"নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে করেছেন (3 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (615 পয়েন্ট)

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলাকারী ব্যক্তি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। হামলাকারীর পরিচয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, হামলাকারী কট্টর ডানপন্থী। তাঁর নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা দেড়টার দিকে ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে জুমার নামাজ আদায়রত মুসলিমদের ওপর হামলা চালান ওই বন্দুকধারী। পরে কাছাকাছি শহরতলি লিনউডের মসজিদে হামলা চালানো হয়। তবে দ্বিতীয় মসজিদে হামলাকারী একই ব্যক্তি কি না, তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী কারও কারও মতে, হামলাকারী একাধিক ছিলেন। হামলায় জড়িত সন্দেহে এক নারীসহ চারজনকে পুলিশ আটক করেছে। একটি গাড়িতে স্থাপন করা বিস্ফোরক উদ্ধার করে তা নিষ্ক্রিয় করেছে পুলিশ।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কট মরিসন বলেন, ক্রাইস্টচার্চে একজন উগ্র মনোভাবের অধিকারী ডানপন্থী উন্মত্ত জঙ্গি হামলা চালিয়েছেন। হামলাকারী অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নেওয়া নাগরিক। তবে তিনি বিস্তারিত আর কোনো তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, নিউজিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি তদন্ত করছে।

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন জানিয়েছেন, হামলাকারী নিরাপত্তা নজরদারির তালিকায় ছিল না।

এদিকে ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার পর পর একটি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে যায়। এতে দেখা গেছে, ভিডিও গেমের মতো একজন বন্দুকধারী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি করছে। হামলার ভিডিও দেখে ধারণা করা হচ্ছে, বন্দুকধারী হামলার আগে পুরো ঘটনাটি ভিডিও করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। হয়তো তাঁর মাথায় ভিডিও ক্যামেরা বসানো ছিল। একটি ওয়েবসাইট জানায়, হামলাকারী হামলাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করেছেন। 
ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলাকারী স্বয়ংক্রিয় বন্দুক নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে মসজিদের দিকে যাচ্ছেন। মসজিদের প্রবেশ কক্ষ থেকেই মুসল্লিদের ওপর নির্বিচারে বৃষ্টির মতো গুলি ছুড়তে শুরু করেন। মসজিদের ভেতর ছুটোছুটিরত মুসল্লিদের প্রতি টানা গুলি করতে থাকেন। এরপর মসজিদের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে ঘুরে ঘুরে গুলি করতে থাকেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে যাঁরা মসজিদের মেঝেতে পড়েছিলেন, তাঁদের দিকে ফিরে ফিরে গুলি করছিলেন তিনি।

এক্সপ্রেস নামের একটি স্থানীয় গণমাধ্যমের অনলাইনে বলা হয়েছে, হামলাকারীকে শনাক্ত করা গেছে। ২৮ বছর বয়সী একজন শ্বেতাঙ্গ। তিনি অস্ট্রেলিয়া থেকে এসেছেন। দুই বছর ধরে তিনি এ হামলার পরিকল্পনা করছেন। হামলাকারী জানিয়েছেন, ইউরোপের দেশগুলোতে বিদেশি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে তিনি এ হামলার পরিকল্পনা করেন।

ভিডিওটি ভয়াবহ উল্লেখ করে তা অনলাইনে না ছড়াতে লোকজনকে নির্দেশ দিয়েছে নিউজিল্যান্ড পুলিশ।


সুত্রঃ প্রথম আলো

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,611 পয়েন্ট)

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টার্চে দুটি মসজিদে হামলার ঘটনায় মারা গেছে ৪৯ জন। হামলাকারীর নাম ব্রেন্টন টেরেন্ট (২৮)। হামলা চালানোর আগে ৭৩ পৃষ্ঠার ঘোষণাপত্রে ১৬ হাজার ৫০০ শব্দে এ হামলার কারণ ব্যাখ্যা করেন এই বন্দুকধারী।যার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, এবা আকারলাউন্ড নামের ১২ বছরের সুইডিশ শিশুর কথা। ২০১৭ সালে স্টকহোমে ট্রাক হামলার সময় মারা যায় এবা।তিনি লিখেছেন, দুই বছর আগের এ ঘটনা নাটকীয়ভাবে আমার চিন্তায় পরিবর্তন নিয়ে আসে। সময়টা ছিল ২০১৭ সালের এপ্রিল থেকে মে। ২০১৭ সালের ৭ এপ্রিল ওই হামলার ঘটনা ঘটে। আমি এ সহিংসতার পর আর চুপ থাকতে পারিনি। কারণ পরিস্থিতি বদলে গিয়েছিল আর সে বদল এনেছিল এবা… স্কুল ছুটির পর এবা তার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিল।

২০১৭ সালের ৭ই এপ্রিল উজবেকিস্তানের এক জঙ্গি সুইডেনের স্টকহোম শহরে লড়ি চালিয়ে পিষে মেরে ফেলেছিলো ৮জনকে৷ নিহতদের মধ্যে ছিলো ১১বছর বয়সী এবা নামের এক শ্রবণপ্রতিবন্ধী মেয়ে।

স্কুল থেকে ফেরার পথে মায়ের সাথে তাকেও লড়ির নিচে পিষে মরতে হয়েছিলো। গতকাল ছিলো মেয়েটির জন্মদিন।সেই হত্যার প্রতিশোধ নিতেই ‘এবা’র জন্মদিনকেই বেছে নেয়া হয়।

সূত্র:পাঠক.নিউজ

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর

289,327 টি প্রশ্ন

374,904 টি উত্তর

113,385 টি মন্তব্য

157,811 জন নিবন্ধিত সদস্য

Bissoy Answers এ সুস্বাগতম, যেখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।
...