বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
32 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (9 পয়েন্ট)
আমার এক বডুয়া বন্দুর বিয়ে হইছে ৬/৭ বছর আগে। কছু দিন হল তার বৌ বাপের বাড়িতে চলে গেছে নানার অজুহাত দেখি।  এখন আমার বন্ধু জানতে পারে তার বৌ বিয়ের আগে আর পরে তার বড় বোনের জামাই এর সাথে শারীরিকভাবেও মানষীক ভাবে ও মিলামেশা আছে। এখন প্রশ্ন হল বন্ধু টি তার ধর্ম মতে কি করতে পারে। তাদের একটা ছেলে ও আছে?

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (6,736 পয়েন্ট)
তাদের যেহেতু একটা ছেলে আছে তাই তাদের উচিত নয় সম্পর্কচ্ছেদ করা।

পবিত্র কোরআনে তালাকের বিষয়ে যে বিধান দেয়া হয়েছে মানুষের জীবনে পারিবারিক জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে ও বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এটির প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতা অস্বীকার করার উপায় নেই। বৈবাহিক জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে মান-অভিমান, ঝগড়া-ঝাটি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে মান অভিমান হতেই পারে। আর তা যতই গভীর হোক না কেন, একটু ধৈর্য ধরলে ও ক্রোধ সংবরণ করতে পারলে অনেক ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে খুব একটা সময় লাগেনা। ধৈর্যশীল মানুষকে আল্লাহ তায়ালা-ও ভালবাসেন। তাই প্রশ্নে উল্লেখিত উক্ত কারণে অধৈর্য হয়ে তালাকের মত অপছন্দনীয় পথে সহসা পা না বাড়ানোই ভাল।

কোরআনের বানীঃ পুরুষগণ নারীদের উপর কর্তৃত্বশীল এ কারণে যে, আল্লাহ তাদের এককে অন্যের উপর মর্যাদা প্রদান করেছেন, আর এজন্য যে, পুরুষেরা স্বীয় ধন-সম্পদ হতে ব্যয় করে। ফলে পুণ্যবান স্ত্রীরা 'আল্লাহ ও স্বামীর প্রতি' অনুগতা থাকে এবং পুরুষের অনুপস্থিতিতে তারা তা 'অর্থাৎ তাদের সতীত্ব ও স্বামীর সম্পদ' সংরক্ষণ করে যা আল্লাহ সংরক্ষণ করতে আদেশ দিয়েছেন। যদি তাদের মধ্যে অবাধ্যতার সম্ভাবনা দেখতে পাও, তাদেরকে সদুপদেশ দাও এবং তাদের সাথে শয্যা বন্ধ কর এবং তাদেরকে 'সঙ্গতভাবে' প্রহার কর, অতঃপর যদি তারা তোমাদের অনুগতা হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোন পথ অন্বেষণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সুউচ্চ, সুমহান। (সুরা নিসাঃ ৩৪)

প্রথমতঃ স্ত্রী অবাধ্য হলে সর্বপ্রথম তাকে সদুপদেশ ও নসীহতের মাধ্যমে বুঝাতে হবে।

দ্বিতীয়তঃ সাময়িকভাবে তার সংসর্গ থেকে পৃথক হতে হবে। বুদ্ধিমতী মহিলার জন্য এটা বড় সতর্কতার বিষয়। কিন্তু এতেও যদি সে না বুঝে, তাহলে হাল্কাভাবে প্রহার করার অনুমতি আছে। তবে এই প্রহার যেন হিংস্রতা ও অত্যাচারের পর্যায়ে না পৌঁছে; যেমন অনেক মূর্খ লোকের স্বভাব। মহান আল্লাহ এবং তার রসূল (সাঃ) এই যুলমের অনুমতি কাউকে দেননি। 'অতঃপর যদি তারা তোমাদের অনুগতা হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোন পথ অন্বেষণ করো না' অর্থাৎ, তাহলে আর মারধর করো না, তাদের উপর সংকীর্ণতা সৃষ্টি করো না অথবা তাদেরকে তালাক দিও না। অর্থাৎ, তালাক হল একেবারে শেষ ধাপ; যখন আর কোন উপায় থাকবে না, তখন তার প্রয়োগ হবে। কিন্তু বহু স্বামী তাদের এই অধিকারকে বড় অন্যায়ভাবে ব্যবহার করে থাকে। ফলে সামান্য ও তুচ্ছ কারণে তালাক দিয়ে নিজের, স্ত্রীর এবং সন্তানদের জীবন নষ্ট করে থাকে।
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
2 টি উত্তর
2 টি উত্তর
12 মার্চ 2018 "হিন্দু ধর্ম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন kiron6 (9 পয়েন্ট)

299,442 টি প্রশ্ন

387,101 টি উত্তর

116,962 টি মন্তব্য

165,123 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...