের ইসলামী প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে। তিনি কিছু রেফারেন্স অবশ্য দিয়েছিলেন, আমার নোট করে রাখা হয়নি। আমি তার উত্তরটাই আপনাকে বলেছি।
0 টি পছন্দ
করেছেন (494 পয়েন্ট)

বিয়ে করতে ইসলামী শরিয়তে নিষেধ নেই। কিন্তু এ বিয়েতে ফায়দাটি কী? তেমন কোনো ফায়দা নেই আসলে। এ ধরনের বিয়ে হয় এবং এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমরা লক্ষ করে আসছি। তবে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী এটি জায়েজ। কিন্তু যেখানে টেলিফোনে বিয়ে হবে, সেখানে দুই জায়গাতেই সাক্ষী থাকতে হবে। অর্থাৎ প্রবাসে এবং দেশে দুই জায়গাতেই সাক্ষী থাকতে হবে। যদি সাক্ষী থাকে এবং টেলিফোনে যদি সেটা নিশ্চিত হয়, তাহলে ইজাব এবং কবুল হতে পারে।

তবে এ ইজাব এবং কবুলের অতিরিক্ত কোনো ফায়দা আমি দেখি না। ইসলামী শরিয়াহর মধ্যে বিয়ে মানে শুধু মৌখিকভাবে বিয়ে হওয়ার নাম না বা মৌখিক বক্তব্যের নাম না। বিয়ে হচ্ছে মূলত দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করার নাম। চারিত্রিক পবিত্রতার নাম। এটা শুধু বিয়ে হয়ে লাভ কী হলো? কোনো কিছুই না।

সুতরাং এ ক্ষেত্রে যাঁরা এগুলো করছেন, তার ফলে কী হয়? যে ভুলগুলো হয়, যেগুলো এখন আমাদের কাছে ধরা পড়ছে, সেগুলো হলো, পরবর্তী সময়ে এ সম্পর্কগুলো আর বেশি দিন টেকে না। কারণ হচ্ছে, ওই মোবাইল ফোনে মানে বাতাসে বাতাসে সব উড়ে যায়।

বিয়ে মানে তো একসাথে থাকবে, বসবাস করবে, সুখে-দুঃখে একে অপরের সাথী হবে। এ বাস্তব বিয়ে ছাড়া তো এই টেলিফোনে বিয়ে খুব একটা অর্থবহ হয় না। বিয়ের মাধ্যমে যে ভালোবাসা তৈরি হবে, সম্প্রীতি তৈরি হবে, অর্থাৎ মোয়াদ্দা এবং রহমা যে বিষয়গুলো, সেগুলো তৈরি হওয়ার আগেই বিয়েটা বাতাসে উড়ে যায়। যেহেতু এটি টেলিফোনের বিয়ে, তাই টেলিফোনেই উড়ে যায়।

এখন আমাদের কাছে এ ধরনের বক্তব্য বহু আসছে এবং এই অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি যে, আসলে এতে ফায়দা অনেক কম। বিয়ে হচ্ছে জীবনের মান রক্ষার বিষয়, একটা চমৎকার সময়। অথচ টেলিফোনে বিয়ে হয়ে এরপর মাসের পর মাস কেটে যাচ্ছে। এটা একটা শূন্যতা। যেখানে শূন্যতা, সেখানে তো সমস্যা হতেই পারে।

সুত্রঃ NTv 


আর আপনি আল্লাহ ও ফেরেশতাকে কিভাবে সাক্ষি রাখবনে ( নাউজুবিল্লাহ) । আল্লাহ নামে কসম করা যায়।     

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর

330,991 টি প্রশ্ন

421,760 টি উত্তর

130,975 টি মন্তব্য

180,943 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...