বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
81 জন দেখেছেন
"ফাতাওয়া-আরকানুল-ইসলাম" বিভাগে করেছেন (3,754 পয়েন্ট)
করেছেন (3,193 পয়েন্ট)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ভিক্ষা চাওয়া তিন শ্রেনীর ব্যক্তি ব্যতীত অন্যদের জন্য হালাল নয়।

(১) ধূলা-মলিন নিঃস্ব ভিক্ষুকের জন্য।
(২) প্রচন্ড ঋণের চাপে জর্জরিত ব্যক্তির জন্য।
(৩) যার উপর দিয়াত আছে, অথচ তা পরিশোধের অক্ষমতার কারণে নিজের জীবন বিপন্ন এ ধরনের ব্যক্তিরা যাঞ্ছা করতে পারে। (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, নাসাঈ, হাদিসের মানঃ যঈফ)

এটা দেখুন

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (4,777 পয়েন্ট)

রাসুলে আকরাম সা. ভিক্ষুকদের সম্পর্কে বলেন- যে ব্যক্তি ধনী হওয়ার উদ্দেশ্যে লোকদের কাছে ভিক্ষা চাইবে, সে যেন নিজ চেহারাকে কেয়ামত পর্যন্ত ক্ষতযুক্ত করে দিল। সে জাহান্নামের গরম পাথর ভক্ষণ করতে বাধ্য হবে। সুতরাং যার ইচ্ছা নিজের জন্য এসব জিনিস বেশি পরিমাণে সংগ্রহ করুক, আর যার ইচ্ছা কম করুক।’ (সহীহ মুসলিম, পৃ. ৩৩৩)।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা জোর করে কারও কাছে ভিক্ষা চেয়ো না।’ (সূরা বাকারা : ২৭৩)। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমি হলাম সম্পদের খাজনার মালিক। যাকে আমি স্বেচ্ছায় দান করব ও তার জন্য সে মাল হবে বরকতপূর্ণ; আর যাকে চাওয়া বা জোর করার কারণে মাল দেব সে ওই ব্যক্তির মতো হবে, যে পেটভরে খায়; কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারে না।’ (সহীহ মুসলিম, পৃ. ৩৩৩)। রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘মহান আল্লাহর কাছে হালাল কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট এবং রাগের উদ্রেক সৃষ্টিকারী কাজ হলো স্ত্রীকে তালাক দেয়া ও ভিক্ষাবৃত্তি করা।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ : হা. নং ৪৩৬)। অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি বিনা প্রয়োজনে ভিক্ষা চায়, সে হাতে অঙ্গার একত্রিত করার মতো ভয়াবহ কাজ করে।’ (সুনানে বায়হাকি : ৬৩৪)।

 

তবে হাদিসে শুধু তিন শ্রেণীর মানুষের জন্য ভিক্ষা করার অনুমতি দেয়া হয়েছে:

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তিন ব্যক্তি ছাড়া কারোর জন্য ভিক্ষা করা জায়েজ নেই। তারা হলো- ১. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি (যার পুরো সম্পদ নিঃশেষ হয়ে গেছে) তার জন্য ভিক্ষার অনুমতি রয়েছে। যখন প্রয়োজন শেষ হয়ে যাবে, তখন আর ভিক্ষা করা হালাল হবে না। ২. ওই ব্যক্তি, যার সম্পদ কোনো কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। তার প্রয়োজন অনুযায়ী ভিক্ষা করা হালাল। ৩. ওই ব্যক্তি, যে একেবারেই নিঃস্ব এবং তার বংশের তিনজন সাক্ষী দেয় যে, সে নিঃস্ব। তার জন্যও প্রয়োজন অনুযায়ী ভিক্ষা করা হালাল। এর বেশি হালাল নয়।’ (সহীহ মুসলিম, পৃ. ৩৩৪)। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যখন নামাজ আদায় করবে, তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) তালাশ করো।’ (সূরা জুমা : ১০)। রাসুলুল্লাহ (সা.) কে সর্বোত্তম উপার্জন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘নিজ হাতে কাজ করা এবং হালাল পথে ব্যবসা করে যে উপার্জন করা হয়, তাই সর্বোত্তম।’ (মেশকাতুলে মাসবীহ : ২৭৮৩)।

 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

312,162 টি প্রশ্ন

401,726 টি উত্তর

123,436 টি মন্তব্য

173,008 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...