বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
46 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (54 পয়েন্ট)
আমার Wife বয়স সবে ১৯ পড়লো ২দিন আগে । আমাদের বিয়ে হয়েছে ৮ মাস আগে । 

সমস্যাঃ-  গত কয়েক মাস ধরে সর্দি মাঝে মধ্যে জ্বর আসতো হালকা ।

সে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন করে বাল্যকাল হতেই  ।

তাই তাকে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন করাই কয়েকমাস এর মধ্যে যতদিন ঔষধ থাকে ঠিক ততদিন ভাল থাকে ঔষধ শেষ হয়ে গেলে আবার অসুস্থ হয়ে যায় ।

অবস্থা স্বাভাবিকই ছিল গত ৪-৫ দিন আগে এক রাতে দেখি সে উঠে বসে আছে ।  ঘুমাচ্ছে না  তাকে কি হয়েছে জিজ্ঞেস করতে সে জবাব দিলো সে বললো আমি স্বাস নিতে পারছিনা খুব কষ্ট হচ্ছে ।

দেখলাম আসলেই খুব কষ্ট হচ্ছে ওর আগে কখনোই এমন হয়নি ।

সকাল হতেই হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার পরিবর্তন করে অন্য হোমিওডাক্তারের কাছে গেলাম তিনি ঔষধ দিলেন  তার ঔষধ সেবন করালাম ২ দিন এরপর তিনি দুধ জাতিয় কিছু ক্ষেতে বারন করেছিলেন এবং আসার সময় গ্যাস দিয়ে দিয়েছিলেন রেসপিরনিক্স যন্ত্র দিয়ে ।

এরপর প্রোয়োজন পড়াই দই খেয়েছিল আমার স্ত্রী এরপর আবার সেই অসুখটা বাড়লো  বমি হলো সাধারণ বমি নয় কফের বমি  ।

এরপর ডাক্তারের কাছে গেলাম গ্যাস দিয়ে এলাম  ।

আমার ও আমার স্ত্রীর বংশে কারো এজমা বা  হাপানী আমার ও আমার স্ত্রীর ও নেই  । 

 

তারা এজমোটোন সিরাপ এধরনের খাবার ঔষধ দেয় এই স্বাসকষ্ট ডাক্তার বলেছিল বুকে প্রচুর পরিমাণে কফ জমছে তাই হচ্ছে ।  সর্দি নাক দিয়ে পড়েনা আজ একটু পড়েছে ।

আমার স্ত্রী টনসের অপারেশন হয়েছিল টনসিল অপসারন করা হয়েছে । 

আর গ্যাস দিলে কি কোন সমস্যা হয় বা ক্ষতি হয় শরীরের ?

কি করা যায় প্লিজ বলেন একদিন দুপুরেও স্বাসকষ্ট ওঠেছিল ।  প্লিজ জানান । 
করেছেন (2,041 পয়েন্ট)
আমি একজন রেজিস্টার্ড আয়ুর্বেদ চিকিৎসক এর সন্ধান আপনাকে দিতে পারব।

উক্ত চিকিৎসক এ রোগের খুব ভাল ওষুধ দিয়ে থাকেন।

এবং শত শত রোগী ভাল হয়েছেন।

তিনি নিজেই ওষুধ বানান এবং কুরিয়ারে ওষুধ পাঠান।

প্রয়োজনে আপনি আমার সাথে যোগাযোগ করুন।

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (168 পয়েন্ট)

শুনেন   বংশে এজমা নেই বলে যে এজমা হবে না এরকম কোন কথা নেই।   আমি আপনাকে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবো না।  তবে  কিছু তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিচ্ছি  যদি উপকারে লাগে ।  আর হ্যা আপনি অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করবেন  । 



শ্বাসকষ্টজনিত রোগকেই সাধারণত হাঁপানি বা অ্যাজমা বলা হয়ে থাকে। এ রোগের সঙ্গে সবাই কম বেশি পরিচিত। ধুলোবালি ও শীতকালে এ রোগের তীব্রতা একটু বেড়ে যায়। হাঁপানি হলো মানুষের দেহের একটি অসহনীয় ও মারাত্দক ব্যাধি। অ্যাজমার প্রধান উপসর্গ হচ্ছে শ্বাসকষ্ট। এ জাতীয় রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, বেশিরভাগ সময় তারা মধ্যরাতে বা ভোরের দিকে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসে থাকে। কারণ সে সময় তাদের শ্বাস টানতে এবং ছাড়তে ভীষণ কষ্ট হয়। বুকের মধ্যে অাঁটসাঁটভাবে এবং বাঁশির মতো সাঁই সাঁই আওয়াজ হয়। যারা রোগীর পাশে এ সময় থাকেন তাদের কানেও আওয়াজ যায়। রোগীর সারা শরীর ঘামে ভিজে যায়। ছোট শিশুদের জন্য এটি অসহ্য যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধি। বাচ্চাদের সঙ্গে সঙ্গে তাদের বাবা, মা এবং পুরো পরিবারই সারা রাত জেগে থাকে।

সাধারণত ভোরের দিকে এ রোগের আক্রমণ শুরু হলেও যারা এ রোগে নতুন আক্রান্ত হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে দিনের যে কোনো সময় হাঁপানি হতে পারে। হাঁপানি বা অ্যাজমা শুরুতে অল্প পরিমাণের শ্বাসকষ্ট হয়, যা পরক্ষণে দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয়। এছাড়াও এ রোগ সৃষ্টি হওয়ার আগে কতকগুলো উপসর্গ লক্ষ্য করা যায়। সেগুলো হল- চোখ, নাক এবং মুখ চুলকানো, চোখ এবং নাক দিয়ে পানি পড়া, অনবরত হাঁচি হওয়া। যে সব রোগী অনেক দিন ধরে হাঁপানি রোগে আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসা ব্যবস্থা এক ধরনের। যারা হঠাৎ বা নতুন করে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা, তবে নতুন এবং পুরাতন রোগীদের ক্ষেত্রে ইনহেলারের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইনহেলার অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীদের জন্য একটি কার্যকর চিকিৎসা ব্যবস্থা। এ যন্ত্রের সাহায্যে খুব সহজেই শ্বাসের সঙ্গে ওষুধ টেনে নেওয়া যায়। ইনহেলার ছাড়া এ সব রোগীর মুখে সেবনের যে ধরনের ওষুধ রয়েছে সেগুলো সেবন করলে রোগীদের ঘুমের পরিমাণ কমে যায়। হাত-পা কাঁপে, বুক ধড়ফড় করে। এদিক দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে ইনহেলার ব্যবহার করাই শ্রেয়। কারণ ইনহেলার যন্ত্রের মাধ্যমে শ্বাসনালিতে যে ওষুধ প্রেরণ করা হয়, তা কাজ করে খুব দ্রুত। এ যন্ত্রটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন ওষুধ শ্বাসনালিতে ঠিকমতো পেঁৗছায়। নতুবা এটা ব্যবহার করলে রোগীর কোনো উপকার হবে না। হাঁপানি রোগের প্রথম পর্যায়ের চিকিৎসা হচ্ছে ইনহেলার। কোনো শ্বাসকষ্টের রোগীর যদি ইনহেলার ব্যবহার করেও শ্বাসকষ্টের পরিমাণ বেড়ে যায়, তবে তাকে মুখে সেবনের ট্যাবলেট বা ক্ষেত্র বিশেষে ইনজেকশন দেওয়া হয়। ইনহেলার ব্যবহারের পর অন্য ওষুধ রোগীর শরীরে কাজে লাগে। এর কোনো পাশর্্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এটি ব্যবহার করলে ওষুধ লাগে কম এবং এর ফল পাওয়া যায় খুব তাড়াতাড়ি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে ইনহেলার ব্যবহার করতে হবে। তবে অ্যাজমা রোগীর শ্বাসকষ্টের পরিমাণ যদি একেবারে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় সে ক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
27 মে "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
19 মে "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

313,007 টি প্রশ্ন

402,574 টি উত্তর

123,666 টি মন্তব্য

173,360 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...